মধ্যবর্তী নির্বাচনে ফের অস্থিরতার আশঙ্কা
ট্রাম্পের মন্তব্যে বাড়ছে উদ্বেগ
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নির্বাচনের ফল নিয়ে সন্দেহ তৈরি করা, ভোটব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং পরাজয়ের আগেই কারচুপির অভিযোগ তোলার একটি পরিচিত কৌশল অনুসরণ করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান পার্টির নেতা হিসাবে নিজের পঞ্চম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রাক্কালে আবারও তার আচরণে সেই পুরোনো কৌশলেরই পুনরাবৃত্তি দেখা গেছে। তিনি গত কয়েক মাসে ভোটব্যবস্থা ও নির্বাচন পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে সন্দেহ উসকে দিয়েছেন। একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে কারচুপি করতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। এরপর নিজের তৈরি অবিশ্বাসের পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়েও তুলেছেন প্রশ্ন। আর এতেই আবারও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে দেশটিতে। খবর সিএনএনের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এর মধ্যেই মঙ্গলবার টেক্সাসে নির্বাচনী সমাবেশে যাওয়ার আগে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে ট্রাম্প বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সৎভাবে সম্পন্ন হলে তিনি ফল মেনে নেবেন। তবে তার এই শর্তসাপেক্ষ বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ট্রাম্পের বক্তব্য কেন এত উদ্বেগজনক : ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায়ের ক্ষত এখনো তাজা। সেদিন ট্রাম্পের সমর্থকরা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনে হামলা চালিয়েছিলেন। তাদের কেউ কেউ পুলিশ কর্মকর্তাদেরও মারধর করেন। এ কারণে ট্রাম্পের সর্বশেষ নির্বাচনী বক্তব্য ও পদক্ষেপকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বিশ্লেষকরা। ২০২০ সালের নির্বাচনের কয়েক মাস আগে থেকেই ট্রাম্প একই ধরনের ভাষা ব্যবহার করে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনি প্রক্রিয়া নিয়ে অবিশ্বাস তৈরি করেছিলেন। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে জো বাইডেনের সঙ্গে প্রথম প্রেসিডেনশিয়াল বিতর্কে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমি আশা করি, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আমি পুরোপুরি মেনে নেব। কিন্তু যদি দেখি হাজার হাজার ব্যালট নিয়ে কারসাজি হচ্ছে, তাহলে আমি তা মেনে নিতে পারব না।’ যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক নির্বাচনি জালিয়াতির কোনো প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্পের বারবার নির্বাচনের ফল অস্বীকার করার প্রবণতা একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে।
