Logo
Logo
×

Advertisement

সুস্থ থাকুন

তরুণ অফিস কর্মীদের হার্ট অ্যাটাকের কয়েকটি কারণ

Advertisement

Icon

লিনা আকতার

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ঘুমের ঘাটতি এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কারণে তরুণ অফিস কর্মীদের হৃদস্বাস্থ্যের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

▶ দীর্ঘ সময় বসে থাকা : অফিসে দীর্ঘ সময় একটানা বসে কাজ করার অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর। নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম না থাকলে ওজন বাড়া, রক্তচাপ ও রক্তে চর্বির মাত্রা বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। এসব কারণ দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

▶ অতিরিক্ত মানসিক চাপ : কাজের চাপ, সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার তাড়া, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং কর্মক্ষেত্রের নানা ধরনের মানসিক চাপ হৃদস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন বাড়াতে পারে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার, ধূমপান বা অনিয়মিত ঘুমের মতো অভ্যাসও বাড়িয়ে দিতে পারে।

▶ ঘুমের ঘাটতি : রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া বা নিয়মিত ঘুমের সময়ের পরিবর্তন হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতি থাকলে উচ্চরক্তচাপ, স্থূলতা ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এসব বিষয় পরোক্ষভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

▶ অস্বাস্থ্যকর খাবার ও ওজন বৃদ্ধি : অফিসে কাজের ব্যস্ততায় অনেকেই নিয়মিত খাবারের বদলে ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত লবণ বা চিনিযুক্ত খাবার বেশি খান। দীর্ঘদিন এ ধরনের খাবার খেলে ওজন বাড়তে পারে এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। ফলে হৃদরক্তনালিতে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়ে।

▶ ধূমপান ও অন্যান্য ঝুঁকি : ধূমপান তরুণ বয়সেও হৃদরোগের গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, অতিরিক্ত ওজন এবং পরিবারে অল্প বয়সে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলেও ঝুঁকি বাড়তে পারে।

▶ কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন : দীর্ঘ সময় একটানা বসে না থেকে কিছুক্ষণ পরপর উঠে হাঁটাচলা করা এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস করা জরুরি। অতিরিক্ত মানসিক চাপ কমানোর জন্য কাজের মাঝে বিরতি নেওয়া, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা এবং নিজের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রামের সময় রাখা দরকার। রক্তচাপ, রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল ও ওজন নিয়মিত পরীক্ষা করে নিয়ন্ত্রণে রাখলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ঘাম, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা বা ব্যথা হাত, কাঁধ, পিঠ কিংবা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

লেখক : পুষ্টিবিদ, রাইয়ান হেলথ কেয়ার হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, দিনাজপুর।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

ওজন কমাতে গিয়ে স্বাস্থ্যহানি নয়

ওজন কমাতে গিয়ে স্বাস্থ্যহানি নয়

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ও করণীয়

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ও করণীয়

রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে ফলের ভূমিকা

রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে ফলের ভূমিকা

তরুণ অফিস কর্মীদের হার্ট অ্যাটাকের কয়েকটি কারণ

তরুণ অফিস কর্মীদের হার্ট অ্যাটাকের কয়েকটি কারণ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম