নেতানিয়াহুকে সমর্থন প্রসঙ্গে ট্রাম্প
রাজনীতিতে কাউকে বিশ্বাস করি না
গাজায় খাদ্য ও নিত্যপণ্যের সংকট বাড়ছে
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইসরাইলের আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচন নিয়ে সরাসরি সমর্থন জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইসরাইলিদের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে বড় দাবি করেছেন তিনি। ট্রাম্পের ভাষ্য, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে তিনি ৯৯ শতাংশ মানুষের সমর্থন পেতেন।
বৃহস্পতিবার নিউজম্যাক্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। আসন্ন নেসেট (ইসরাইলের পার্লামেন্ট) নির্বাচনে তাকে সম্পৃক্ত দেখতে চাওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা আমাকে চাইবে।’ তবে পরক্ষণেই তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি কাউকেই বিশ্বাস করি না। কাউকেই না। রাজনীতির জগতে আমি কাউকে বিশ্বাস করি না।’ জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহুকে সমর্থন করতে অস্বীকৃতি জানালেও ট্রাম্প বলেন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অত্যন্ত সফল হয়েছে। এছাড়াও নেতানিয়াহুর সঙ্গে নিজের সম্পর্কও ‘খুব ভালো’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। এর আগে গত মঙ্গলবার সাংবাদিকরা ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, আসন্ন নির্বাচনে তিনি কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে এখনো ভাবিইনি।’ এরপর তিনি যোগ করেন, ‘আমি হয়তো সমর্থন দিতে পারি। হয়তো কিছু করব।’ ফিলিস্তিনিদের ওপর কে কতভাবে নিপীড়ন চালাবে-ইসরাইলের নির্বাচনের প্রচারে নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোট ও বিরোধী জোটের মধ্যে সেই প্রতিযোগিতাই দেখা গেছে। কেউ গাজাকে আরও ধ্বংস করে দেবেন, কেউ ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করবেন-এসবই যেন প্রচারণার মূল বিষয়। এ কারণে বিশ্লেষকরা মনে করেন, সেখানে ক্ষমতার পালাবদল হলেও পরিস্থিতি খুব পরিবর্তন হবে না।
গাজায় বাণিজ্যিক পণ্য প্রবেশ বন্ধ : গাজা উপত্যকায় টানা দুদিন ধরে কোনো বাণিজ্যিক পণ্য প্রবেশ করেনি। এতে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ফলমূল ও শীতের পোশাকের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শীত মোকাবিলা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। খবর এপির। গাজায় বাণিজ্যিক পণ্য সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় খাদ্য ও অন্য জরুরি সামগ্রীর সংকট বাড়তে পারে। কারণ, বাইরের বিশ্ব থেকে গাজায় পণ্য প্রবেশের জন্য ইসরাইলের অনুমোদিত সীমান্তপথের ওপরই নির্ভর করতে হয় এই অবরুদ্ধ ভূখণ্ডের বাসিন্দাদের। গাজায় মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো সাধারণত আটা ও অন্য মৌলিক খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা ফলমূল ও মাংসের মতো দ্রুত পচনশীল খাদ্যপণ্য আমদানি করেন।
নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের মুখপাত্র শাইনা লো বলেন, ‘শুধু মানবিক সহায়তা খাত দিয়ে সব মানুষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়।
