কাশ্মীরে খুতবা প্রস্তাবে ক্ষোভ
ধর্মীয় স্থান নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতশাসিত কাশ্মীরে ওয়াকফ বোর্ডের পক্ষ থেকে অঞ্চলটির সব মসজিদে জুমায় অভিন্ন খুতবা প্রবর্তনের একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ পদক্ষেপটি রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতাদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। তাদের অভিযোগ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মুসলিম ধর্মীয় স্থানগুলোর ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।
বৃহস্পতিবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, জম্মু ও কাশ্মীর ওয়াকফ বোর্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন দারাকশান আন্দ্রাবি, যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দুত্ববাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে যুক্ত একজন স্থানীয় নেত্রী। মোদি সরকার ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ববর্তী আধা-স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা কেড়ে নেয়। এর আগে পূর্ণাঙ্গ রাজ্য হিসাবে পরিচালিত এ অঞ্চলটিকে বিভক্ত করে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়।
ইসলামি আইন অনুযায়ী মুসলিম ধর্মীয় সম্পত্তি বা ওয়াকফ বিষয়াবলি তদারককারী বোর্ড গত সপ্তাহান্তে একটি বিতর্কিত পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়। ফলে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং অঞ্চলটির শীর্ষস্থানীয় মুসলিম নেতারা এ প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করেন। তারা বলেন, একে ‘কাশ্মীরি মুসলমানদের ধর্মীয় বিষয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন হস্তক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেন। রোববার ওয়াকফ বোর্ড কাশ্মীর অঞ্চলের প্রায় দেড় হাজার শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় নেতাকে তলব করে। তাদের মধ্যে কিছু নেতা সশরীরে উপস্থিত থাকলেও দূরবর্তী এলাকা থেকে অন্যরা ভার্চুয়ালি সভায় অংশ নেন।
কাশ্মীরের পার্বত্য রাজৌরি জেলার এক আলেম অনলাইনে ওই সভায় অংশ নেন। আল জাজিরাকে তিনি জানান, আন্দ্রাবি নির্দেশনা দিয়েছেন-এখন থেকে প্রতি শুক্রবার মসজিদের মিম্বরে আগে থেকে অনুমোদিত খুতবাই (ধর্মীয় ভাষণ) পাঠ করতে হবে।
