Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

বাইফোকাল লেন্স

প্রার্থীর বৈধতা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠবে কেন

Icon

একেএম শামসুদ্দিন

প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

প্রার্থীর বৈধতা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠবে কেন

Advertisement

নির্বাচনের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের দুর্বলতা বরাবরই। জাতীয় নির্বাচন কিংবা স্থানীয় নির্বাচন, ভোটযুদ্ধে উৎসবী মেজাজে মেতে ওঠে বাংলাদেশের মানুষ। দেশের অধিকাংশ ভোটারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা যাই থাকুক, ভোটের দিন নিজেদের ক্ষমতাবান ভাবতে ভালোবাসেন তারা। ভোটারদের এমন ভাবার কারণও আছে। নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে থাকেন। এ ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করে তারা যে আনন্দ উপভোগ করেন, তা সত্যিই উল্লেখযোগ্য। বিগত দিনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা এমন উৎসবই দেখেছি। বর্তমানে দেশজুড়ে যেন তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যে উৎসবমুখর হাওয়া বইছে, তা এক কথায় নজিরবিহীন। মাঝে, শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত তিনটি নির্বাচনেই স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিল না বলেই এবারের নির্বাচন ঘিরে এত উৎসাহ।

এবার ভোটারদের মধ্যে এমনও আছেন, যারা বয়স হওয়ার পর একবারের জন্যও ভোট দিতে পারেননি। বয়স হওয়ার পরও গত তিনটি নির্বাচনেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি; আমার এমন এক আত্মীয়ের সঙ্গে ভোট নিয়ে কথা হলো। তার বয়স এখন ৩৫ ছুঁইছুঁই। এবারের নির্বাচন নিয়ে তাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখেছি। উচ্ছ্বসিত হলেও দেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি চিন্তিত। নির্বাচনকে ঘিরে দেশে ও দেশের বাইরে থেকে নির্বাচন বানচালের যে হুমকি আসছে, তা নিয়েও তিনি শঙ্কিত। এছাড়াও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিতর্কিত প্রার্থীদের বৈধতা দেওয়া নিয়েও তার হতাশা রয়েছে। তারপরও প্রথমবার ভোট দেবে বলে উচ্ছ্বাস প্রকাশে ভাটা দেখিনি। তার উচ্ছ্বাস দেখে মনে হয়েছে, এমন আরও লাখো-কোটি উচ্ছ্বসিত ভোটারও নিশ্চয়ই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ভোট দেওয়ার জন্য। নির্বাচন নিয়ে জনগণের প্রত্যাশার পারদ এখন ঊর্ধ্বমুখী। সবার প্রত্যাশা, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আবার ফিরে আসবে। ভবিষ্যতেও যাতে এ ধারা বজায় থাকে। এ নির্বাচন যেন এমন কোনো গোষ্ঠীর ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যম না হয়, যারা হাসিনার মতোই আধিপত্যবাদীর দোসর সেজে এ দেশের ক্ষতি করে। এ নির্বাচনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সর্বস্তরের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং চাওয়াপাওয়ার স্বপ্ন। আগামী সংসদ নির্বাচন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে গণমানুষের চাওয়াকে কেন্দ্র করে যেন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়; যাতে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ছাড়াই সুন্দর পরিবেশে সবাই ভোট দিতে পারেন।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মানুষের উৎসাহ ও উদ্দীপনার যেন শেষ নেই; ৯০ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দিতে যাবেন বলে তাদের মত প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি এক জরিপে জানা যায়, ১ শতাংশের কিছু বেশি ভোটার ভোটকেন্দ্রে যাবেন না বলেছেন। বাংলাদেশিদের কাছে ভোটের দিনটি উৎসবের আকার ধারণ করে। গ্রামে-গঞ্জে ও শহরতলিতে সর্বত্রই মানুষ উৎসবমুখর হয়ে ওঠেন। অথচ হাসিনার ‘মঞ্চস্থ’ সব নির্বাচনেই আমরা এর বিপরীত চিত্র দেখেছি। প্রহসনের সেসব নির্বাচনে গড়ে ২৫ শতাংশেরও কমসংখ্যক ভোট কাস্ট হয়েছে। ভোটারশূন্য ভোটকেন্দ্রই বলে দিয়েছে; খোদ আওয়ামী লীগের ভোটাররাও ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছিলেন। এর বিপরীতে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৩৪ থেকে ৩৬ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রগুলোয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের সেই দৃশ্যপটই দেখা যাবে আশা করা যাচ্ছে। উল্লিখিত জরিপের ফলাফলও বলে দিচ্ছে, ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ না থাকলেও তাদের ভোটাররা এবার ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রে যাবেন।

এবার প্রথমবার ভোট দেবেন-এমন একজনের উচ্ছ্বাসের কথা আগেই উল্লেখ করেছি। তার এ উচ্ছ্বাস প্রকাশের পাশাপাশি তিনি যে হতাশা এবং আশঙ্কার কথা বলেছেন, সেটি শুধু তার একার নয়; আমার বিশ্বাস, দেশের অধিকাংশ মানুষ একই মনোভাব পোষণ করেন। বিভিন্ন দলের প্রার্থী মনোনয়ন এবং যাচাই-বাছাই শেষে অনেক ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন যে কিছুসংখ্যক প্রার্থীর বৈধতা দিয়েছে, তা নিয়ে মানুষের হতাশা আছে। দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে। এবারের নির্বাচনে ঋণখেলাপিরা অংশ নিতে পারবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার; তারপরও কিছু কিছু প্রার্থীকে যে উপায়ে বৈধতা দেওয়া হয়েছে, তা সত্যিই দুঃখজনক। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) আইন অনুযায়ী, ঋণখেলাপিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া অযোগ্য। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় প্রার্থীদের দাখিল করা তথ্যের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনের মিল যাচাই করে ঋণখেলাপি প্রমাণিত হলে মনোনয়নপত্র বাতিল করার বিধান আছে।

অতীতে অনেক ক্ষেত্রে ঋণের তথ্য গোপন করেই প্রার্থিতা বহাল রাখার অভিযোগ ছিল। এবার আগের সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল। আদালতের স্থগিতাদেশ থাকলেও যেন ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে বিষয়েও অবস্থান নিয়েছিল। সে অনুসারে কোনো ঋণখেলাপি যেন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে দিকনির্দেশনাও দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু দুঃখের বিষয়, নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে প্রথমে আপত্তি তুললেও পরবর্তীকালে কোনো কোনো ব্যাংক রহস্যজনকভাবে পিছিয়ে যায়। ফলে নির্বাচন কমিশনের করার কিছু থাকে না; ছাড় দিতে বাধ্য হয়। একজন নির্বাচন কমিশনার তো বলেই ফেললেন, আইন পারমিট করে বিধায় মনে কষ্ট নিয়েই ছাড় দিয়েছেন। এভাবে এবার ৪৫ জন ঋণখেলাপি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদিও বলেছিল, ব্যাংকগুলো কোনো ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করেছে কি না, সেটিও যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে, তাহলে যে ব্যাংক নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানির সময় অভিযোগ প্রত্যাহার করে ঋণখেলাপির প্রার্থিতা জায়েজ করেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কথিত সেই ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে কি না, সে প্রশ্নও এসে যায়! সরকারের পক্ষ থেকে ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা বলা হলেও এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কোনো পদক্ষেপ নিতেও দেখা গেল না। বর্তমান সরকারের মেয়াদে সংশোধিত আরপিওতে সংসদ নির্বাচিত হওয়ার পরও কোনো ব্যক্তির খেলাপির সত্যতা নিশ্চিত হলে তিনি পদ হারাতে পারেন বলা আছে। এখনই যে অবস্থা, ভবিষ্যতে সংশোধিত আরপিওর উল্লিখিত বিধানটি কতটুকু বাস্তবায়ন করা যাবে, সে সন্দেহ রয়েই গেল। প্রশ্ন হচ্ছে, উচ্চ আদালতে স্থগিতাদেশের সুযোগ থাকলে কি ঋণখেলাপিদের পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব? বাস্তবতা হলো, আইন পরিবর্তন ছাড়া এ অবস্থার উন্নতি কখনো সম্ভব নয়।

আগেই উল্লেখ করেছি, নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকের বৈধতা দেওয়া নিয়েও মানুষের হতাশা আছে। এক্ষেত্রেও আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে দ্বৈত নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও অনেকেরই প্রার্থিতা বহাল থেকেছে। এ বিষয়ে দেশের আইন কী বলে দেখা যাক। সংবিধানের ৬৬ ধারার অনুচ্ছেদ (৩)-এ বলা আছে, ‘কোনো ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার পরও কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে এবং পরবর্তী সময়ে ওই ব্যক্তি দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে, কিংবা অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে-এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন বলে গণ্য হবেন না।’ এ ধারার সুযোগ নিয়েই অনেকে প্রার্থিতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একাধিক দলের এমন দ্বৈত নাগরিকের প্রার্থী আছেন। জানা যায়, যারা এ সুযোগ গ্রহণ করেছেন, তাদের অনেকেই বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করেছেন ঠিকই, তবে নাগরিকত্ব বাতিল হয়েছে এমন কোনো প্রমাণ কেউ দাখিল করেছেন, এমন কথা শোনা যায়নি। প্রার্থীদের অনেকেই বলার চেষ্টা করেছেন, ‘বিদেশি নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করা মানেই তা বাতিল হয়ে গেছে বলে ধরে নিতে হবে। নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন নাকি কখনো অগ্রাহ্য হয় না। তাদের এ যুক্তি যে খুবই দুর্বল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ, একেক রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ রয়েছে। শুধু আবেদন করলেই নাগরিকত্ব ত্যাগ করা হয়ে যায়, বিষয়টি এমন নয়। দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপের কোনো না কোনো রাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন। এসব দেশে নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ ও জটিল। নাগরিকত্ব ত্যাগের জন্য একজন নাগরিককে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ‘ডিক্লারেশন অব রেনানসিয়েশন’ প্রদান করতে হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এ ঘোষণা নিবন্ধিত হওয়ার পরেই কেবল নাগরিকত্ব বাতিলের কার্যক্রম শেষ হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ সন্তুষ্ট না হলে এ প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘ হতে পারে। কাজেই আবেদন করা মানে নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে গেছে এ কথা গ্রহণযোগ্য নয়। এতৎসত্ত্বেও প্রায় দুই ডজনের কাছাকাছি প্রার্থী সুযোগ পাচ্ছেন এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার। কথিত আছে, চাপের মুখেই দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এক্ষেত্রে আইনের যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলেই এ অভিযোগ উঠেছে।

২০২৪-এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতনের পর বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করেছে। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সমন্বিত ও নিরপেক্ষ ভূমিকা অপরিহার্য। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা আশাবাদী মানুষকে হতাশ করেছে বৈকি। এ হতাশা দূর করে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট আয়োজনে রাষ্ট্রের সদিচ্ছার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হলে কেবল নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাই বাড়বে না, বরং নাগরিকের রাষ্ট্রের প্রতি আস্থাও সুদৃঢ় হবে।

একেএম শামসুদ্দিন : অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, কলাম লেখক

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

বিএনপির দুই নেতাসহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন বিএনপির দুই নেতাসহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

মির্জা ফয়সাল নাকি শামারুহ, কে হচ্ছেন ফখরুলের আসনের কাণ্ডারী?

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন মির্জা ফয়সাল নাকি শামারুহ, কে হচ্ছেন ফখরুলের আসনের কাণ্ডারী?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মির্জা আব্বাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মির্জা আব্বাস

আইপিইউ প্রতিনিধির কাছে আ.লীগের অভিযোগ, উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আইপিইউ প্রতিনিধির কাছে আ.লীগের অভিযোগ, উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

সংসদে প্রথম ওয়াকআউট কবে ও কেন হয়েছিল?

সংসদে প্রথম ওয়াকআউট কবে ও কেন হয়েছিল?

হান্নান মাসউদের এমপি পদ শূন্য চেয়ে হাইকোর্টে রিট

হান্নান মাসউদের এমপি পদ শূন্য চেয়ে হাইকোর্টে রিট

আরও পড়ুন

অন্যমত জ্বালানি সমস্যার সমাধান : বেসরকারি খাতকে সুযোগ দিতে হবে

জ্বালানি সমস্যার সমাধান : বেসরকারি খাতকে সুযোগ দিতে হবে

সাগর-রুনি হত্যা মামলা : তদন্ত প্রতিবেদন পেছানোর বিশ্বরেকর্ড

সাগর-রুনি হত্যা মামলা : তদন্ত প্রতিবেদন পেছানোর বিশ্বরেকর্ড

স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সরকারি চাকরি নিশ্চিত করা কেন জরুরি

স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সরকারি চাকরি নিশ্চিত করা কেন জরুরি

দৃষ্টিপাত সংকট মোকাবিলায় জাগতিক কৃচ্ছ্রসাধন জরুরি

সংকট মোকাবিলায় জাগতিক কৃচ্ছ্রসাধন জরুরি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম