চুয়েটে অচলাবস্থার ১৩ দিন
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় তিন সমিতির প্রতিনিধিরা
Advertisement
চুয়েট প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে টানা ১৩ দিন ধরে ‘শাটডাউন’ চলছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)। চলমান এ অচলাবস্থার কারণে স্থবির হয়ে আছে ক্যাম্পাস, অব্যাহত রয়েছে ক্লাশ-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচিও।
শিক্ষার্থীদের নতুন কোনো কর্মসূচি না থাকলেও রোববার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পাশাপাশি তাদের সর্বাত্মক কর্মবিরতিও অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে চলমান সংকট নিরসনে শনিবার সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সরকারের ঠিক কোন পর্যায়ের সঙ্গে এ আলোচনা হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে চুয়েট শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসির বলেন, শনিবার চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির প্রতিনিধিরা সরকারের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ ও ফলপ্রসূ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। সেখানে চুয়েটের বর্তমান পরিস্থিতি এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। প্রতিনিধিরা দাবির পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি ও বাস্তবতাও তুলে ধরেন।
সরকারের ইতিবাচক সাড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অত্যন্ত ধৈর্য ও আন্তরিকতার সঙ্গে শুনেছেন এবং প্রতিনিধিদের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছেন। আমরা আশা করি, উপস্থাপিত বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ চুয়েটের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
অন্যদিকে চলমান এ সংকট সমাধানের বিষয়ে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয়ের সার্বক্ষণিক পরামর্শ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সুসংহত সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা এ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে কাজ করে যাচ্ছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, অচিরেই আমরা সফল হবো।
