ইয়েমেনে প্রাণ বাঁচাতে ছুটছেন মানুষ
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা আইওএম-এর তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনে এ পর্যন্ত ২ লাখ ১ হাজার ২১৭ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ছিল ৭৬ হাজার; সেই তুলনায় বর্তমান সংখ্যাটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। জাতিসংঘের এ সংস্থাটি বিবৃতিতে জানায়, যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুতির পাশাপাশি মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তাও দিন দিন বাড়ছে; কিন্তু পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত তহবিলের অভাব রয়েছে।
আইওএম প্রধানের উদ্ধৃতি দিয়ে বুধবার আল জাজিরা জানায়, যুদ্ধের মধ্যে বিপন্ন অবস্থায় পড়েছেন বাস্তুচ্যুতরা। সংস্থাটির প্রধান অ্যামি পোপ বলেন, ‘মানুষ প্রাণ বাঁচাতে ছুটছে। কিন্তু যাওয়ার মতো কোনো নিরাপদ জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না। তাদের এখনই মাথা গোঁজার ঠাঁই, খাবার ও নিরাপত্তার প্রয়োজন। আমাদের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় তহবিলের অভাব রয়েছে। আমি দাতাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা এখনই এগিয়ে আসেন; কারণ প্রতিটি দিনের বিলম্ব মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে।’
তাইজে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি : সরকারি বাহিনীর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের তাইজ এলাকার সব ফ্রন্টেই লড়াই তীব্রতর হয়েছে। এ সংঘাত মূলত তাইজের দক্ষিণাঞ্চলীয় গ্রামীণ এলাকা, জাবাল হাবাশি এবং শহরের আশপাশের বিভিন্ন ফ্রন্টকে কেন্দ্র করে চলছে। মানবিক পরিস্থিতির দিক থেকে বিবেচনা করলে দেখা যায়, মানুষ এখনো বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন-বিশেষ করে সেসব এলাকা থেকে যেখানে প্রথমবারের মতো লড়াই ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আল-মাওয়াসেত এবং কাদির ও আল-সিলউ-এর মতো এলাকাগুলো। হুথিদের তীব্র গোলাবর্ষণের মুখে এসব এলাকার বহু বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করা ‘অসাধ্য কিছু নয়’- ইরান : ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য সংঘাত নিয়ে আলোচনার জন্য প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাশিয়ার নেতা ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। বার্তা সংস্থা ফার্স পেজেশকিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ‘অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে-এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত।’ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমাদের কাছে রেড লাইন বা অলঙ্ঘনীয় বিষয় হলো ইরানের জনগণের জাতীয় স্বার্থ ও অধিকার। যুক্তরাষ্ট্র যদি আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো মেনে চলে, তবে চুক্তিতে পৌঁছানো অসাধ্য কিছু নয়।’
ইরানকে অবশ্যই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কমাতে হবে -ভ্যান্স : রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পূরণ এবং সাত মাস ধরে চলা এ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানকে অবশ্যই তাদের পারমাণবিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা ‘উল্লেখযোগ্য’ মাত্রায় কমাতে হবে। এর আগে সোমবার আলাস্কায় নির্বাচনি প্রচারণার সফর শেষে ভ্যান্স বলেন, যে কোনো চুক্তির শর্ত হিসাবে ইরানকে তাদের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা কমাতে হবে; কেবল ভবিষ্যতে পারমাণবিক কার্যক্রম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিলেই চলবে না।
