Logo
Logo
×

Advertisement

দশ দিগন্ত

নারীরা ছাড়ছেন ট্রাম্প প্রশাসন

অযোগ্য পুরুষের তুলনায় নারীকে ট্রাম্প দ্রুত বলির পাঁঠা বানান : ডেমোক্র্যাট সদস্য

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন থেকে একের পর এক পদ ছাড়ছেন নারীরা। কেউ পদত্যাগ করছেন; কাউকে আবার বরখাস্ত করা হচ্ছে। বিপরীতে বিতর্কে জড়ানো পুরুষ কর্মকর্তাদের অনেকেই পদে বহাল থাকছেন। অনেকে পাচ্ছেন নতুন দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসনে নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে ভিন্ননীতি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। খবর দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের।

ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়ার সর্বশেষ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন গ্রিসে মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বারলি গিলফয়েল। চলতি সপ্তাহে তার বিদায়ের ঘোষণা আসে হোয়াইট হাউজের নতুন প্রেস সেক্রেটারির প্রথম সংবাদ ব্রিফিংয়ে। সরাসরি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ওই ঘোষণার ধরনও ছিল বেশ চমকপ্রদ। তবে গিলফয়েলের বিদায় কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রশাসনের প্রভাবশালী পদ ছেড়ে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি। চলতি বছরের বসন্তে মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার মর্যাদাসম্পন্ন আট নারী কর্মকর্তার মধ্যে চারজন পদত্যাগ করেন অথবা বরখাস্ত হন। তারা হলেন-অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি, শ্রমমন্ত্রী লরি শাভেজ-ডেরেমার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম এবং জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড। তাদের প্রত্যেকের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন পুরুষ কমকর্তারা। এ বিষয়ে নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ বলেন, ‘ট্রাম্পের মনে হয় শুধু নারী মন্ত্রীদেরই বরখাস্ত করার সামর্থ্য আছে। অযোগ্য পুরুষের তুলনায় নারীকে তিনি অনেক দ্রুত বলির পাঁঠা বানান।’

কিম্বারলি গিলফয়েলের বিদায়ের পেছনে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল লিখেছে, মনোনয়ন নিশ্চিতের ভোটের আগে তিনি এক দাতাকে এক লাখ ডলার বিল পরিশোধ করতে বলেছিলেন। তবে গিলফয়েল এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, গিলফয়েল ‘ভালো কাজ করছিলেন। তবে যা পড়লাম, ভালো লাগেনি।’

তবে বিতর্কে জড়ানো পুরুষ কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ট্রাম্প একই ধরনের কঠোরতা দেখিয়েছেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠলেও ট্রাম্প বিষয়গুলোকে কার্যত এড়িয়েই গেছেন। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের অনাবাসিক ফেলো ক্যাথরিন ডান টেনপাস রিগ্যানের সময় থেকে মার্কিন প্রশাসনে বৈচিত্র্যের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিসভা থেকে প্রথম দফায় বিদায় নেওয়া সব কর্মকর্তাই নারী-এমন পরিস্থিতি আমি আগে কখনো দেখিনি।’২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ের পর ট্রাম্প যখন তার প্রশাসনে কয়েকজন নারী গুরত্বপূর্ণ পদে জায়গা পেয়েছিলেন।

সুসি ওয়াইলসকে হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ হিসাবে জায়গা করে নেন। ক্যারোলিন লেভিটও ছিলেন প্রশাসনের গুরত্বপূর্ণ নারী মুখ। তিনি হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। গত বছরের ওমেন্স ডে-তে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রিসভায় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে যে কোনো রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের চেয়ে বেশি নারী রয়েছেন-এ কথা বলতে পেরে আমি আনন্দিত।’ কিন্তু সেই পরিস্থিতি এখন আর নেই। মন্ত্রিসভার মর্যাদাসম্পন্ন পদে বর্তমানে মাত্র চারজন নারী রয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, বিদায় নেওয়া নারী কর্মকর্তাদের ট্রাম্পের প্রতি আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

নারীরা ছাড়ছেন ট্রাম্প প্রশাসন

নারীরা ছাড়ছেন ট্রাম্প প্রশাসন

দ্য ওয়্যারের প্রতিবেদন দিল্লির সড়কে গলছে মোদির প্রতিশ্রুতির রাজনীতি

দিল্লির সড়কে গলছে মোদির প্রতিশ্রুতির রাজনীতি

কাশ্মীরে খুতবা প্রস্তাবে ক্ষোভ

কাশ্মীরে খুতবা প্রস্তাবে ক্ষোভ

রাশিয়ার তেল শোধনাগারে আবার হামলা

রাশিয়ার তেল শোধনাগারে আবার হামলা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম