বিমানবন্দরে বিপুল স্বর্ণ ও আইফোন আটক
Advertisement
মানিক খান (বিমানবন্দর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৩৩ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার ও স্বর্ণবার এবং একটি আইফোন আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। আটক পণ্যের শুল্ককরাদিসহ আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪১ হাজার ১৬৭ টাকা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে এসব পণ্য আটক করা হয়।
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কুয়ালালামপুর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের BS-0316 ফ্লাইটে আসা যাত্রী ফাতেমা তুজ জোহরার ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৯৯ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার ও একটি আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স আটক করেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার ব্যাগেজ সন্দেহজনক মনে হলে বিধি অনুযায়ী তল্লাশি চালানো হয়। আটক পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৬১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকা।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের BG-148 ফ্লাইটে আসা দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪৩৪ গ্রাম স্বর্ণ আটক করা হয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, প্রথম যাত্রী তানবীর হাসান রিফাতের জুতার ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো ১০০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার এবং তার দেহ তল্লাশি করে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণবার পাওয়া যায়।
একই ফ্লাইটে আসা অপর যাত্রী মো. হাবিবুর রহমানের ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণবার এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়। এ অভিযানে আটক স্বর্ণের শুল্ককরাদিসহ আনুমানিক মূল্য ৭৮ লাখ ১২ হাজার টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট এক যাত্রীর পাসপোর্টে ২০২৬ সালে আগে ব্যাগেজ সুবিধায় স্বর্ণ আনার তথ্যও রয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত এক সপ্তাহে পৃথক অভিযানে ৭০২ গ্রাম স্বর্ণবার ও ২০০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কারসহ মোট ৯০২ গ্রাম স্বর্ণ আটক করা হয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিমানবন্দরগুলোতে স্বর্ণ ও উচ্চমূল্যের পণ্যের অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি, ঝুঁকিভিত্তিক যাত্রী শনাক্তকরণ এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রাজস্ব সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।
