Logo
Logo
×

Advertisement

দশ দিগন্ত

নেতাদের আটকে কি আন্দোলন থামবে

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টিসহ (সিজেপি) বিরোধী দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের আটক করা হয়েছে। শনিবার দেশটির রাজধানী নয়া দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তাদের আটক করা হয়। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, তাদের গ্রেফতারের মাধ্যমে কি আন্দোলন থামাতে পারবে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার?

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতাদের আটকের পর বিকল্প পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সিজেপির। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ও অন্য বিশিষ্ট নেতাদের আটকের পর দলটি জানিয়েছে, দিল্লিতে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অন্যরা প্রস্তুত আছেন। দলটি জানিয়েছে, তাদের সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা অজিনক্য শিন্ডে যন্তর মন্তরে আয়োজিত কর্মসূচির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। আটক হতে পারেন-এমন আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল দীপকের। শুক্রবার রাতে রেকর্ড করা এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘আপনারা যখন এ ভিডিওটি দেখবে, তখন হয়তো আমাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।’ শনিবার তাদের মুম্বাই থেকে দিল্লিগামী উড়োজাহাজের ফ্লাইটেই তাকে আটক করা হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যম অনলাইনে দিল্লির পরিস্থিতি সরাসরি সম্প্রচার করতে থাকে। শনিবার দ্য ফেডারেল দিল্লির পরিস্থিতি সরাসরি সম্প্রচার করে। এতে দেখা যায়, পুলিশ যাকে পাচ্ছে তাকেই আটক করছে। নারীদের নির্মমভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে। এক আন্দোলন কর্মী বলেন, পুরুষ পুলিশও মেয়েদের হেনস্তা করছে। কিশোরীদের সঙ্গে বাজে আচরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। ভিডিওতে দেখা যায়, পুরো দিল্লি অগ্নিগর্ভ; হাজার হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য দিল্লিকে দূর্গে পরিণত করেছে।

পুলিশি দমন-পীড়নেও দমে যাচ্ছেন না বিক্ষোভকারীরা : যন্তর মন্তর এলাকায় যাদের বাধা দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাদের মধ্যে কয়েকজন মধ্য দিল্লির বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে অপেক্ষা করছেন। আমরা তাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। এক বিক্ষোভকারী বিবিসিকে বলেন, ‘যারা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছেন, তাদের কেন আটক করা হচ্ছে? আমরা কেবল জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এখানে এসেছি। প্রতিবাদ করা একটি গণতান্ত্রিক অধিকার, কিন্তু আমার মনে হয় না সেই অধিকারটি এখন আর আমাদের আছে।’ আরেকজন জানান, বিক্ষোভকারীরা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘গত এক সপ্তাহ ধরে আমরা প্রতিদিন এখানে আসছি। আজ যদি তারা আমাদের আটকে দেয়, তবে আমরা আগামীকাল আবারও আসব।’ বিশ্লেষকরা মনে করেন, ব্যাপক ধড়পাকড়ের মাধ্যমে জেন-জিদের এ আন্দোলনকে থামাতে পারবে না মোদি সরকার। বরং এসব আটকের ঘটনা বিক্ষোভের পালে হাওয়া দিতে পারে; লোকজন আরও বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারেন। এতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের আন্দোলন রূপ নিতে পারে সরকারবিরোধী আন্দোলনে। উপমহাদেশে ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোতেও একই চিত্র দেখা গেছে।

ভারতের যুবসমাজকে আটকানো যাবে না- চিরাগ পাসওয়ান : দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে ডাকা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলন ও তাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের কঠোর কড়াকড়ির মধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ট্রেন বা যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ করে ভারতের যুবসমাজকে দমানো সম্ভব নয়। ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের শরিক দলের এ নেতা বলেন, কেউ চাইলেই দেশের যুবশক্তিকে আটকাতে পারে না এবং যাতায়াতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তাদের অগ্রযাত্রা রোধ করা সম্ভব নয়।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

নেতাদের আটকে কি আন্দোলন থামবে

নেতাদের আটকে কি আন্দোলন থামবে

রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের আঘাত

রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের আঘাত

ট্রাম্পের সঙ্গে পুতিনের চুক্তি রাশিয়ার ওপর জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা শিথিল

রাশিয়ার ওপর জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা শিথিল

যুক্তরাষ্ট্র কেন আইসিসিকে নিষেধাজ্ঞা দিল

যুক্তরাষ্ট্র কেন আইসিসিকে নিষেধাজ্ঞা দিল

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম