Logo
Logo
×

Advertisement

বাতায়ন

তুরাগের মৃত্যু-রহস্য : রাজনীতি, অপরাধ নাকি দুর্ঘটনা

Advertisement

Icon

মে. জে. (অব.) এইচআরএম রোকন উদ্দিন

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কেএম তাহসিফ সাউরির রহস্যজনক মৃত্যু দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নাগরিক নিরাপত্তা, অপরাধ তদন্তের নিরপেক্ষতা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো ঘটনাকে ব্যবহারের প্রবণতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর টঙ্গীর রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে তিনি রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন।

একজন তরুণ সাবেক সামরিক কর্মকর্তার এভাবে মৃত্যু নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। কিন্তু মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণের আগেই ঘটনাটিকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হিসাবে উপস্থাপন করা যেমন অনুচিত, তেমনই ব্যক্তিগত জীবনযাপন কিংবা চাকরিসংক্রান্ত অতীতের ভিত্তিতে তার মৃত্যুকে ব্যক্তিগত বিরোধ বা দুর্ঘটনার পরিণতি হিসাবে ধরে নেওয়াও অযৌক্তিক। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়া এবং পেট ফোলা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এসব লক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও শুধু এগুলোর ভিত্তিতে হত্যা, পানিতে ডুবে মৃত্যু, শ্বাসরোধ কিংবা বিষক্রিয়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্ত, টক্সিকোলজি পরীক্ষা, ঘটনাস্থলের আলামত এবং মৃত্যুর আগের গতিবিধির পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ অপরিহার্য।

ঘটনাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে তাহসিফের সামরিক চাকরি থেকে বিদায়ের পটভূমি। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি বিমানবাহিনী থেকে অবসর বা অব্যাহতি পান। তার পরিবারের বক্তব্যে শৃঙ্খলাজনিত কারণে চাকরি ছাড়ার প্রসঙ্গ এসেছে। আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগের কথাও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিক নথি ছাড়া এসব অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসাবে গ্রহণ করা উচিত নয়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তার চাকরিসংক্রান্ত শৃঙ্খলামূলক নথি সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা যেতে পারে। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, অতীতের কোনো অভিযোগ তার মৃত্যুর ব্যাখ্যা নয় কিংবা ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারকে খর্ব করে না। সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তা সাধারণত সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশ, নির্দিষ্ট দায়িত্ব এবং সামাজিক মর্যাদার মধ্যে জীবনযাপন করেন। অল্প বয়সে চাকরি ছাড়ার পর পেশাগত অনিশ্চয়তা, আর্থিক চাপ, সামাজিক সম্পর্কের পরিবর্তন এবং নতুন জীবনযাত্রার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। তাহসিফের ক্ষেত্রেও এমন পরিবর্তন হয়েছিল কি না, তা অনুসন্ধানযোগ্য। তবে তার মানসিক বা আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে প্রমাণ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত নয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, মৃত্যুর আগের রাতে তিনি কোথায় গিয়েছিলেন, কাদের সঙ্গে ছিলেন এবং কেন তুরাগ নদসংলগ্ন এলাকায় তার মরদেহ পাওয়া গেল? উত্তরায় বসবাসকারী একজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা কী কারণে টঙ্গীর বস্তিসংলগ্ন এলাকায় গিয়েছিলেন, সেটি অবশ্যই তদন্তের বিষয়। তিনি স্বেচ্ছায় গিয়েছিলেন, নাকি কেউ তাকে সেখানে নিয়ে গিয়েছিল? সেখানে তার কোনো পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন কি না, কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল কি না-এসব প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন। তবে বস্তিবাসী বা নিম্ন-আয়ের মানুষকে অপরাধের সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই। একইভাবে উত্তরার একটি বারে একজন তরুণীর সঙ্গে তার অবস্থানের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির কোনো পরিচিত নারীর সঙ্গে বারে যাওয়া অপরাধ নয়। কিন্তু মৃত্যুর আগে তিনি কার সঙ্গে ছিলেন, কী কথাবার্তা হয়েছিল, কী পানীয় গ্রহণ করেছিলেন এবং সেখান থেকে কোথায় গিয়েছিলেন, তা জানা জরুরি। সংশ্লিষ্ট তরুণী ও অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল যোগাযোগ এবং অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। গ্রেফতার বা জিজ্ঞাসাবাদকে অপরাধ প্রমাণের সমতুল্য মনে করা যাবে না।

মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত বিরোধ, আর্থিক লেনদেন, প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল, সংঘবদ্ধ অপরাধ, মাদকসংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি, পরিকল্পিত হত্যা, দুর্ঘটনা কিংবা আত্মহত্যার সম্ভাবনা তদন্তের আওতায় আসতে পারে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধের সম্ভাবনাও বাদ দেওয়া উচিত নয়। কিন্তু কোনো সম্ভাবনাকেই প্রমাণ ছাড়া সত্য হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা বা আর্থিক বিরোধ থেকে অপরাধ সংঘটিত হতে পারে। আবার কোনো অপরাধচক্রের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাতের সম্ভাবনাও তদন্তযোগ্য। সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাদক কারবারের অভিযোগ থাকলে সেটিও যাচাই করতে হবে। তবে সেখানে যাওয়ার কারণে তাহসিফ মাদকসেবী বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন-এমন অনুমান গ্রহণযোগ্য নয়। তার শরীরে মাদক, অ্যালকোহল কিংবা বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি ছিল কি না, তা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে।

পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা থাকলে শ্বাসরোধ, বিষক্রিয়া কিংবা অন্য কোনো পদ্ধতিতে মৃত্যুর পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। অন্যদিকে গভীর রাতে নদী-তীরবর্তী এলাকায় অসতর্কতা, অন্ধকার, শারীরিক অসুস্থতা কিংবা দুর্ঘটনার কারণেও মৃত্যু ঘটতে পারে। আত্মহত্যার সম্ভাবনাও যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে চাকরি হারানোর ঘটনা থেকে মানসিক বিপর্যয় বা আত্মহত্যার প্রবণতা অনুমান করা বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ। তাহসিফের নাম ২০২৪ সালের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে আলোচনায় এসেছিল। ফলে তার মৃত্যুর সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা কোনো প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। কিন্তু অতীতের রাজনৈতিক বিতর্কের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেই বর্তমান মৃত্যুকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলা যায় না। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের প্রমাণ এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অনুমান সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল কোনো ঘটনা ঘটলেই বিভিন্ন পক্ষ অনেক সময় নিজেদের সুবিধামতো ব্যাখ্যা দিতে শুরু করে। কেউ সরকারকে দায়ী করেন, কেউ বিরোধী শক্তিকে অভিযুক্ত করেন, আবার কেউ বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন। এ ধরনের অনুমাননির্ভর বক্তব্য তদন্তকে বিভ্রান্ত করতে পারে। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ধারণায় সীমাবদ্ধ থাকলে ব্যক্তিগত বিরোধ বা সংঘবদ্ধ অপরাধের সূত্র উপেক্ষিত হতে পারে। আবার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আগেভাগে বাতিল করলেও প্রকৃত অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে পারে। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য প্রথমেই তাহসিফের মৃত্যুর আগের অন্তত ৪৮ ঘণ্টার পূর্ণাঙ্গ সময়রেখা তৈরি করা প্রয়োজন। তিনি কখন বাসা থেকে বের হয়েছেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, কোথায় অবস্থান করেছেন, সর্বশেষ কার সঙ্গে দেখা হয়েছে এবং কখন তাকে জীবিত দেখা গেছে-এসব তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড, আইনসম্মতভাবে সংগৃহীত অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য, আর্থিক লেনদেন এবং ডিজিটাল যোগাযোগ পরীক্ষা করা জরুরি।

তার মোটরসাইকেল টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকা থেকে উদ্ধারের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। মোটরসাইকেল সেখানে কীভাবে পৌঁছাল, কে রেখেছিল এবং উদ্ধারস্থলের সঙ্গে মরদেহ পাওয়ার স্থানের সম্পর্ক কী, তা নির্ধারণ করতে হবে। মৃত্যুর আগে পরিবারের কাছে পাঠানো বার্তার প্রকৃত প্রেরকও যাচাই করা প্রয়োজন। ফোন থেকে বার্তা পাঠানো হয়েছে বলেই সেটি ফোনের মালিক পাঠিয়েছেন-এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় না। তদন্তে ফরেনসিক চিকিৎসক, টক্সিকোলজিস্ট এবং ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া উচিত। সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষদর্শী, পরিচিতজন, বারের কর্মচারী ও নিরাপত্তাকর্মীদের বক্তব্য পৃথকভাবে গ্রহণ করে প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদ হতে হবে আইনসম্মত; নির্যাতন বা জোরপূর্বক স্বীকারোক্তির কোনো সুযোগ নেই।

এই মৃত্যু দেশের সামাজিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রাজধানী ও আশপাশের নদী-তীরবর্তী এলাকা, অপর্যাপ্ত আলোকসজ্জাসম্পন্ন সড়ক এবং অপরাধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অবৈধ অস্ত্র এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে নির্বিচারে হয়রানি না করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে হবে।

একটি ঘটনা দিয়ে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। তবে এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু নাগরিক নিরাপত্তা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং তদন্ত ব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। সরকারকে পুলিশি টহল, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কমিউনিটি পুলিশিং এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি শক্তিশালী করতে হবে।

গণমাধ্যম, রাজনৈতিক নেতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী ঘোষণা, কোনো নারীর চরিত্রহনন, মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপ্রমাণিত বক্তব্য কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গুজব প্রচার থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। সরকারকে নিয়মিতভাবে যাচাইকৃত তথ্য প্রকাশ করতে হবে, যাতে জনগণ প্রকৃত তদন্তের অগ্রগতি জানতে পারে। তাহসিফের পরিবারের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার যেমন রয়েছে, তেমনই অভিযুক্ত ব্যক্তিদেরও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তদন্তে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, ব্যক্তিগত বিরোধ, আর্থিক স্বার্থ বা সংঘবদ্ধ অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে অপরাধীদের পরিচয় ও অবস্থান নির্বিশেষে আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আর মৃত্যু দুর্ঘটনাজনিত হলে সেটিও যথাযথ প্রমাণসহ প্রকাশ করতে হবে।

সবশেষে বলা প্রয়োজন, তাহসিফ সৌরির মৃত্যু কেবল একজন সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা নয়; এটি রাষ্ট্রের তদন্ত ব্যবস্থা, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষার সক্ষমতারও পরীক্ষা। তিনি কেন সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়েছিলেন, বারে অবস্থানের পর কী ঘটেছিল, মোটরসাইকেল কেন অন্য এলাকায় পাওয়া গেল এবং কীভাবে তার মরদেহ তুরাগ নদে পৌঁছাল-এসব প্রশ্নের উত্তর ছাড়া প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে না। রাষ্ট্রের দায়িত্ব কোনো রাজনৈতিক ব্যাখ্যা প্রতিষ্ঠা করা নয়; রাষ্ট্রের দায়িত্ব সত্য উদ্ঘাটন, অপরাধীকে শনাক্ত, নিরপরাধকে রক্ষা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক প্রচারণা, ব্যক্তিগত চরিত্রহনন এবং অনুমাননির্ভর অভিযোগের ঊর্ধ্বে উঠে নিরপেক্ষ তদন্ত, অপরাধ প্রমাণিত হলে দোষীদের শাস্তি এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই এই মৃত্যুর যথাযথ বিচার সম্ভব।

মে. জে. (অব.) এইচআরএম রোকন উদ্দিন : নিরাপত্তা বিশ্লেষক

[email protected]

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

তুরাগের মৃত্যু-রহস্য : রাজনীতি, অপরাধ নাকি দুর্ঘটনা

তুরাগের মৃত্যু-রহস্য : রাজনীতি, অপরাধ নাকি দুর্ঘটনা

কারা এই ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিক

কারা এই ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিক

শহরমুখী জনস্রোত থামানোর নতুন রূপরেখা

শহরমুখী জনস্রোত থামানোর নতুন রূপরেখা

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কেমন প্রতিরক্ষানীতি চাই

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কেমন প্রতিরক্ষানীতি চাই

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম