Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

পুঁজির বৃত্তে বন্দি বাজার : করণীয় কী

Advertisement

Icon

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

পুঁজির বৃত্তে বন্দি বাজার : করণীয় কী

Advertisement

মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ভোক্তাকে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী বলে মনে করা হয়। বাজারে একটি পণ্যের মূল্য নির্ধারিত হয় উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে দরকষাকষির মাধ্যমে। ভোক্তার আচরণ ও আর্থিক সামর্থ্য পণ্যমূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভোক্তার চাহিদার তুলনায় বাজারে যদি পণ্যের উপস্থিতি বেশি থাকে, তাহলে পণ্যটি তুলনামূলক সস্তায় বিক্রি হয়। এতে ভোক্তার উদ্বৃত্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়। এর বিপরীত অবস্থা ঘটলে অর্থাৎ বাজারে ভোক্তার উপস্থিতি ও চাহিদার তুলনায় পণ্যের জোগান কম থাকলে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।

ফলে কনজুমার্স ডেফিসিট অবস্থার সৃষ্টি হয়। বাজারব্যবস্থা সঠিকভাবে চললে ভোক্তার শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ বেশি থাকে। আর যদি বাজারব্যবস্থা সঠিকভাবে পরিচালিত না হয়, তাহলে ভোক্তা কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে। বাজারে পণ্যের উপস্থিতি কেমন, তার ওপর ভোক্তার আচরণ অনেকটাই নির্ভর করে। বাজারে অধিক পরিমাণ পণ্যের উপস্থিতি ঘটলে ভোক্তা তার ইচ্ছামতো যাচাই-বাছাই করে পণ্য কিনতে পারে।

এ অবস্থায় ভোক্তা অনেক সময় তার চাহিদার তুলনায় বেশি পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে উৎসাহিত হয়। আবার বাজারে পণ্যের উপস্থিতি যদি ভোক্তার চাহিদার তুলনায় কম থাকে, তাহলে মূল্য বৃদ্ধি পায়। সেই অবস্থায় ভোক্তা তার চাহিদার চেয়ে কম পণ্য কিনে প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করতে পারে। বাজারে পণ্য উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে দরকষাকষির মাধ্যমে পণ্যমূল্য নির্ধারিত হবে, এটাই অর্থনীতির সাধারণ নিয়ম। কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ও বিশৃঙ্খল বাজারব্যবস্থায় অর্থনীতির এ সূত্র অনেক সময়ই অকার্যকর হয়ে যায়।

মুক্তবাজার অর্থনীতির মূল সূত্রই হলো, বাজারে কোনো পণ্যের মূল্য নির্ধারিত হবে উৎপাদক ও ভোক্তার মাঝে দরকষাকষির মাধ্যমে। কিন্তু বাংলাদেশের অসংগঠিত বাজারে পণ্যমূল্য নির্ধারণে উৎপাদক ও ভোক্তার ভূমিকা থাকে গৌণ। আমাদের মতো বাজারব্যবস্থায় পণ্যমূল্য নির্ধারিত হয় মূলত মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারা, যারা ভোগ ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তবে তারা বিপুল বিত্ত-বৈভবের মালিক। আর বিত্তের বলে বলীয়ান হয়ে তারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

কোন পণ্য কী দামে বিক্রি হবে, তা নির্ধারণ করে মূলত মধ্যস্বত্বভোগীরাই। ফলে বাজারে বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয়। উৎপাদক ও ভোক্তা কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে। এ অবস্থাকে অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞানের মৌলিক ও সংকটময় বাস্তবতা বলা যেতে পারে। উৎপাদকরা অধিকাংশ সময়ই স্বল্পবিত্তের হয়ে থাকে। তারা চাইলেও তাদের উৎপাদিত পণ্য ধরে রেখে সুসময়ের জন্য অপেক্ষা করতে পারে না। কারণ তাদের পরিবারের ব্যয়ভার উৎপাদিত পণ্য বিক্রিজনিত কারণে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারাই মেটাতে হয়।

আর ভোক্তারাও সুসংগঠিত নয়। উৎপাদক ও ভোক্তার এ দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে মধ্যস্বত্বভোগীরা বাজারে নিরঙ্কুশ অধিপত্য সৃষ্টি করে এবং বজায় রাখে। বাজার ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি চলে যায় সমাজের বিত্তবান শ্রেণির হাতে। তারা তাদের ইচ্ছামতো বাজার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তারা চাইলেই একটি পণ্যের মূল্য কোনো কারণ ছাড়াই বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার চাইলেই পণ্যমূল্য কমিয়ে দিতে পারে। উৎপাদক ও ভোক্তার এ দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে মুষ্টিমেয় বিত্তবান শ্রেণির বাজার দখল করা এবং মুনাফা লুটে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘সরবরাহ শৃঙ্খলের পুঁজিবাদী দখলদারত্ব’ বা ‘অর্থনৈতিক পরজীবিতা’ (capitalist control of supply chain) বলা যেতে পারে। কার্ল মার্কস এ অবস্থাকে নিজের উৎপাদনেরর ওপর শ্রমিক/উৎপাদকের নিয়ন্ত্রণ হারানো হিসাবে বর্ণনা করেছে। কৃষক রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করে ফসল ফলালেও তার হাতে মূলধন না থাকায় উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারায়।

উৎপাদকদের হাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থ না থাকায় তারা উৎপাদিত পণ্য বেশি দাম পাওয়ার আশায় ধরে রাখতে পারে না। উৎপাদনের পর তাৎক্ষণিকভাবে তা বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়। তারা বাজার পর্যন্ত গিয়ে সরাসরি ভোক্তার মুখোমুখি হতে পারে না। পুঁজি ও লজিস্টিক সাপোর্ট না থাকায় তারা পণ্যের উপযুক্ত মূল্য পায় না। কথায় বলে, ‘টাকা ছাড়া টাকা আসে না’। একশ্রেণির বিত্তবান অর্থের বলে বলীয়ান হয়ে উৎপাদকের কাছ থেকে তাদের উৎপাদিত পণ্য নামমাত্র মূল্যে কিনে নেয়।

একে ‘পুঁজির শক্তির কাছে শ্রমের পরাধীনতা’ বলা হয়। এ অবস্থায় উৎপাদক ও ভোক্তাকে দ্বিমুখী শোষণের শিকার হতে হয়। বাজার ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে উৎপাদক ও ভোক্তা বিচ্ছিন্ন থাকে। স্বল্পসংখ্যক পুঁজিপতি এ অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করে তাদের বিত্ত-বৈভব বাড়ানোর অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়। এ অবস্থায় উৎপাদক ও ভোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর লাভবান হয় মধ্যস্বত্বভোগীরা, যাদের উৎপাদন কার্যক্রমের সঙ্গে ন্যূনতম কোনো সংস্পর্শ থাকে না। তৃণমূল পর্যায়ের একজন কৃষক বা ক্ষুদ্র উৎপাদক জানে না তার বিক্রি করা ১০ টাকা মূল্যের এক কেজি বেগুন রাজধানীতে আসার পর ৪০ বা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আবার ভোক্তারাও জানে না সে যে পণ্যটি ৪০ টাকা দিয়ে কিনল, তৃণমূল উৎপাদকের কাছ থেকে মধ্যস্বত্বভোগীরা তা ১০ টাকায় কিনে এনেছে।

অবশ্য এটা জানলেও তাদের করার কিছু থাকে না। কারণ, তারা চাইলেই তৃণমূল পর্যায়ে গিয়ে সরাসরি উৎপাদকের কাছ থেকে পণ্যটি কিনতে পারবে না। আবার তৃণমূল পর্যায়ের উৎপাদক যদি কোনোভাবে জানতে পারে, তার বিক্রি করা ১০ টাকার পণ্যটি রাজধানীতে নিয়ে ৪০ টাকার বিক্রি করা হয়েছে, তাহলে তারও কিছু করার থাকে না। কারণ, সে স্বয়ং রাজধানীতে এসে সরাসরি ভোক্তার হাতে পণ্যটি তুলে দিতে পারবে না। বাজারজাতকরণের এ সীমাবদ্ধতা তৃণমূল পর্যায়ের উদ্যোক্তা ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর।

আবার যারা মধ্যস্বত্বভোগী, তারাও যে খুব ভালো অবস্থায় আছে তা নয়। পণ্য পরিবহণকালে ঘাটে ঘাটে তাদের চাঁদা দিতে হয়। ১০ টাকা মূল্যে কেনা একটি পণ্য পরিবহণকালে যদি ৪ টাকা চাঁদা দিতে হয়, তাহলে পণ্যমূল্য নির্ধারণের সময় সে চাঁদা বাবদ প্রদত্ত ৪ টাকা যোগ করেই তা নির্ধারণ করবে। এর অর্থ হচ্ছে, পরিবহণকালে যে চাঁদা দেওয়া হয়, তার দায়ভার চূড়ান্ত পর্যায়ে ভোক্তার ওপরই চাপানো হয়। মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে দেশের বাজার ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে চলছে না।

বাজার পরিচালিত হচ্ছে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, কোনো সরকারই সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব স্বীকার করে না। যারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তারা প্রায় সবাই রাজনৈতিক সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে থাকে। তাই সরকার সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব স্বীকার করে না। সিন্ডিকেট যারা পরিচালনা করে, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তারা দলীয় আনুগত্য পরিবর্তন করে থাকে। তাই কোনো সরকারই এদের বিরুদ্ধে কার্যকর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। কিন্তু উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিঃশব্দ ঘুণপোকার মতো একটি জনপ্রিয় সরকারকে অজনপ্রিয় করে দেয়।

বাজারে তৎপর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে দমন করতে না পারলে কোনোভাবেই মূল্যস্ফীতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমিয়ে আনা যাবে না। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে বেশকিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। তৃণমূল পর্যায়ের উৎপাদকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য যাতে কিছুদিন সংরক্ষণ করে রাখতে পারে, তার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি উপজেলায় এক বা একাধিক বৃহৎ আকারের সংরক্ষণাগার তৈরি করা যেতে পারে। পরবর্তীকালে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংরক্ষণাগার তৈরি করতে হবে। এটা করা হলে উৎপাদকরা তাদের পচনশীল পণ্য সেখানে সংরক্ষণ করতে পারবে। সাধারণত দেখা যায়, মৌসুমে কোনো কোনো পণ্যের বাজারমূল্য অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। সেসময় উৎপাদকরা বাধ্য হয়ে তাদের পণ্য নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দেয়। মধ্যস্বত্বভোগীরা এ সুযোগ গ্রহণ করে থাকে। তারা নামমাত্র মূল্যে পণ্য কিনে নিয়ে সংরক্ষণ করে এবং পরবর্তীকালে উচ্চমূল্যে তা ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করে।

প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে সমবায় সমিতি গঠন করে এর মাধ্যমে পণ্য বিক্রি ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সমবায়ের ভিত্তিতে প্রত্যেক ইউনিয়নে এক বা একাধিক স্থানকে বাজার হিসাবে গড়ে তোলা যেতে পারে। উৎপাদকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রতিদিন বিকালে এ বাজারে নিয়ে আসবে। সেখানে একটি নির্দিষ্ট মূল্যে পণ্য বিক্রি করবে। সেই পণ্য পরে সরকারি উদ্যোগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে গিয়ে সরাসরি ভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

রাজধানীর বাজারে একটি পণ্য কী দামে বিক্রি হচ্ছে, তার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে তৃণমূল পর্যায়ের উৎপাদকদের মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জানিয়ে দিতে হবে। তাহলে তারা বুঝতে পারবে তাদের উৎপাদিত পণ্য একজন ভোক্তা কত দামে কিনছে। আর তৃণমূল পর্যায়ের উৎপাদকদের কাছ থেকে একটি পণ্য কী দামে কেনা হলো, তাও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জানিয়ে দিতে হবে। তাহলে ভোক্তাও জানতে পারবে সে যে পণ্যটি কিনেছে, তার জন্য উৎপাদক কত মূল্য পেয়েছে। যারা ইউনিয়ন পর্যায়ে সমবায় সমিতির নেতৃত্বে থাকবে, তারা সরকারিভাবে পণ্য পরিবহণকালে সহযোগিতা করবে।

পণ্য পরিবহণকালে যাতে কেউ চাঁদাবাজি করতে না পারে, সেজন্য স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পুরো সরবরাহ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছতার ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ভোক্তা অধিদপ্তরকে আরও সক্রিয় করতে হবে। পচনশীল মৌসুমি পণ্য রাজধানীতে আনার পর তা সংরক্ষণের উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারকে দলীয় সমর্থনপুষ্ট সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, সিন্ডিকেট কখনোই সরকারের বন্ধু হতে পারে না। তারা কখনোই দেশ ও জাতির বন্ধু নয়। তাদের নিয়ন্ত্রণ করাই সরকারের কাজ, আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া নয়। জনগণ যদি উচ্চ মূল্যস্ফীতির কশাঘাতে জর্জরিত হয়ে পড়ে, তাহলে জনপ্রিয় সরকারেরও অজনপ্রিয় হতে সময় লাগে না। তাই সরকারের জনপ্রিয়তা ধরে রাখার স্বার্থেই বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। কারণ সিন্ডিকেট বজায় রেখে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ : অর্থনীতিবিদ, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা

অনুলিখন : এম এ খালেক

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

কৃষকের জামা ছিঁড়ে বেঁধে রাখল পুলিশ

ইস্কাটনে শুক্রবারের বাজার উচ্ছেদ কৃষকের জামা ছিঁড়ে বেঁধে রাখল পুলিশ

মাদক নির্মূলে সামাজিক পরিবর্তনও জরুরি: ববি হাজ্জাজ

মাদক নির্মূলে সামাজিক পরিবর্তনও জরুরি: ববি হাজ্জাজ

ঢাকার ৩২ রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে চলবে বাস, ৭ কার্যদিবসের মধ্যে শুরু

ঢাকার ৩২ রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে চলবে বাস, ৭ কার্যদিবসের মধ্যে শুরু

বাংলা একাডেমিতে মোবাইল ফটোগ্রাফি কর্মশালা

বাংলা একাডেমিতে মোবাইল ফটোগ্রাফি কর্মশালা

রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি, সড়কে তীব্র যানজট

রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি, সড়কে তীব্র যানজট

তুরাগ থানা পুলিশের অভিযানে স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২

তুরাগ থানা পুলিশের অভিযানে স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২

আরও পড়ুন

পুঁজির বৃত্তে বন্দি বাজার : করণীয় কী

পুঁজির বৃত্তে বন্দি বাজার : করণীয় কী

নিউইয়র্কের চিঠি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন ট্রাম্প!

মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন ট্রাম্প!

কিরিলের ল্যাপটপ চুরি বনাম আমাদের ভাবমূর্তি

কিরিলের ল্যাপটপ চুরি বনাম আমাদের ভাবমূর্তি

বাংলাদেশে কেন বিদেশি পর্যটক আসে না

বাংলাদেশে কেন বিদেশি পর্যটক আসে না

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম