নিউইয়র্কের চিঠি
অবৈধ কৃষি-শ্রমিকদের গণবহিষ্কারে বিপদে ট্রাম্প
Advertisement
আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ডোনাল্ড ট্রাম্প
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শিল্পবিপ্লব-পূর্ব যুক্তরাষ্ট্র ছিল মূলত কৃষিনির্ভর। খামার মালিকদের কৃষি-শ্রমিকের চাহিদা পূরণে দাস ব্যবসায়ীরা ১৭শ’ শতকের শুরু থেকে পরবর্তী দু’শ বছর পর্যন্ত আফ্রিকান দেশগুলো থেকে দাস আমদানি করেছে। উনিশ শতকের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রে দাস ব্যবসা নিষিদ্ধ করা হলেও কৃষি-শ্রমিকের চাহিদা যেহেতু শেষ হয়ে যায়নি, তাই গোপনে দাস আমদানি অব্যাহত ছিল এবং মেক্সিকো ও সেন্ট্রাল আমেরিকান দরিদ্র দেশগুলো থেকেও প্রচুর কৃষি-শ্রমিক অবাধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে কৃষি মৌসুম শেষে দেশে ফিরে যেত। অনেকে রয়েও যেত।
শিল্প বিপ্লবোত্তর সময়ে কারখানা শ্রমিকদেরও চাহিদা ছিল। হাইটেক যুগে শ্রমঘন শিল্পের অবসান ঘটলেও ক্ষুদ্র শিল্প ও বিপণন শিল্প আবার শ্রমঘন হয়ে উঠেছে; তা সত্ত্বেও কৃষি-শ্রমিকের চাহিদা আগের মতোই রয়েছে। এখনো যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ লাখ বর্গমাইল এলাকায়, অর্থাৎ বাংলাদেশের মোট আয়তনের ২৫ গুণ বেশি জমিতে খাদ্যশস্য, সবজি ও ফলের চাষ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি ব্যাপকভাবে যন্ত্রনির্ভর হলেও ফসল তোলার জন্য প্রচুর শ্রমিকের প্রয়োজন পড়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব লেবারের ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে কৃষি-শ্রমিকের সংখ্যা ২৬ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ১০ লাখই অবৈধ অভিবাসী, যা মোট কৃষি-শ্রমিকের প্রায় ৪৫ শতাংশ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসীদের ঢালাও গ্রেফতার ও গণবহিষ্কার করতে গিয়ে বিপদের মুখে পড়েছেন। খামার মালিক এবং কৃষিবিষয়ক সংগঠনগুলো ট্রাম্পের কৃষি-শ্রমিকদের গণবহিষ্কার পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কারণ এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ফসল উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে। তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি ব্যাপকভাবে অভিবাসী শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল এবং কেবল আমেরিকান ও বৈধ অভিবাসীদের দ্বারা তাদের স্থলাভিষিক্ত করা অসম্ভব ব্যাপার। কৃষি-শিল্প গ্রুপগুলোও ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটিকে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে কৃষি-শ্রমিকদের বিপুল অংশ অবৈধ অভিবাসী হলেও কৃষি অর্থনীতিকে সচল রাখার স্বার্থে তাদের গণবহিষ্কারের আওতামুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্তে অনড়। কর্মস্থলে হানা দিয়ে অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার অভিযান তুলনামূলকভাবে সহজ। কারণ তারা শহর ও লোকালয়ের বাইরে উন্মুক্ত জায়গায় কাজ করে এবং পালিযে যেতে পারে না। অতএব, শ্রমজীবী অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে যারা ইতোমধ্যে গ্রেফতার ও বহিষ্কৃত হয়েছে, তাদের মধ্যে একক গ্রুপ হিসাবে কৃষি-শ্রমিকের সংখ্যাই বেশি। খামার মালিক ও কৃষি-শিল্প গ্রুপগুলোর অনুরোধে ট্রাম্প কৃষি খামার ও কৃষি-শিল্পকে তার অভিবাসীবিরোধী অভিযানের আওতাবহির্ভূত রাখবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। যেখানেই অবৈধ অভিবাসী, সেখানেই অভিযান চলবে। ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য, যেখানে বিভিন্ন ধরনের ৩৫০টির বেশি খাদ্যশস্য, সবজি, ফল ও বাদাম উৎপাদিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মোট চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ সবজি, দুই-তৃতীয়াংশ ফল ও বাদাম এবং স্ট্রবেরির ৯০ শতাংশই উৎপাদিত হয় ক্যালিফোর্নিয়ায়। যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত মোট ২৬ লাখ কৃষি-শ্রমিকের প্রায় আট লাখই বাস করে ক্যালিফোর্নিয়ায়, যাদের প্রায় অর্ধেক অবৈধ অভিবাসী। এ বিপুলসংখ্যক অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হলে ক্যালিফোর্নিয়ার কৃষি মুখ থুবড়ে পড়বে। গ্রোসারিগুলোতে খাদ্যদ্রব্যের সরবরাহ হ্রাস পাবে এবং অকল্পনীয় হারে মূল্য বৃদ্ধি পাবে। বাজারে ইতোমধ্যেই সরবরাহ সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভোক্তারা দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছেন।
কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য এককভাবে যদি কোনো খাতকে দায়ী করতে হয়, তাহলে সেটি কৃষি খাত। তিনি মনে করেন, কৃষিতে সাময়িক সময়ের জন্য শ্রমিক সংকট দেখা দিলেও শিগগিরই তা পূরণ হবে আমেরিকান ও বৈধ অভিবাসী শ্রমিক দ্বারা। তার মতে, কৃষি খামারের মালিকরা যত অজুহাতই দেওয়ার চেষ্টা করুন না কেন, তারা তা করছেন স্বল্প মজুরিতে অবৈধ অভিবাসীদের শ্রম আদায়ের জন্য। তারা অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের শ্রম শোষণ করে দশকের পর দশক ধরে মুনাফা লুটছেন। যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি রয়েছে এমন শ্রমিকদের কৃষিতে নিয়োগ করা হলে তাদের নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে। এতে খামার মালিকদের মুনাফা অর্জনের হার কমলেও কৃষি-শ্রমিকরা লাভবান হবে।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে (২০১৭-২০২০) তার প্রশাসন প্রতিবছর গড়ে ২ লাখ ৭৬ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে বহিষ্কার করেছে। কিন্তু কৃষি খামার ও কৃষিজাত পণ্যের শিল্প টিকিয়ে রাখার স্বার্থে গত বছর (২০২৪) প্রায় ২ লাখ ৫৮ হাজার চুক্তিভিত্তিক কৃষি-শ্রমিককে ‘এইচ ২-এ’ ভিসা বা বিদেশি কৃষি-শ্রমিকদের সাময়িকভাবে, অর্থাৎ ফসল তোলার মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের চুক্তিভিত্তিক কৃষি-শ্রমিকের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট কৃষি-শ্রমিকের এক-দশমাংশ, যে সংখ্যা গত ছয় বছরে এক লাখের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে চুক্তিভিত্তিক কৃষি-শ্রমিক নিয়ে আসা কোনো নতুন বিষয় নয়। ১৯৫৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে চুক্তির অধীনে মেক্সিকো থেকে কৃষি ও রেলওয়ে শ্রমিক হিসাবে নিয়ে আসা প্রায় ১১ লাখ শ্রমিককে বহিষ্কার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের পরিবর্তে চুক্তিভিত্তিক ৩ লাখ ১০ হাজার শ্রমিক এনেছিল। দুই বছর পর এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় এবং যুক্তরাষ্ট্র মেক্সিকো থেকে চুক্তিভিত্তিক ৪ লাখ ৪৫ হাজার কৃষি-শ্রমিক আসার অনুমতি দেয়।
কিন্তু ট্রাম্প এবার তার কঠোর সীমান্তনীতি প্রয়োগের মাধ্যমে মেক্সিকো সীমান্তবর্তী দুটি অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাস থেকে অবৈধ কৃষি-শ্রমিকদের ফসলের মাঠ থেকে আটক করে বহিষ্কার শুরু করায় ওই দুই রাজ্যে কৃষি খাত প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও অবৈধদের বহিষ্কারে কড়াকড়ি ছিল; কিন্তু হোমল্যান্ড সিকিউরিটির বহিষ্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিয়োজিত ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) ওই দুই রাজ্যে কর্মরত অবৈধ কৃষি-শ্রমিকদের ধরপাকড়ে তেমন আগ্রহ দেখায়নি। কিন্তু এবার অভিবাসন নীতির প্রয়োগ আগের চেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিপরীত। হোয়াইট হাউজ ‘আইস’কে কর্তৃত্ব দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণাঞ্চলকে অবৈধ কৃষি-শ্রমিকমুক্ত করতে এবং ‘আইস’ তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করে ব্যাপক ধরপাকড় করছে। ফলে কৃষি-শ্রমিকদের মধ্যে চরম ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। তাদের ৭০ শতাংশই কাজে অনুপস্থিত থাকায় গত জুন থেকে যেসব ফসল আহরণ করার ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশই মাঠেই নষ্ট হয়েছে এবং এখনো এ অবস্থা অব্যাহত হয়েছে। শুধু ক্যালিফোর্নিয়া নয়, কৃষিপ্রধান আরও দুটি রাজ্য টেক্সাস ও পেনসিলভেনিয়ায় বেশির ভাগ শ্রমিক কাজে আসছে না। শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো শ্রমিক নিপীড়নের অভিযোগ উত্থাপন করেও কৃষি-শ্রমিকদের রক্ষা করতে পারছে না।
কিন্তু কৃষি খামার ও কৃষি-শিল্প মালিকরা ক্ষুব্ধ। তারা হুমকি দিয়েছেন, প্রশাসন কৃষি-শ্রমিকদের ব্যাপারে চলমান অভিবাসন নীতি প্রয়োগে নমনীয় না হলে তারা চাষাবাদের আওতাধীন জমির পরিমাণ হ্রাস করতে বাধ্য হবেন। এতে কিছুটা কাজ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ কঠোর অভিবাসন নীতি প্রয়োগের সঙ্গে শুধু কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাওয়া, খাদ্যদ্রব্যের সরবরাহ হ্রাস ও মূল্যবৃদ্ধি জড়িত নয়, এর সঙ্গে ভোটের রাজনীতিও জড়িত। দৃশ্যের অন্তরালে হোয়াইট হাউজ অবৈধ কৃষি-শ্রমিকদের সাময়িক ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহের সুযোগ দেওয়ার জন্য একটি আইন তৈরি করতে পারে। তবে তাদের প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করে নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে এবং এরপর তারা সংক্ষিপ্ত মেয়াদি চুক্তিভিত্তিক কৃষি-শ্রমিক বা অতিথি শ্রমিক হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাবর্তন করতে পারে। এ ধারণা আগেও আলোচিত হয়েছে এবং কংগ্রেসে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় দল সম্মত হয়েছে, সাময়িক বিদেশি কৃষি-শ্রমিক, প্রধানত মেক্সিকো থেকে ফসলের চারা বা বীজ রোপণ ও ফসল আহরণের সময় যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারবে এবং ফসলের মৌসুম শেষে তাদের দেশে ফিরে যাবে। এ ধরনের কৃষি-শ্রমিকের সংখ্যা সীমিত রাখার কথা থাকলেও বাস্তবে অনুমতিপ্রাপ্ত বিদেশি কৃষি-শ্রমিকের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে যুক্তরাষ্ট্রে মোট কৃষি-শ্রমিকের প্রায় ১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
শ্রমিকের অভাবে কৃষিতে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে কৃষিপ্রধান রাজ্যগুলোর অসন্তোষের সঙ্গে উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যগুলোর কৃষি খামারে ‘আইস’-এর ধরপাকড় স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্পের কৃষিমন্ত্রী ব্রুক রোলিনস ও শ্রমমন্ত্রী লোরি শ্যাভেজ ডিরেমার। এতে ট্রাম্পের ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগানের সমর্থকরা ভয় করছেন, প্রশাসনের একটি অংশের চাপে প্রেসিডেন্ট কৃষি-শ্রমিকদের প্রতি অ্যামনেস্টি বা সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা কৃষি-শ্রমিকদের গ্রিনকার্ড পাওয়ার এবং এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে অবৈধ কৃষি-শ্রমিকদের বৈধতা লাভের সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা এবং এ ধরনের আইনের প্রস্তাব করার কথা অস্বীকার করেছেন, তবে কৃষি-শ্রমিকদের জন্য সাময়িক ভিসা অনুমোদনসংক্রান্ত আইনের প্রস্তাব করার কথা প্রকারান্তরে স্বীকার করেছেন। এক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক মৌসুমি কৃষি-শ্রমিকের সংখ্যা বর্তমান বার্ষিক ৩ লাখে সীমিত না রেখে বার্ষিক ৫ লাখ, এমনকি ১০ লাখে উন্নীত হতে পারে। আইনটির মূল লক্ষ্য হবে, কৃষিতে যাতে অবৈধ শ্রমিক বিপুলভাবে হ্রাস পায় এবং খামার মালিকরা শ্রমিকদের অবৈধ হওয়ার সুযোগ নিয়ে তাদের নামমাত্র মজুরি না দিয়ে ন্যায্য মজুরি পরিশোধে বাধ্য হয়। তবে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ সাময়িক শ্রমিকদের ফসলের মৌসুম শেষে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে তাদের মজুরির ১০ শতাংশ জমা রাখবে এবং সীমান্ত অতিক্রম করার সময় অর্থ ফেরত দেবে। পরবর্তী ফসলি মৌসুমে তারা আবারও চুক্তি নবায়ন করে যুক্তরাষ্ট্রে এসে কৃষি খামারে নিয়োজিত হওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।
আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক ও অনুবাদক
