Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

হালফিল বয়ান

ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত : বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ

Advertisement

Icon

ড. মাহফুজ পারভেজ

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত : বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ

Advertisement

ভারত-মিয়ানমার পুরোনো প্রতিবেশী হলেও দুদেশের ‘অসমাপ্ত সীমান্ত’ আবার আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। সীমারেখাটি ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার এবং ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ। কিন্তু কীভাবে এ সীমান্ত চিহ্নিত হবে, সেই প্রশ্নটি এখন নতুন সংকটের কারণ; যার সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ।

২০২৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর ভারতের মণিপুরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে রাজ্যের ৩৯৮ কিলোমিটার সীমান্তের প্রায় ৫৫ কিলোমিটার বেড়া দেওয়া হয়েছে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে পুরো অংশে বেড়া দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সমান্তরালে ২৬ মে ২০২৬ তারিখের একটি সরকারি নথি সামনে এসেছে, যা ভূখণ্ড বিনিময়ের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। মণিপুরের চান্দেল জেলায় সীমানা স্তম্ভ ৬৫ ও ৬৮-এর মধ্যবর্তী অমীমাংসিত অংশে প্রায় ১.৪ বর্গমাইল (৩.৫ বর্গকিমি.) ভূখণ্ড মিয়ানমারের কাবাও উপত্যকার সঙ্গে বিনিময়ের প্রস্তাব রয়েছে। ৪ আগস্ট ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, ‘মিয়ানমার সীমান্তের কিছু এলাকা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি’ এবং ‘সেই খাতগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।’

বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের স্থিতিশীলতা সরাসরি বাংলাদেশের পূর্ব সীমান্ত, পার্বত্য চট্টগ্রাম, রোহিঙ্গা সংকট, মাদক পাচার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। এ সীমান্ত বোঝার জন্য ইতিহাস জানা জরুরি। ১৮২৬ সালের ইয়ানডাবু চুক্তি এবং পরবর্তী সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ সীমান্তের ভিত্তি তৈরি হয়। ১৮৩৪ সালে ব্রিটিশরা কাবাও উপত্যকা বার্মার রাজ্যের কাছে ফিরিয়ে দেয় এবং মেজর এফজে গ্রান্ট ও ক্যাপ্টেন রবার্ট বয়েলো পেমবার্টনকে মণিপুর-বার্মা সীমান্ত নির্ধারণের দায়িত্ব দেয়, যা পেমবার্টন লাইন নামে পরিচিত হয়।

সমস্যা হলো, এ সীমানা নির্ধারণ সবসময় স্থানীয় সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ছিল না। নাগা, কুকি ও মিজো সম্প্রদায়ের মানুষ আন্তর্জাতিক সীমান্তের দুই পাশে বসবাস করতে শুরু করে-যদিও তাদের পারিবারিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক অটুট ছিল। ১৯৬৭ সালের ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত চুক্তি আধুনিক সীমানা নির্ধারণ করে এবং একটি যৌথ সীমান্ত কমিশন গঠন করে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৪৭২ কিলোমিটার সীমানা স্তম্ভের মাধ্যমে চিহ্নিত হয়েছে, বাকি প্রায় ১৭১ কিলোমিটার অমীমাংসিত।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি আমূল বদলে যায়। এদিকে মিয়ানমারে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘাত তীব্র হওয়ায় শরণার্থীর ঢল বেড়েছে। পাশাপাশি নাজুক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে আন্তঃসীমান্ত অপরাধী নেটওয়ার্ক বিস্তার লাভ করেছে।

সীমান্ত চিহ্নিতকরণের বিতর্ক ভারতের ফ্রি মুভমেন্ট রেজিম (এফএমআর) বাতিলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ১৯৬৮ সাল থেকে চালু এবং ২০১৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত এ ব্যবস্থা সীমান্তের দুই পাশের সম্প্রদায়ের পারিবারিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিত। এর আওতায় সীমান্তের কাছাকাছি বসবাসকারী বাসিন্দারা ভিসা বা পাসপোর্ট ছাড়াই ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত একে অপরের ভূখণ্ডে যেতে পারতেন; কিন্তু ২০২২ সাল থেকে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে মণিপুর সীমান্তে চলাচল কঠোর করা হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এফএমআর বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে-অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর জনসংখ্যাগত কাঠামো রক্ষার কথা উল্লেখ করে। ডিসেম্বর ২০২৪-এ একটি কঠোর বিকল্প ব্যবস্থা চালু হয়-যেখানে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়, কিন্তু বায়োমেট্রিক স্ক্রিনিং ও সীমান্ত পাসের মাধ্যমে।

এ পরিবর্তন সীমান্ত চিহ্নিতকরণকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে-কারণ চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ সীমানার স্পষ্টতা ও নির্ভুলতার প্রয়োজন বাড়ায়। ভূখণ্ড বিনিময়ের যুক্তি ব্যবহারিক। কিন্তু এ ধরনের সমন্বয়ের বিস্তৃত আইনি ও প্রশাসনিক প্রভাব রয়েছে এবং স্থানীয় সম্প্রদায় ও তাদের প্রথাগত ভূমি ব্যবহারের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

ভারতের কাছে ইতোমধ্যে আলোচনার মাধ্যমে ভূখণ্ড সমন্বয়ের নজির রয়েছে-২০১৫ সালের ভারত-বাংলাদেশ ভূমি সীমান্ত চুক্তি (এলবিএ)। এতে দুই দেশ ছিটমহল বিনিময় করে এবং সীমান্ত সমস্যা নিষ্পত্তি করে। এর বাস্তবায়নের জন্য ভারতীয় সংবিধান (১০০তম সংশোধনী) আইন, ২০১৫ প্রয়োজন হয়েছিল-যা প্রমাণ করে, সার্বভৌম ভূখণ্ডের যে কোনো হস্তান্তর কেবল দ্বিপক্ষীয় প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের চেয়ে বেশি কিছু। বেরুবাড়ি রায়ে (১৯৬০) প্রতিষ্ঠিত নীতির ভিত্তিতে ভারতের ভূখণ্ড হস্তান্তরের যে কোনো প্রস্তাব অনুচ্ছেদ ৩৬৮-এর সাংবিধানিক সংশোধনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অগ্রসর হতে হবে-সাধারণ আইনি বা নির্বাহী পদক্ষেপের মাধ্যমে নয়।

অনুরূপ ভারত-মিয়ানমার ব্যবস্থার জন্য সম্ভাব্য ধাপগুলো অতিক্রম করতে হবে। যেমন-যৌথ জরিপ ও সুনির্দিষ্ট সীমান্ত চিহ্নিতকরণ, আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, সংশোধিত সীমানা, সীমানা স্তম্ভ এবং বাস্তবায়ন ব্যবস্থা নির্ধারণ, স্থল পর্যায়ে বাস্তবায়ন-সীমানা স্তম্ভ স্থাপন বা স্থানান্তর, মানচিত্র ও ভূমি রেকর্ড হালনাগাদকরণ, আক্রান্ত বাসিন্দাদের অবস্থা নির্ধারণ-বসবাস, ভূমি ও সম্পত্তির অধিকার, নথিপত্র এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসন করা।

তবে বাংলাদেশ যদিও সরাসরি ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত ইস্যুর পক্ষ নয়, তথাপি এ সীমান্তের স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থের সঙ্গে নিম্নলিখিত উপায়ে জড়িত-

১. ত্রিপক্ষীয় সীমান্ত ব্যবস্থাপনা : বাংলাদেশের পূর্ব সীমান্ত মিয়ানমারের সঙ্গে আর উত্তর-পূর্বে ভারতের সঙ্গে যুক্ত। ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে যে কোনো অস্থিতিশীলতা-সশস্ত্র সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি বা পাচার-বাংলাদেশের সীমান্তেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে মিজোরাম ও চিন রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তসংলগ্ন, যেখানে নাগা-কুকি-মিজো সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশি পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে; যা বাংলাদেশের কুকি-চিন সশস্ত্র গোষ্ঠী অন্যতম।

২. রোহিঙ্গা সংকটে প্রভাব : ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে চলাচল নিয়ন্ত্রণ কঠোর হলে, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থী মানুষের বাংলাদেশের দিকে সরে আসার হার ও প্রবণতা আরও বাড়বে। অন্যদিকে ভারত যদি মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে, তবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পথ আরও জটিল হয়ে পড়বে। বাংলাদেশের জন্য এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ-কারণ ভারতের অবস্থান রোহিঙ্গা প্রশ্নে আঞ্চলিক সমীকরণে প্রভাব ফেলে আর মিয়ানমার রোহিঙ্গা সমস্যার সৃষ্টিকারী।

৩. মাদক ও অস্ত্র পাচার : গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল থেকে মাদক ও অস্ত্র পাচারের একটি বড় পথ ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। যদি ভারত সীমান্ত কঠোর করে, তবে পাচারকারীরা বিকল্প পথ খুঁজবে-যা বাংলাদেশের সীমান্তে অপরাধের চাপ বাড়াতে পারে।

৪. আঞ্চলিক সংযোগ ও বাণিজ্য : ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে সড়ক সংযোগ (যেমন কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট) বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ এ সংযোগের অংশ হতে পারে-যা বাণিজ্য, ট্রানজিট ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করবে; কিন্তু সীমান্ত বন্ধ বা কঠোর হলে এ সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হবে।

৫. প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা : বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা দরকার-সীমান্ত অপরাধ, পাচার, জঙ্গিবাদ ও সাইবার নিরাপত্তা মোকাবিলায়। ভারত-মিয়ানমার সীমান্তচুক্তি ও সীমানা নির্ধারণ এ সহযোগিতার কাঠামো তৈরি করতে পারে।

ফলে বাংলাদেশের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো জরুরি ভিত্তিতে গ্রহণ করা প্রয়োজন : প্রথমত, ত্রিপক্ষীয় সংলাপ। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পাচার প্রতিরোধ এবং বাস্তুচ্যুতি মোকাবিলায় নিয়মিত ত্রিপক্ষীয় সংলাপ গড়ে তোলা। দ্বিতীয়ত, তথ্য বিনিময়। সীমান্ত অপরাধ, সশস্ত্র গোষ্ঠীর চলাচল, মাদক পাচার সম্পর্কে তথ্য বিনিময় প্রক্রিয়া জোরদার করা। তৃতীয়ত, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কাঠামো তৈরিকরণ। ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত নীতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি করা, যেখানে ভারত ও মিয়ানমার উভয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে। চতুর্থত, সীমান্ত সম্প্রদায়ের সুরক্ষা প্রদান। পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত এলাকার জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুরক্ষা ও সহায়তা ব্যবস্থা, যাতে ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত নীতির প্রভাব ও সশস্ত্র জঙ্গিবাদের অনুপ্রবেশ তাদের ওপর না পড়ে। পঞ্চমত, আঞ্চলিক সংযোগে অংশগ্রহণ। ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত সংযোগ প্রকল্পে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার কূটনৈতিক উদ্যোগ-যা অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করবে।

ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত চিহ্নিতকরণ কেবল একটি কার্টোগ্রাফিক বা দ্বিপক্ষীয় প্রশ্ন নয়। এটি দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সীমান্ত কেবল রেখা নয়-এটি সম্প্রদায়, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও নিরাপত্তার সংযোগস্থল। তাছাড়া, বাংলাদেশের জন্য এ প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলবে-রোহিঙ্গা সংকট, মাদক পাচার, অস্ত্র চোরাচালান, মানব পাচার, আঞ্চলিক সংযোগ এবং সীমান্ত নিরাপত্তার মাধ্যমে। তাই বাংলাদেশকে সক্রিয়ভাবে ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত সংকটের নানাবিধ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখে নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ এবং নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণের যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ, ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের ভবিষ্যৎ কেবল দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় সীমাবদ্ধ বিষয় নয়; বরং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতার কাঠামোর অংশ, বাংলাদেশ সেই কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার-এ সত্য যেন কোনো পক্ষই ভুলে না যায়।

ড. মাহফুজ পারভেজ : সিনিয়র প্রফেসর ও চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ বাংলাদেশ (সিসিআরবিডি)

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

উত্তরাধিকার ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা

উত্তরাধিকার ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা

হালফিল বয়ান ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত : বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ

ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত : বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি কি জরুরি ছিল

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি কি জরুরি ছিল

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম