অর্পিত সম্পত্তি দখলের দায়ে নড়াইলের একজনের কারাদণ্ড
যশোর ব্যুরো
প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রতারণা ও জালিয়াতির দায়ে নড়াইলের লোহাগড়া এলাকার হাবিবুর রহমান শেখকে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন যশোরের একটি আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক রায়ে স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) নূরুল ইসলাম এ সাজার রায় দিয়েছেন।
সাজাপ্রাপ্ত হাবিবুর রহমান লোহাগড়া উপজেলার সিঙ্গা গ্রামের রাঙ্গা মিয়া শেখের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মহাসিন আলী।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান জাল কাগজপত্র তৈরি করে লোহাগড়া উপজেলার কুন্দসী মৌজার বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্পিত সম্পত্তি নিজ ও তার পিতার নামে নামজারি করার চেষ্টা করেন।
তদন্তে দেখা যায়, তিনি বালাম বইয়ের পাতা পরিবর্তন এবং ভ্যানিশিং কালি ব্যবহার করে নথিপত্রে ঘষামাজা করে মালিকানা প্রমাণের অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধানের মাধ্যমে এই জালিয়াতির সত্যতা খুঁজে পায়। যে কারণে ২০১৫ সালের ২৬ আগস্ট হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে বিচারক দণ্ডবিধির ৪টি ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। এর মধ্যে ৪২০ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। ৪৬৭ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। ৪৬৮ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। ৪৭১ ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
সব ধারার সাজা একইসঙ্গে চলবে বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।
একই সঙ্গে আসামি হাবিবুর রহমান পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
