চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাং লিডার বগার চার সহযোগীসহ গ্রেফতার ৫
Advertisement
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাং লিডার ওয়াকিল হোসেন বগার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে এক নারীসহ খুলশী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা রয়েছেন।
একই অভিযানে নগর যুবলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর এক সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে নগরীর খুলশী থানার জালালাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার সারিকাইত ইউনিয়নের চৌকাতলী এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে মনির হোসেন ইমন, খুলশী থানার ঝাউতলা টিকিট প্রিন্টিং এলাকার আবদুল হালিমের ছেলে মো. আবদুল হাসান ওরফে কালা হাসান, খুলশীর ওয়্যারলেস ৪নং লেইনের মো. জামিলের স্ত্রী সাবিহা বেগম ওরফে শাব্বু, খুলশীর জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটির মুরগি ফার্ম এলাকার লাল মিয়ার ছেলে মো. শাহজাহান ও খুলশী থানার গরীবুল্লাহ শাহ মাজার কুসুমবাগ আবাসিক এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
এর মধ্যে মনির হোসেন ইমন খুলশী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জাহিদ হোসেন সাব্বির কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন নগর যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর অনুসারী।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকিল হোসেন বগা ও তার ছোট ভাই রকি হোসেন পিচ্চির নিয়ন্ত্রণাধীন কিশোর গ্যাং ৭জি গ্রুপের সদস্যদের ছুরিকাঘাতে প্রতিপক্ষ ৫জি গ্রুপের মো. হৃদয় নামের এক কিশোর নিহত হয়। এরপরই নগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য ও অপতৎপরতা আলোচনায় আসে। ওয়াকিল হোসেন বগা ৭জি গ্রুপ ছাড়াও একাধিক কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করেন। তার বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলাসহ অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত বগাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন যুগান্তরকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং লিডার ওয়াকিল হোসেন বগার চার সহযোগী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতার অনুসারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, হৃদয় হত্যার ঘটনায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ১২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত তিন কিশোর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

