Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

বাইফোকাল লেন্স

আরাকান আর্মি রাখাইনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে কি

Advertisement

Icon

একেএম শামসুদ্দিন

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

আরাকান আর্মি রাখাইনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে কি

Advertisement

গত ১০ এপ্রিল মিয়ানমারের সামরিক জান্তাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন হয়েছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাত করেছিল জেনারেল মিন অং হ্লাইং। এরপর এতদিন ক্ষমতায় থাকার পর গত জানুয়ারিতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়। এ নির্বাচনে সু চির দলসহ বেশির ভাগ বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি। সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আঁতাত আছে-এমন কয়েকটি দল এ বিতর্কিত নির্বাচনে অংশ নিয়ে মিন অং হ্লাইংকে সরকার গঠনের পথকে সহজ করে দেয়। তবে শপথগ্রহণের পরপরই নতুন করে ব্যাপক যুদ্ধের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর অন্যতম শক্তি আরাকান আর্মি ২০২৭ সালের মধ্যে গোটা রাখাইন রাজ্য দখলের ঘোষণা দিয়েছে। গত ১০ এপ্রিল আরাকান আর্মির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এ লক্ষ্য অর্জনের কথা জানিয়েছেন সংগঠনটির প্রধান মেজর জেনারেল তোয়াই ম্রা নাইং।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া ভাষণে জেনারেল তোয়াই ম্রা নাইং অন্যান্য মিত্রের সঙ্গে সমন্বয় করে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করার ঘোষণা দেন। রাখাইনের প্রায় ৮০ শতাংশ ভূমি এখন আরাকান আর্মির দখলে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে আরাকান আর্মি, জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান শুরু করে ওই রাজ্যের ১৭ শহরের মধ্যে ১৪টি শহর ও দক্ষিণ চীন প্রদেশের পালেতওয়া দখল করে নেয়। বর্তমানে রাখাইনের মাত্র তিনটি শহর, প্রাদেশিক রাজধানী সিত্তুয়ে, কিয়াকফিউ ও মানাউং সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।

জেনারেল মিন অং হ্লাইং গত ২০ এপ্রিল তার প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারবিরোধী সশস্ত্র জোট Ethnic Armed Organizations (EAO) এবং People's Defence Force (PDF)-কে আগামী ১০০ দিনের মধ্যে শান্তি আলোচনায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই প্রধান এ দুটি গোষ্ঠী জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অবশ্য ইএও জোটভুক্ত গোষ্ঠীগুলো স্বায়ত্তশাসনের জন্য দশকের পর দশক ধরে লড়াই করে আসছে, অপরদিকে সামরিক অভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্রপন্থি তরুণ ও সাধারণ নাগরিকদের নিয়ে গঠিত পিডিএফ, সরকারবিরোধী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের অধীনে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। উল্লেখ্য, ২০১৫-২০১৮ সালে মিয়ানমারের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেনারেল থেইন সেইন সরকারের সঙ্গে ইএও-এর ১৪টির মধ্যে ৯টি সশস্ত্র গোষ্ঠী একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল, যা ‘জাতীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি’ বলা হয়। অবশ্য এ জোটের ‘কাচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মি, ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মি, মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি, আরাকান আর্মি এবং তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এ যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করা থেকে বিরত থাকে। তবে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর স্বাক্ষরকারী বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে আবারও অস্ত্র ধরে। উল্লেখ্য, পিডিএফও যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

জেনারেল মিন অং হ্লাইং মন্ত্রিসভার বৈঠকে পিডিএফকে আইনের আওতায় ফিরে আসার আহ্বান জানান এবং ইএও-এর সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যারা ‘জাতীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে এবং যারা করেনি, উভয় পক্ষকেই ৩১ জুলাইয়ের আগে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান। তবে তার এ প্রস্তাবে কেউ সাড়া দেয়নি। অধিকাংশ বিদ্রোহীগোষ্ঠী এ প্রস্তাব তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, জান্তা ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আলোচনা দরজা বন্ধ করে দিয়েছে; সুতরাং, সামরিক সরকারের সঙ্গে আলোচনার কোনো প্রশ্নই আসে না। তারা বরং সামরিক প্রভাবমুক্ত ফেডারেল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। অপরদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মিন অং হ্লাইং-এর এ নতুন শান্তি প্রস্তাব মূলত মীমাংসার জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সরকারের ভাবমূর্তি উন্নত করার উদ্দেশ্যে। কয়েকদিন আগেই সরকার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উ উইন মিন্টকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়, যা আসিয়ান এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি একটি ইঙ্গিত হিসাবে দেখা হচ্ছে। তারা আরও উল্লেখ করেন, মিন অং হ্লাইং-এর আগেও এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ২০২২ সালে তিনি চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী অনেক জাতিগত সংগঠনের নেতাকেই সম্মানসূচক উপাধি দিয়ে শান্তির আহ্বান জানিয়েছিলেন; কিন্তু তার কয়েক মাসের মধ্যে ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়ান্স’ জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ১০২৭’ শুরু করলে মিন অং হ্লাইং বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়েন।

মিন অং হ্লাইং যুদ্ধবিরতির আহ্বান করলেও জান্তা বাহিনী, বিদ্রোহী দলগুলোর ওপর সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার কৌশল থেকে সরে দাঁড়াবে না। ‘অপারেশন ১০২৭’ মোকাবিলা করতে গিয়ে বিভিন্ন প্রদেশে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ শহর হাতছাড়া হলেও ২০২৪ সালের শেষের দিক থেকে জান্তা, চীনের সহায়তায় কিছু কিছু এলাকা পুনর্দখল করা শুরু করেছে। সর্বশেষ গত মার্চে মান্দালয় প্রদেশের উত্তরে, পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেসের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত প্রাচীন শহর টাগাউংয়ের নিয়ন্ত্রণ জান্তা বাহিনী নিয়ে নিয়েছে। ইরাবতী নদীর তীরে অবস্থিত টাগাউং মান্দালয়ের উত্তর প্রান্তে একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর। এটি সাগাইং অঞ্চল ও কাচিন রাজ্যে প্রবেশের প্রধান পথ এবং চীনের সহায়তায় নির্মিত একটি নিকেল কারখানার নিয়ন্ত্রণ এখান থেকেই করা হয়; যে কারণে এলাকাটি জান্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও শহরের প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ওই নিকেল কারখানাটি এখনো পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেসের নিয়ন্ত্রণেই রয়ে গেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সদস্য ‘তা’ আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেসের সহযোগিতায় মান্দালা শহরের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মোগোক ও মংমিত শহর দুটি জান্তা বাহিনীর কাছ থেকে দখল করে এতদিন নিজেদের নিয়ন্ত্রণেই রেখেছিল; কিন্তু চীনা সরকারের চাপের মুখে ‘তা আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি’ গত বছরের শেষ দিকে জান্তার সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় এবং মোগোক ও মংমিত শহর দুটি ফেরত দেয়। এর ফলে জান্তা বাহিনী উত্তর মান্দালয়ে পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেসের কাছ থেকে হারানো এলাকাগুলো একে একে পুনর্দখল করার সুযোগ পায়।

ওদিকে সামরিক জান্তা বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে থাকা রাখাইনের দক্ষিণে তাউংগুপ, রামরি এবং থান্দওয়ে শহরতলির উপকূলে নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েন বৃদ্ধি করেছে এবং এসব এলাকায় তারা ড্রোন নজরদারিও বাড়িয়েছে। একই সময়ে রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে আরাকান আর্মি নিয়ন্ত্রিত উপশহরগুলোতে তারা বোমাবর্ষণ চালাচ্ছে। আগে তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো উপকূল থেকে প্রায় ৩০-৫০ কিমি. দূরে নোঙর করা থাকলেও বর্তমানে অনেক কাছাকাছি চলে এসেছে। এক সময়ে মানাউংসহ এসব উপকূলবর্তী এলাকায় জান্তা বাহিনীর খুব কমসংখ্যক নৌযান দেখা যেত; কিন্তু এখন সেখানে প্রায় ১০-এর বেশি জাহাজ সক্রিয় রয়েছে। এসব নৌযান সমুদ্রগামী স্থানীয় মাছ ধরার নৌকা আটক করে তল্লাশিও করছে। অতিসম্প্রতি ওই এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জান্তার এসব যুদ্ধজাহাজ উপকূলবর্তীর খুব কাছে চলে এসে ভারী অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে গোলাবর্ষণ করে আবার দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে চলে যায়। অতিসম্প্রতি আরাকান আর্মির নৌযানগুলোর ওপর গোলাবর্ষণ করেছে বলেও জানা গেছে। এতদসত্ত্বেও আরাকান আর্মির সঙ্গে জান্তা বাহিনী বড় কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জান্তা বাহিনী রাখাইনের দখলকৃত শহরগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য এ মুহূর্তে বড় ধরনের পালটা কোনো আক্রমণ চালাতে পারবে এমন সম্ভাবনা কম। তাদের মতে, শহরগুলো পুনর্দখল করা সহজ হবে না। সর্বোচ্চ তারা বিমান হামলা এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের পথেই যেতে পারে।

আরাকান আর্মি পশ্চিম রাখাইনের মতো, আরাকান পর্বতমালার পূর্ব দিকেও তাদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করেছে; যার মধ্যে রয়েছে আয়েয়ারওয়াডি, বাগো এবং মাগওয়ে অঞ্চল। এসব এলাকা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় জান্তা এখন মূলত আরাকান আর্মির ওপর সামরিক চাপ প্রয়োগের জন্য নৌ অভিযানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে জান্তা বাহিনী কিয়াউকতাউ, পন্নাগিউন এবং ম্রাউক-উ শহরতলিগুলোতে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা বাড়িয়েছে বলে আরাকান আর্মি দাবি করেছে।

গত ১০ এপ্রিল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আরাকান আর্মিপ্রধান জেনারেল তোয়াই ম্রা নাইং ২০২৭ সালের মধ্যে রাখাইনের বাকি অংশ দখলের মাধ্যমে ‘চূড়ান্ত বিজয়’ অর্জনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের একটি স্লোগান পুনর্ব্যক্ত করেন; ‘লড়াই করতে করতে গড়ে তোলা, এবং গড়তে গড়তে লড়াই করা।’ অর্থাৎ তিনি মুক্ত এলাকায় প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি সামরিক নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর দ্বৈত কৌশলের ওপর জোর দেন। আরাকান আর্মির জন্য সুবিধাজনক অবস্থান হলো, তাদের ‘অপারেশন এলাকা’ চীনা সীমান্ত থেকে অনেক দূরে হওয়ায় চীনের প্রভাব সীমিত। চীন তাদের ওপর সামরিক চাপ বা অবরোধ আরোপ করতে পারে না, যেমনটি উত্তর শানে করেছে। বরং আরাকান আর্মি বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশ সীমান্ত এবং আংশিকভাবে ভারতের সঙ্গে সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে, যা তাদের কৌশলগত সুবিধা দেয়। ফলে চীন আরাকান আর্মির ক্ষেত্রে তুলনামূলক নরম ও কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছে।

রাখাইন রাজ্যের জনসংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ লাখ, যা আরাকান আর্মিকে শক্তিশালী সামাজিক ভিত্তি দেয়। অন্যদিকে ব্রাদাহুড অ্যালায়েন্সের অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রদেশগুলো তুলনামূলক ছোট জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের অঞ্চল স্থলবেষ্টিত এবং চীনের ওপর নির্ভরশীল, কিন্তু আরাকান আর্মি বঙ্গোপসাগর এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশাধিকার রাখে। এছাড়া তারা রাখাইনে ব্যাপক জনসমর্থন ভোগ করে, যা তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। ফলে বিগত বছরগুলোতে তারা একাধিক ফ্রন্টে তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি গ্রহণ করে তাদের বৈধতাকে আরও জোরদার করেছে; কিন্তু তারপরও সংশয় থেকে যায়, চীনের সঙ্গে বিশেষ কোনো সমঝোতা ছাড়া আরাকান আর্মি বাকি অংশ দখল করে রাখাইনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে কি?

একেএম শামসুদ্দিন : অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, কলাম লেখক

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

শতফুল ফুটতে দাও পরিচ্ছন্ন ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগ

পরিচ্ছন্ন ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগ

ইতিহাসের বয়ান বদলাবে কবে

ইতিহাসের বয়ান বদলাবে কবে

উচ্চশিক্ষায় সংখ্যা নয়, গুণগত মানই মুখ্য

উচ্চশিক্ষায় সংখ্যা নয়, গুণগত মানই মুখ্য

অন্যমত ফ্যাসিস্ট সরকারের ঋণের বোঝাই অর্থনীতিকে স্থবির করেছে

ফ্যাসিস্ট সরকারের ঋণের বোঝাই অর্থনীতিকে স্থবির করেছে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম