ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসন
সরে দাঁড়ালেন আ.লীগ নেতা, ফিরছেন বিএনপিতে
যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০১ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ‘পলাতক’ আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ একে একরামুজ্জামান (সুখন) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ভিডিও বার্তায় একরামুজ্জামান বলেন, ২০০৪ সাল থেকে ২০ বছরের বেশি সময় আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় ধানের শীষের সমর্থনে আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করছি। ভিডিও বার্তাটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার মুঠোফোনে তিনি নিজেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো এবং বিএনপিতে ফেরার বিষয়টি প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন।
একরামুজ্জামানের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর হামলা ও হত্যার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা মেট্রোপলিটনের বিভিন্ন থানায় অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে। পুলিশের খাতায় ‘পলাতক’ থাকা এই ব্যক্তির মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় নাসিরনগর বিএনপি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একরামুজ্জামান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ‘কলার ছড়ি’ প্রতীক নিয়ে প্রথমবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টার পদ লাভ করেন। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ওই নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর কেন্দ্রীয় বিএনপি তাকে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করে।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে এখনো পর্যন্ত বিএনপির কোনো প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেননি। এবার এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হান্নান।
