Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

হালফিল বয়ান

রোহিঙ্গা সংকটের চেইন-রিঅ্যাকশন

Advertisement

Icon

ড. মাহফুজ পারভেজ

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

বিশ্বের শরণার্থী সংকটের ইতিহাস-ফিলিস্তিনি, আফগান, সিরিয়ান, বসনিয়ান বা রুয়ান্ডার উদাহরণ-দেখলে একটি কঠিন বাস্তবতা স্পষ্ট হয়, যার নাম সংকটের চেইন-রিঅ্যাকশন। যখন কোনো জনগোষ্ঠী দীর্ঘমেয়াদি শিবির-জীবনে আটকা পড়ে, যখন প্রত্যাবাসনের শর্ত পূরণ হয় না এবং যখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না, তখন সেই সংকট প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলতে থাকে এবং স্থানীয় সম্প্রদায়, নিরাপত্তা ও অর্থনীতির ওপর গভীর চাপ সৃষ্টি করে। বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কারণে সংকটের নানামুখী ব্যাপ্তি, বৃদ্ধি ও চেইন-রিঅ্যাকশনের আশঙ্কা অমূলক নয়।

নানা গবেষণা ও পর্যবেক্ষণের তথ্যানুযায়ী, যদি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব না হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে শিবির ব্যবস্থা চালু রাখতে বাধ্য হয়, তবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বৃহত্তর কক্সবাজারের স্থানীয় সম্প্রদায়ের ওপর চাপ আরও বাড়বে-জমির সংকট, কাঠ ও জ্বালানি সংকট, পরিবেশগত ক্ষয়, অপরাধ ও মাদক বৃদ্ধি, মানব পাচারের ঝুঁকি এবং স্থানীয়-শরণার্থী সম্পর্কের টানাপোড়েন তীব্র হতে পারে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে গেলে বিপুল রোহিঙ্গার জন্য নানামুখী খরচের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপরও চাপ পড়বে। তা ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

প্রসঙ্গত, উখিয়ার ১৭টি শিবিরে ৮১৬ জন রোহিঙ্গার ওপর পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, ৮৭ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা শর্ত পূরণ না হলে মিয়ানমারে ফিরতে চান না। এ সংখ্যাটি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়। এটি একটি সম্প্রদায়ের দীর্ঘ নয় বছরের নির্যাতন, অনিশ্চয়তা ও আশা-নিরাশার গল্প। রোহিঙ্গাদের পাঁচটি শর্ত সহজ নয়। এগুলো হলো-নাগরিকত্ব ও স্বীকৃতি। নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক তদারকি। জমি-ঘর ফিরিয়ে দেওয়া ও পুনর্বাসন। চলাচলের স্বাধীনতা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জীবিকাসহ মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা। বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের গবেষণা জরিপে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আস্থার প্রশ্ন। ৫৬ শতাংশ রোহিঙ্গা বাংলাদেশ সরকারকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাসযোগ্য হিসাবে উল্লেখ করেছে। এর পরের অবস্থানে জাতিসংঘ, প্রায় ২১ শতাংশ রোহিঙ্গা জাতিসংঘের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছে। মাত্র ৪ শতাংশ মিয়ানমার সরকারকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করে। প্রায় ১৬ শতাংশ জানিয়েছে, তারা কোনো প্রতিষ্ঠানকেই বিশ্বাস করে না। এ সংখ্যাগুলো কী বলছে?

প্রথমত, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ সরকারকে তুলনামূলক বেশি বিশ্বাস করে। এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। রোহিঙ্গারা যদি বাংলাদেশ সরকারের ওপর আস্থা না রাখত, তবে শিবির ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তা এতদিন টিকত না।

দ্বিতীয়ত, জাতিসংঘের ওপর আস্থা ২১ শতাংশ। এটি কম নয়, কিন্তু পর্যাপ্তও নয়। কারণ প্রত্যাবাসনের আন্তর্জাতিক তদারকির দায়িত্ব মূলত জাতিসংঘের। রোহিঙ্গারা যদি জাতিসংঘের ওপর পূর্ণ আস্থা না রাখে, তবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক গ্যারান্টির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

তৃতীয়ত, মাত্র ৪ শতাংশ মিয়ানমার সরকারকে বিশ্বাস করে। এটি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। কারণ প্রত্যাবাসন মানেই হলো মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া। যদি রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সরকারের ওপর আস্থা না রাখে, তবে প্রত্যাবাসন কীভাবে সম্ভব?

