সব দৃষ্টি মিশিগানে
এল-সায়েদ কি জিতবেন
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের বহুল আলোচিত সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের জয়ের সম্ভাবনা বেড়েছে। এল-সায়েদকে নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিয়েছে নির্দলীয় নির্বাচনি বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কুক পলিটিক্যাল রিপোর্ট। সংস্থাটির সর্বশেষ মূল্যায়নে বলা হয়, মিশিগানের নির্বাচন এখন আর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর্যায়ে নেই; বরং ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকেছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এল-সায়েদের প্রাইমারি নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যালি স্টিভেন্সের নাটকীয় অবস্থান পরিবর্তনের পরও এই পূর্বাভাস এসেছে। খবর দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে স্টিভেন্স বিস্ময়করভাবে দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে সমর্থন জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এল-সায়েদের নির্বাচনি প্রচারণা নিয়ে অসন্তোষ এবং ইসরাইল বিরোধী বক্তব্যের জেরে দল বদল করেন স্টিভেন্স। তার এই সমর্থন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণার শেষ পর্যায়ে ডেমোক্র্যাটদের মূল ভোটারদের মধ্যে এল-সায়েদের প্রতি সমর্থন আরও সংহত হয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের মধ্যেও তার পক্ষে সমর্থন জোরালো হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে শুধু ডেমোক্র্যাট ভোটারদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করছেন না এল-সায়েদ। রিপাবলিকান ভোটারদের কাছেও পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন তিনি। সোমবার বিকালে নিজের নির্বাচনি প্রচারণার শেষ পর্যায়ের বার্তা হিসাবে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেন তিনি। নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে রিপাবলিকানদের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের ওয়েবসাইটে।
প্রচারণায় মার্কিন রাজনীতিতে পরিবর্তনের বার্তা : যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে এল-সায়েদের নির্বাচনি প্রচারণা। তার প্রচারণার কেন্দ্রে রয়েছে রাজনীতি থেকে অর্থের প্রভাব কমানো, সাধারণ মানুষের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা। তবে নীতিগত প্রতিশ্রুতির বাইরেও তার এই নির্বাচনি লড়াই ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার ইতিহাস গড়বেন তিনি। আর সেই ইতিহাস গড়ার পথেই বেশ বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে। তাকে ভিন্ন হিসাবে চিহ্নিত করে দূরে সরিয়ে রাখার প্রবণতাই যেন বিরোধীদের প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী-যিনি কংগ্রেসের সাবেক সদস্য-সবাই কোনো না কোনোভাবে ইঙ্গিত দিয়েছেন, এল-সায়েদের ধর্মীয় বিশ্বাস তাকে সিনেট সদস্য হওয়ার অযোগ্য করে তুলতে পারে।
