লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সিতে পাশ, ভাইবা দিতে গিয়ে ৯ জনের কারাদণ্ড
কিশোরগঞ্জ ব্যুরো
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্যদের দিয়ে প্রক্সির মাধ্যমে পাশ করার পর মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা পড়েছেন ৯ পরীক্ষার্থী।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাদের আটক করা হয়। ভাইভা দিতে এসে জালিয়াতি ধরা পড়ায় তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিয়োগ ও বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার মো. জালাল উদ্দিনের ছেলে মো. নিজাম উদ্দিন, পাকুন্দিয়া উপজেলার রজব আলীর ছেলে পিয়াস, হোসেনপুর উপজেলার সেলিমের ছেলে সাব্বির, পাকুন্দিয়া উপজেলার মোস্তফার ছেলে মেহেদী, মিঠামইন উপজেলার আবুল কালামের ছেলে শফিকুল, ইটনা উপজেলার রবি হোসেনের ছেলে নজরুল, তাড়াইল উপজেলার জিলু মিয়ার ছেলে জসিম, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার শফিকুল ইসলামের মেয়ে রাহিমা আক্তার, তাড়াইল উপজেলার দুলাল মিয়ার ছেলে ফয়সাল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভাইভা বোর্ডে আসার পর সব পরীক্ষার্থীদের মতো তাদের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতার লেখা মিলিয়ে দেখা হয়। হাতের লেখায় অমিল থাকায় সন্দেহ তৈরি হলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন- তারা নিজেরা পরীক্ষা দেননি। অন্যদের মাধ্যমে প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাশ করেছেন।
জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল, রাহুল ঘোষ পলাশ, আমিন অর রশিদ, মশিউর রহমান, রিয়াদ হোসেন তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৯ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
নিয়োগ ও বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন, তাদের হাতের লেখা যাচাই করার সময় তারা স্বীকার করে প্রক্সির মাধ্যমে তারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। পরে তাদের ১৫ দিনের করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই কাজের জড়িতদের খুঁজে বের করার জন্য সব তথ্য পুলিশ ও গোয়েন্দাদের দেওয়া হয়েছে।