চতুর্থত, ১৬ শতাংশ কোনো প্রতিষ্ঠানকেই বিশ্বাস করে না। এটি নির্দেশ করে যে, একটি উল্লেখযোগ্য অংশের মধ্যে হতাশা ও অবিশ্বাসের গভীরতা কতটা।

তা ছাড়া, বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি প্রবণতা চোখে পড়ে। যেমন, মিয়ানমার বর্তমানে গৃহযুদ্ধে জর্জরিত। সামরিক জান্তা দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। রোহিঙ্গাদের আবাসস্থল সাবেক আরাকান ও বর্তমান রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির (এএ) প্রভাব বাড়ছে। কিন্তু আরাকান আর্মিও রোহিঙ্গাবিরোধী অবস্থান থেকে সরে আসেনি। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মি-উভয়পক্ষই রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গুরুতর নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত। সেখানে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, যথেচ্ছ আটক, জোরপূর্বক নিয়োগসহ নানা নিপীড়ন চলছে। এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন কীভাবে সম্ভব? মিয়ানমার সরকার যদি নাগরিকত্ব দিতে না চায়, নিরাপত্তা গ্যারান্টি না দেয় এবং জমি ফিরিয়ে না দেয়, তবে প্রত্যাবাসন শুধু কাগজে-কলমে বা মুখে মুখে থাকবে।

হতাশার বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মোটেও পর্যাপ্ত নয়। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা মৌখিক সমর্থন দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ সীমিত। রোহিঙ্গারা যদি জাতিসংঘের ওপর পূর্ণ আস্থা না রাখে, তবে আন্তর্জাতিক তদারকির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। আর মিয়ানমার সরকার যদি আন্তর্জাতিক চাপে না নড়ে, তবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আটকে থাকবে। ফলে সমাধানের দিকটি তিনটি সম্ভাবনার ওপর নির্ভর করছে এবং প্রতিটি সম্ভাবনার পেছনে নির্দিষ্ট যুক্তি ও তথ্য রয়েছে। প্রথম সম্ভাবনা হলো শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাবাসন-যদি মিয়ানমার সরকার নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, জমি ফেরত ও মৌলিক অধিকারের গ্যারান্টি দেয় এবং আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত হয়, তবে একটি অংশ রোহিঙ্গা ফিরে যেতে পারে; কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি কল্পনাতীত, কারণ মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধ, রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির প্রভাব এবং রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলমান নির্যাতনের কারণে নিরাপত্তা গ্যারান্টি দেওয়ার পরিস্থিতি নেই।

দ্বিতীয় সম্ভাবনা হলো দীর্ঘমেয়াদি শিবির জীবন-যদি প্রত্যাবাসন সম্ভব না হয়, তবে রোহিঙ্গারা শিবিরেই থাকবে; কিন্তু এটি টেকসই নয়, কারণ বাংলাদেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও পরিবেশের ওপর চাপ বাড়বে-কক্সবাজারের স্থানীয় সম্প্রদায়ের জমি, কাঠ, জ্বালানি ও জীবিকার ওপর চাপ বাড়বে, অপরাধ ও মাদক বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হবে এবং স্থানীয়-শরণার্থী সম্পর্কের টানাপোড়েন তীব্র হবে; এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে গেলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপরও চাপ পড়বে, কারণ দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

তৃতীয় সম্ভাবনা হলো তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন-কিছু রোহিঙ্গা তৃতীয় দেশে পুনর্বাসনের সুযোগ পেতে পারে, কিন্তু এটি সীমিত; বিশ্বজুড়ে শরণার্থী নীতি কঠোর হচ্ছে, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা বা অন্যান্য দেশ বড় আকারে রোহিঙ্গা গ্রহণ করবে না, কারণ তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বড় আকারে শরণার্থী গ্রহণে অনিচ্ছুক। অতএব, কালক্ষেপণ না করে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা অতীব জরুরি। প্রথমেই আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধি-মিয়ানমার সরকারের ওপর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, আন্তর্জাতিক আদালত ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও জমি ফেরতের গ্যারান্টি নিশ্চিত করতে হবে, কারণ একমাত্র আন্তর্জাতিক চাপই মিয়ানমারকে বাধ্য করতে পারে ন্যায়ভিত্তিক সমাধানের দিকে এগোতে।

দ্বিতীয়ত, আস্থার ব্যবধান কমানো-রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ সরকারকে বিশ্বাস করলেও জাতিসংঘ ও মিয়ানমার সরকারের ওপর আস্থা কম; এ ব্যবধান কমাতে স্বচ্ছতা, নিয়মিত যোগাযোগ ও অংশীদারত্বমূলক পদ্ধতি দরকার, যাতে রোহিঙ্গারা নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী বোধ করেন।

তৃতীয়ত, স্থানীয় সম্প্রদায়ের সুরক্ষা-কক্সবাজারের স্থানীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও জীবিকা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গা সংকটের চাপ স্থানীয়দের ওপর অসামঞ্জস্যভাবে না পড়ে এবং উত্তেজনা বা বিভেদের সৃষ্টি না হয়; এর জন্য স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প, ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা ও সামাজিক সংহতি কর্মসূচি প্রয়োজন।

আরেকটি জরুরি প্রশ্ন হলো, প্রত্যাবাসন না হলে কী হবে? এ প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার, কারণ সরকারি নীতি ও কৌশলে ইতিবাচক ও নেতিবাচক-উভয় পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা অত্যাবশ্যক। রোহিঙ্গা সমস্যার মতো বিপুল জনসংখ্যার চাপ দীর্ঘমেয়াদে যেসব আর্থ, সামাজিক, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত সংকট তৈরি করতে পারে, সে সম্পর্কেও সতর্ক থাকা দরকার-জমির সংকট, পরিবেশগত ক্ষয়, অপরাধ বৃদ্ধি, মানব পাচার, স্থানীয় সম্প্রদায়ের অসন্তোষ এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার অনিশ্চয়তা-এসব বিষয়ে পূর্বানুমান ও প্রস্তুতি থাকা জরুরি।

রোহিঙ্গারা ফিরতে চায়, কিন্তু ফিরতে পারছে না। মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সীমিত ভূমিকা এবং বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতা-এসব মিলে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার-রোহিঙ্গারা যদি নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, জমি ও মৌলিক অধিকার না পায়, তবে প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়; আর প্রত্যাবাসন না হলে এ সংকটের শেষ নেই, বরং নতুন সংকটের সূচনা হওয়ার আশঙ্কা সুস্পষ্ট-যেখানে বাংলাদেশ শুধু মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যও বড় ঝুঁকির মুখে পড়বে, যা সামাল দিতে তখন বাংলাদেশকে নানা ক্ষেত্রে ও সেক্টরে মনোযোগী হতে হবে। বাংলাদেশ কি এজন্য প্রস্তুত? বাংলাদেশের কী কী নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা আছে? এসব প্রশ্ন চেপে রেখে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎকে শুধু ‘অনিশ্চিত’ বলতেই কাজের কাজ কিছুই হবে না। সমস্যার গভীরতা ও ব্যাপকতা নিয়ে দূরদৃষ্টির পরিচয়ও দিতে হবে। তা না হলে পুঞ্জীভূত ও দীর্ঘস্থায়ী সংকট থেকে বিপদের ধারাবাহিক অভিমুখ অক্টোপাসের মতো গ্রাস করতে পারে।

রোহিঙ্গা সমস্যার কারণে জমির সংকট থেকে পরিবেশগত ক্ষয়, অপরাধ ও মাদক বৃদ্ধি থেকে মানব পাচার, স্থানীয় সম্প্রদায়ের অসন্তোষ থেকে সামাজিক বিভেদ, আর্থিক চাপ থেকে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা-প্রতিটি শাখা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে একটি বৃহত্তর সংকটের জাল তৈরি করতে পারে, যেখান থেকে বেরিয়ে আসা তখন আরও কঠিন হয়ে পড়বে। তাই বাংলাদেশকে এখনই দূরদৃষ্টি নিয়ে নিজস্ব পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ না নিলে রোহিঙ্গা সংকটের চেইন-রিঅ্যাকশন থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব হবে না।

অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ : চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

হালফিল বয়ান রোহিঙ্গা সংকটের চেইন-রিঅ্যাকশন

রোহিঙ্গা সংকটের চেইন-রিঅ্যাকশন

অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের সন্ধানে বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের সন্ধানে বাংলাদেশ

নারীর বিদেশযাত্রা ও ইমিগ্রেশনের দায়িত্বশীলতা

নারীর বিদেশযাত্রা ও ইমিগ্রেশনের দায়িত্বশীলতা

পুঁজির বৃত্তে বন্দি বাজার : করণীয় কী

পুঁজির বৃত্তে বন্দি বাজার : করণীয় কী

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম