হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: দুলু
Advertisement
নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, হাসপাতালে চিকিৎসকদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। কিন্তু সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেক চিকিৎসক ও নার্সকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে দেখিনি।
হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নাটোর জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন হুইপ দুলু।
এ সময় সরকারি বেতন ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও নির্দেশনা না মানলে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করার অনুরোধ জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নাটোর জেনারেল হাসপাতাল সরকারিভাবে ১০০ শয্যার অনুমোদন নিয়ে চালু হলেও বর্তমানে এটি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু জনবল, ওষুধ ও খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে ১০০ জনের জন্য।
তিনি জানান, হাসপাতালে এসে দেখেছেন, রোগী রয়েছে ৯০০ জন। তাদের মধ্যে মাত্র ১০০ জনের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। অনেক রোগী খাবারও পান না, যা দুঃখজনক। ১০০ জনের জনবল দিয়ে ৯০০ রোগীর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়। হাসপাতালের বাথরুমগুলোও অনেক অপরিচ্ছন্ন। সেগুলো সার্বক্ষণিক পরিষ্কার রাখতে হবে।
সিভিল সার্জন ডা. মশিউর রহমান বলেন, জনবল সংকট নিরসনে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে। নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসকসহ সবাইকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতালটির হিসাবরক্ষক সামসুন আরা বলেন, ২০২৩ সালে হাসপাতালটিকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও জনবল রয়েছে ১০০ শয্যার। প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী ভর্তি থাকেন। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ রোগী। ফলে বরাদ্দ যা থাকে, তা দিয়ে হাসপাতালটি সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায় না।
এ সময় অন্যদের মধ্যে আবাসিক চিকিৎসক ডা. মাহাবুবুর রহমানসহ হাসপাতালের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
