Logo
Logo
×

Advertisement

বাতায়ন

শহরমুখী জনস্রোত থামানোর নতুন রূপরেখা

Advertisement

Icon

ওয়াকিলুর রহমান

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

শহরমুখী জনস্রোত থামানোর নতুন রূপরেখা

Advertisement

প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে রাজধানী ঢাকা কিংবা দেশের বড় শহরগুলোয় চোখে পড়ে লাখ লাখ মানুষের জীবনযুদ্ধ। যানজট, বায়ুদূষণ, অতিরিক্ত বাড়ি ভাড়া এবং আয়ের তুলনায় ব্যয়ের চাপ নগরজীবনকে ক্রমেই কঠিন করে তুলছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মানসিক ক্লান্তি, আবাসন সংকট ও অনিশ্চিত জীবনযাপন। অথচ বাংলাদেশের গ্রামগুলোয় রয়েছে সুস্থ ও স্বস্তিদায়ক জীবন গড়ার বিপুল সম্ভাবনা। আছে উর্বর জমি, প্রাকৃতিক সম্পদ কৃষি, প্রাণী ও মৎস্য উৎপাদনের সুযোগ এবং মানুষের সঙ্গে মানুষের নিবিড় সামাজিক সম্পর্ক। প্রশ্ন উঠতে পারে, তবু কেন প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন নগরের বস্তি ও মেসগুলোয়? উত্তরটি খুব সহজ-গ্রামে জীবন অপেক্ষাকৃত স্বস্তির হলেও অর্থবহ কর্মসংস্থান, আধুনিক জীবিকার সুযোগ এবং সামাজিক মর্যাদার নিশ্চয়তা এখনো সীমিত।

এ বাস্তবতা আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরে-গ্রামে যদি সম্মানজনক জীবিকা ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ তৈরি করা যায়, তবে মানুষ কেন জীবিকার তাগিদে শহরের বস্তি কিংবা জনাকীর্ণ মেসে থাকতে বাধ্য হবে? গ্রামকে শুধু কৃষিনির্ভর জনপদ হিসাবে নয়, বরং আধুনিক কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলাই হতে পারে এ সংকটের কার্যকর সমাধান।

কৃষকের প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা : সম্প্রতি প্রকাশিত আমার একটি নিবন্ধে এ মৌলিক বিষয়টি তুলে ধরেছি। শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতি গড়তে হলে প্রথমেই কৃষক ও কৃষি উৎপাদকদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি গবেষক ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের পেশাগত পরিচয়ে সমাজে সম্মানিত হন। অথচ যারা রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ফসল ফলান, মাছ চাষ করেন কিংবা গবাদি পশু ও পোলট্রি খামার পরিচালনা করেন, তাদের পেশাগত পরিচয় ও সামাজিক মর্যাদা অনেক ক্ষেত্রেই উপেক্ষিত থাকে। খাদ্য উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েও তারা কেন প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত হন? এ প্রশ্নটি শুধু সামাজিক মর্যাদার নয়; এটি অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানেরও প্রশ্ন। একজন শিক্ষিত তরুণ যখন দেখেন, কৃষিকাজে পরিশ্রম ও ঝুঁকি অনেক, অথচ আয় অনিশ্চিত এবং সামাজিক স্বীকৃতি সীমিত, তখন তিনি বিকল্প জীবিকার সন্ধান করেন। তার শহরমুখী হওয়ার পেছনে শুধু কায়িক শ্রমের অনীহা কাজ করে না। কাজ করে অনিশ্চিত আয়, সামাজিক অবমূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে উদ্বেগ।

বাস্তবে দেখা যায়, অনেক তরুণ শহরে এসে ফুটপাতে ছোট দোকান করেন, দিনমজুরি করেন কিংবা স্বল্প আয়ের কাজে যুক্ত হন। তবু তারা গ্রামে ফিরে যেতে চান না। এর পেছনে একটি সামাজিক মনস্তত্ত্বও কাজ করে। শহরে মানুষ অনেকটাই নিজের পরিচিত সামাজিক বলয়ের বাইরে থাকতে পারেন। ফলে কোনো পেশা নিয়ে স্থানীয় সমাজের নেতিবাচক মূল্যায়নের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। সমাজবিজ্ঞানের ভাষায়, শহরের এ বৈশিষ্ট্যকে ‘আরবান অ্যানোনিমিটি’ বা নগরের পরিচয়হীনতার সুযোগ হিসাবে ব্যাখ্যা করা যায়।

সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবারের সামাজিক স্তরবিন্যাসের ধারণা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মানুষের অবস্থান নির্ধারণে শুধু অর্থনৈতিক সম্পদ নয়, সামাজিক মর্যাদাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই কৃষিকে লাভজনক করার পাশাপাশি কৃষকের পেশাগত পরিচয় ও সামাজিক সম্মান প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। তরুণদের গ্রামে ধরে রাখতে চাইলে তাদের সামনে শুধু আয়ের সুযোগ নয়, মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তাও দিতে হবে।

কৃষি হোক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের নতুন ক্ষেত্র : আমাদের কৃষিকে প্রচলিত ধারণার মধ্যে আটকে রাখার সুযোগ নেই। কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ‘স্মার্ট কৃষি’ ও আধুনিক ‘অ্যাগ্রো-বিজনেস’-এ রূপান্তর করতে হবে। কাদামাটিতে নেমে কোদাল চালানো কিংবা প্রচলিত পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন অনেক তরুণের কাছে আকর্ষণীয় নাও হতে পারে। কিন্তু স্মার্টফোনের মাধ্যমে কৃষি জমির আর্দ্রতা পর্যবেক্ষণ, সেন্সরনির্ভর সেচব্যবস্থা পরিচালনা, গ্রিনহাউজে উচ্চমূল্যের ফল ও সবজি উৎপাদন কিংবা ড্রোনের সাহায্যে কৃষি উপকরণ ব্যবহার ও জমি পর্যবেক্ষণের সুযোগ তাদের আগ্রহী করতে পারে। একইভাবে আধুনিক ডেইরি, পোলট্রি ও মৎস্য খামার পরিচালনা হতে পারে শিক্ষিত তরুণদের জন্য সম্ভাবনাময় পেশা।

তবে প্রযুক্তি ব্যবহারের অর্থ শুধু দামি যন্ত্রপাতি কেনা নয়। কোন ফসল কখন উৎপাদন করলে বেশি লাভ হবে, বাজারে কোন পণ্যের চাহিদা রয়েছে, উৎপাদন খরচ কীভাবে কমানো যায় এবং পণ্য কীভাবে দ্রুত ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যায়-এসব বিষয়ে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়াও স্মার্ট কৃষির অংশ।

এখানে ‘ফার্ম টু ফর্ক’ ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ উৎপাদন থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে দক্ষ ও স্বচ্ছ করা। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষক সরাসরি ক্রেতা, সুপারশপ, রেস্তোরাঁ কিংবা প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর নির্ভরতা কমানো এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। এছাড়া ফলমূল, শাকসবজি, দুধ, মাছ ও মাংস প্রক্রিয়াজাত করে বাজারজাত করার মধ্যেও রয়েছে বিপুল সম্ভাবনা। কৃষিপণ্য শুধু উৎপাদন করেই নয়, সংরক্ষণ, প্যাকেজিং, পরিবহণ, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমেও গ্রামীণ অর্থনীতিতে মূল্য সংযোজন করা সম্ভব। ফলে কৃষিকে ঘিরে গ্রামেই গড়ে উঠতে পারে নতুন নতুন ব্যবসা ও কর্মসংস্থান

বিশ্বের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা : গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ। দেশটি গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, ডিজিটাল অবকাঠামো ও ই-কমার্স সম্প্রসারণের মাধ্যমে অনেক এলাকায় নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ‘তাওবাও ভিলেজে’র মতো উদ্যোগে গ্রামীণ উদ্যোক্তারা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে স্থানীয় পণ্য বৃহত্তর বাজারে বিক্রি করার সুযোগ পেয়েছেন।

এ অভিজ্ঞতার মূল শিক্ষা হলো, গ্রামীণ উন্নয়ন মানে শুধু কৃষি উৎপাদন বাড়ানো নয়। এর সঙ্গে যুক্ত করতে হয় প্রযুক্তি, বাজার সংযোগ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। তবে অন্য দেশের মডেল হুবহু অনুকরণ না করে আমাদের কৃষি, জনসংখ্যা, বাজার ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশেও উচ্চগতির ইন্টারনেট, ডিজিটাল বিপণন, আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি এবং গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া গেলে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। একজন বিশ্ববিদ্যালয়-øাতক তরুণ নিজের গ্রামে বসেই যদি কৃষিপণ্য বিপণন, আইটি সেবা কিংবা আধুনিক খামার পরিচালনার মাধ্যমে ভালো আয় করতে পারেন, তাহলে তার কাছে শহরে যাওয়াই আর একমাত্র বিকল্প থাকবে না।

মূলধন, প্রশিক্ষণ ও বাজার সংযোগ : গ্রামে উদ্যোক্তা হওয়ার পথে সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক বাধার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো মূলধনের অভাব। অনেক তরুণের ধারণা আছে, উদ্যোগ নেওয়ার আগ্রহও রয়েছে; কিন্তু জমি, যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো ও প্রাথমিক পরিচালন ব্যয় বহনের সামর্থ্য নেই। এ বাধা দূর করতে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, প্রয়োজনভিত্তিক অনুদান এবং উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ও অ্যাগ্রো-স্টার্টআপের ক্ষেত্রে অর্থায়ন ব্যবস্থাকে আরও সহজলভ্য করা জরুরি। এ বাধা দূর করতে বর্তমান সরকার কৃষি ঋণের নীতিমালায় তরুণ ও শিক্ষিত উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ অগ্রাধিকার, সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা রেখেছে। এমনকি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার মধ্যে ৫০ শতাংশ ঋণ ও ৫০ শতাংশ অনুদানের ইতিবাচক ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তবে শুধু ঋণ দিলেই উদ্যোক্তা তৈরি হয় না। কোন উদ্যোগটি লাভজনক হবে, কীভাবে উৎপাদন পরিচালনা করতে হবে, কীভাবে হিসাব রাখতে হবে এবং বাজারের ঝুঁকি কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে-এসব বিষয়েও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। অর্থায়নের আগে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং অর্থায়নের পর নিয়মিত পরামর্শ ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকা উচিত।

ঋণ ও অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃত উদ্যোক্তার পরিবর্তে প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা ভুয়া আবেদনকারী সুবিধা পেলে সরকারি উদ্যোগের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। ডিজিটাল আবেদন, আবেদনকারীর যোগ্যতা যাচাই, সরাসরি ব্যাংক হিসাবে অর্থ প্রদান এবং নিয়মিত ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এ ঝুঁকি কমানো যেতে পারে।

শহরমুখী অনিয়ন্ত্রিত জনস্রোত থামিয়ে টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি গড়ে তুলতে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবায়নযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি-১. কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায় তরুণদের স্বল্পসুদে ঋণ ও প্রয়োজনভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে। অর্থায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ২. সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে কৃষিপ্রধান উপজেলায় কোল্ড স্টোরেজ, প্যাকেজিং ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে। এতে কৃষিপণ্যের অপচয় কমবে, মূল্য সংযোজন বাড়বে এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ৩. উপজেলা হাসপাতালগুলোতে মানসম্মত চিকিৎসা ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দক্ষ শিক্ষক ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে মৌলিক নাগরিক সুবিধার জন্য মানুষকে শহরমুখী হতে না হয়। ৪. ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তি সুবিধাসম্পন্ন ডিজিটাল ওয়ার্কস্টেশন গড়ে তুলতে হবে। প্রশিক্ষণ ও বাজার সংযোগের মাধ্যমে তরুণরা গ্রামে বসেই ফ্রিল্যান্সিং, আইটি সেবা ও ই-কমার্সে যুক্ত হতে পারবেন। ৫. কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খামারিদের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় নিশ্চিত করে কৃষিঋণ, প্রশিক্ষণ ও বাজার সুবিধার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। উত্তম কৃষিচর্চাকে উৎসাহ প্রদান করতে হবে এবং খামারবিমা দ্রুত চালুর মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত আর্থিক ঝুঁকি কমাতে হবে।

শহরমুখী জনস্রোত শুধু প্রশাসনিক নির্দেশনা দিয়ে থামানো সম্ভব নয়। মানুষ যেখানে কর্মসংস্থান, উন্নত শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক মর্যাদা পায়, সেখানেই বসবাস করতে চায়। তাই গ্রামেও এসব সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সবচেয়ে জরুরি হলো সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। শহরে চাকরি করলেই সফল আর গ্রামে কৃষি বা খামার পরিচালনা করলেই পিছিয়ে-এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক অবদানের পাশাপাশি তাদের সামাজিক মর্যাদাও নিশ্চিত করতে হবে।

গ্রামের উন্নয়ন শুধু গ্রামীণ মানুষের উন্নয়ন নয়; এটি জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করারও অন্যতম শর্ত। গ্রামে কর্মসংস্থান বাড়লে শহরের ওপর জনসংখ্যার চাপ কমবে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে উন্নত জীবনের স্বপ্ন পূরণে কাউকে বাধ্য হয়ে গ্রাম ছাড়তে হবে না। শহর ও গ্রামের সুযোগের বৈষম্য কমাতে পারলে গ্রাম হয়ে উঠবে সম্ভাবনা, উদ্ভাবন ও আÍমর্যাদার এক নতুন অর্থনৈতিক কেন্দ্র।

ওয়াকিলুর রহমান : সদস্য, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি); প্রফেসর, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

শহরমুখী জনস্রোত থামানোর নতুন রূপরেখা

শহরমুখী জনস্রোত থামানোর নতুন রূপরেখা

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কেমন প্রতিরক্ষানীতি চাই

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কেমন প্রতিরক্ষানীতি চাই

বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের ভূমিকা

বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের ভূমিকা

চল্লিশের পরে মানসিক স্বাস্থ্য এবং এর যত্ন

চল্লিশের পরে মানসিক স্বাস্থ্য এবং এর যত্ন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম