ইবিতে উত্তরপত্র হারানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি
Advertisement
ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) একটি কোর্সের ৬০টির বেশি পরীক্ষার উত্তরপত্র হারানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
খাতাগুলো দ্বিতীয় পরীক্ষক হিসেবে মূল্যায়ন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেনের নামে বরাদ্দ ছিল।
খাতা হারানোর ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ কমিটি গঠনের তথ্য জানানো হয়।
এদিকে উত্তরপত্র হারিয়ে যাওয়ায় দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস ধরে শিক্ষার্থীদের ওই সেমিস্টারের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রয়েছে। ফলে বিভাগ পরবর্তী সেমিস্টারের পরীক্ষা নিতে পারছে না, এতে সেশনজটে পড়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
জানা যায়, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষ প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষার ‘২১০৭’ নম্বর কোর্সের দ্বিতীয় পরীক্ষকের জন্য বরাদ্দকৃত উত্তরপত্র খুঁজে না পাওয়ার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের এ কমিটি গঠন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান।
কমিটিতে বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এএসএম আয়নুল হক আকন্দকে আহ্বায়ক, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরুজ্জামানকে সদস্য সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদকে সদস্য করা হয়েছে।
এর আগে একই ঘটনা খতিয়ে দেখতে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আবদুল গফুর গাজী তিন সদস্যের একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন। এতে বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহাবুল আলমকে আহ্বায়ক এবং অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল ইসলাম ও সহযোগী অধ্যাপক ড. এমএম শরিফুল বারীকে সদস্য করা হয়। ওই কমিটি ইতোমধ্যে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বলে বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এএসএম আয়নুল হক আকন্দ জানান, তদন্তের প্রাথমিক সব কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে; বর্তমানে প্রতিবেদন লেখার কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী বৃহস্পতি বা শনিবারের মধ্যে উপাচার্যের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে। প্রতিবেদনে প্রয়োজনীয় সুপারিশ তুলে ধরা হবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
