Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

বিএনপির মনোনয়ন পাননি রুমিন ফারহানা, যা বলছেন অনুসারীরা

Icon

মো. ফজলে রাব্বি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:০৩ এএম

বিএনপির মনোনয়ন পাননি রুমিন ফারহানা, যা বলছেন অনুসারীরা

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ফাইল ছবি

Advertisement

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। তবে বহুল আলোচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর একাংশ) আসনে কারও নাম ঘোষণা করা হয়নি। এতে হতাশ হয়েছেন এই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার অনুসারী নেতাকর্মীরা। বিএনপির দুর্গ বা ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত এ আসন থেকে ১৯৭৩ সালের পর ২০২৩ সালের উপনির্বাচন ছাড়া দীর্ঘ ৫০ বছরের ইতিহাসে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হননি। আসনটি বিএনপি এবার জোটের শরিকদের ছেড়ে দিতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ছাড়া অন্য কাউকে এখানে মনোনয়ন দিলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তার অনুসারীরা। সরাইলের বাসিন্দারা মনোনয়ন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকে মাঠে আছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য ও বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহসম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। প্রায় প্রতি সপ্তাহে তিনি এলাকায় গণসংযোগসহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আসছেন। আসনটিতে প্রায় প্রতিবারই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। তবে ২০০৮ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী আওয়ামী লীগের শরিক দল জাতীয় পার্টির জিয়াউল হক মৃধার কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও বিএনপি এ আসন থেকে জোটের প্রার্থী দিয়েছিলেন ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মুফতি আমিনীকে। তিনি জোটের এমপি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেজন্য ওই এলাকাটি উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছরেও সরাইল উপজেলার অনেক ইউনিয়ন যোগাযোগবিচ্ছিন্ন।

সরাইল উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। এখানে জোটের শরিক কাউকে মনোনয়ন দেওয়ার পর রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে জোটের প্রার্থী জামানত হারাবেন। যেমনটি হয়েছিল নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। এখানে ৭০ শতাংশ বিএনপি নেতাকর্মী রুমিন ফারহানার পক্ষে থাকবেন।

তারা বলছেন, রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের জনগণের সঙ্গে ছিলেন, এখনো আছেন। ২০১৭ সাল থেকে এলাকার মানুষের পাশে রয়েছেন তিনি। ২০২৩ সালের উপনির্বাচনে আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া দলের বিপক্ষে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিরুদ্ধে তিনি এলাকায় সমাবেশ করেছেন। এজন্য তিনি অনেক হয়রানির শিকার হয়েছেন। বিষয়টি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জানেন। এ ব্যাপারে তিনিই ভালো সিদ্ধান্ত নেবেন। 

অনুসারীদের ভাষ্য, ‘এখানে রুমিন ফারহানা ছাড়া অন্য কাউকে মনোনয়ন দিলে আসনটি হাতছাড়া হতে পারে।’ ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ আসন (বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২) থেকে রুমিন ফাহানার বাবা ভাষাসংগ্রামী অলি আহাদ নির্বাচন করেছিলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের তাহের উদ্দিন ঠাকুর। ‘বিতর্কিত’ ওই নির্বাচনে তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে ঢাকা থেকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ আছে।

Advertisement

Advertisement

ঘটনাপ্রবাহ: ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন


আরও পড়ুন

সম্পর্কিত খবর

দল করলেই ক্ষমতায় থাকা যায় না: জহির উদ্দিন স্বপন

দল করলেই ক্ষমতায় থাকা যায় না: জহির উদ্দিন স্বপন

বিএনপির উদ্দেশে যা বললেন তাসনিম জুমা

বিএনপির উদ্দেশে যা বললেন তাসনিম জুমা

বিএনপি গণঅভ্যুত্থান ও গণভোটের রায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ ইসলাম

বিএনপি গণঅভ্যুত্থান ও গণভোটের রায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ ইসলাম

গার্মেন্টসে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী

গার্মেন্টসে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী

অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বৈরাচারী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে: প্রধানমন্ত্রী

স্বৈরাচারী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে: প্রধানমন্ত্রী

আরও পড়ুন

দুর্গাপুরে ভারতীয় ১৭টি ষাঁড়-বাছুরসহ পাঁচজন গ্রেফতার

দুর্গাপুরে ভারতীয় ১৭টি ষাঁড়-বাছুরসহ পাঁচজন গ্রেফতার

কেজিতে লোকসান ১১ টাকা পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত আলুচাষি-ব্যবসায়ীরা

পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত আলুচাষি-ব্যবসায়ীরা

টেকনাফের পাহাড়ে মানব পাচারকারীদের বন্দিশালা

টেকনাফের পাহাড়ে মানব পাচারকারীদের বন্দিশালা

হিমালয় থেকে উড়ে রাজারহাটে বিরল প্রজাতির শকুন

বিরল প্রজাতির শকুন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম