Logo
Logo
×

Advertisement

শিক্ষাঙ্গন

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্সে ‘প্রক্সি প্রতিযোগী’ দিয়ে ইবির স্বর্ণপদক জয়, বিতর্কের সৃষ্টি

Advertisement

Icon

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্সে ‘প্রক্সি প্রতিযোগী’ দিয়ে ইবির স্বর্ণপদক জয়, বিতর্কের সৃষ্টি

শিক্ষার্থী মাশরুর রহমান। ফাইল ছবি।

Advertisement

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় ৮০০ মিটার দৌড় ইভেন্টে ‘প্রক্সি প্রতিযোগী’ অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৫ মে) বিষয়টি জানাজানি হলে এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর আগে সোমবার (৪ মে) ভোরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া হয় বলে জানা যায়।

জানা গেছে, ৮০০ মিটার দৌড় ইভেন্টে প্রথম স্থান অর্জন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাশরুর রহমান। দ্বিতীয় হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খালিদ মহিবুল্লাহ, তৃতীয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরিফুল ইসলাম এবং চতুর্থ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহরিয়ার আহমেদ। তবে প্রথম স্থান অর্জনকারীকে ঘিরে প্রক্সি বিতর্ক শুরু হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, মাশরুর রহমান প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও তিনি অংশ নেননি; বরং তার পরিবর্তে অন্য একজন ব্যক্তি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। তবে ওই ‘প্রক্সি’ ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষক সাহেব আলীর একজন ছাত্র।

অন্যান্য প্রতিযোগীদের দাবি, যাকে প্রথম স্থান অধিকারী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, তাকে তারা মাঠে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেখেননি। তাদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অসতর্কতা বা যোগসাজশে এ ঘটনা ঘটেছে।

দ্বিতীয় স্থান অধিকারী খালিদ মহিবুল্লাহ বলেন, প্রদর্শিত ছবির ব্যক্তি এবং মাঠে দৌড়ানো ব্যক্তি এক নন। আমি যাকে দেখেছি, তাকে প্রথম স্থান অধিকারী হিসেবে ঘোষিত ব্যক্তির সঙ্গে মিলাতে পারিনি।

চতুর্থ স্থান অধিকারী শাহরিয়ার আহমেদও একই অভিযোগ করে বলেন, প্রকৃত প্রতিযোগীর শারীরিক গঠন ও ফিটনেস ঘোষিত ব্যক্তির সঙ্গে মেলে না।

এদিকে অভিযুক্ত মাশরুর রহমান প্রথমে বলেন, তিনি প্রতিযোগিতায় অংশ নেননি এবং তার পরিবর্তে অন্য একজন অংশ নিয়েছেন। তবে পরে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দিলে তিনি ফোন কেটে দেন এবং এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।  

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার বিভাগে একই নামে অন্য কোনো শিক্ষার্থী নেই।

ইবির প্রশিক্ষক সাহেব আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ওই সময়ে উপস্থিত ছিলাম না এবং বিষয়টির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যারা এন্ট্রি সম্পন্ন করেছেন, তারাই বিষয়টি ভালোভাবে বলতে পারবেন।

শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমাদের অজান্তে ঘটেছে এবং তদন্ত চলছে।  তিনি জানান, প্রকৃত অংশগ্রহণকারীদের যাচাই করে পুরস্কার পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া চলছে।

শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে কারও সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ইবির উপ-উপাচার্যের খাতা-কাণ্ডে পিয়নের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

ইবির উপ-উপাচার্যের খাতা-কাণ্ডে পিয়নের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ইবির ২৪ শিক্ষার্থী

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ইবির ২৪ শিক্ষার্থী

ইবিতে উত্তরপত্র হারানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি

ইবিতে উত্তরপত্র হারানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি

ইবিতে সংঘর্ষে তিন শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার, তদন্তে দুই কমিটি

ইবিতে সংঘর্ষে তিন শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার, তদন্তে দুই কমিটি

ইবিতে মীমাংসার পর ফের সংঘর্ষ, প্রক্টরসহ আহত কয়েকজন

ইবিতে মীমাংসার পর ফের সংঘর্ষ, প্রক্টরসহ আহত কয়েকজন

আরও পড়ুন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের ৪ জরুরি নির্দেশনা দিল মাউশি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের ৪ জরুরি নির্দেশনা দিল মাউশি

২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করতে চায় কারিগরি বোর্ড

২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করতে চায় কারিগরি বোর্ড

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেল নির্ভর করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওপর

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেল নির্ভর করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওপর

উচ্চশিক্ষাকে কর্মজীবনমুখী করার তাগিদ ইউজিসি চেয়ারম্যানের

উচ্চশিক্ষাকে কর্মজীবনমুখী করার তাগিদ ইউজিসি চেয়ারম্যানের

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম