কুরবানির হাট কাঁপাবে ৩৫ মণের ‘বাদশা’
Advertisement
বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বরিশাল জেলায় এবার গরুর হাট কাঁপাবে বাবুগঞ্জে অস্ট্রেলিয়ান জাতের বিশাল আকৃতির ষাঁড় গরু ‘বাদশা ’। ষাঁড়টি খামার থেকে বের করতে চারজনের সহযোগিতা লাগে। খামারের মধ্যে এই ষাঁড়টি বিশাল দেহের বলে মালিক নাম রেখেছেন বাদশা।
গরুটির আকার-আকৃতি এবং ওজনে বেশি হওয়ায় জেলার সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি করছেন গরুর মালিক কামরুল ইসলাম। তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের যুবদলের আহ্বায়ক ও ৭নং ওয়ার্ডের ভূতেরদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে নানা বয়সে মানুষ ছুটে আসেন শুধু ষাঁড়টি দেখতে। কেউ ছবি তুলছেন কেউ ভিডিও করছেন।
কামরুল ইসলাম পলাশের বাড়িতে লালিত-পালিত হওয়া বাদশা এখন শুধু একটি কুরবানির পশু নয় বরং বাবুগঞ্জ উপজেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দৈর্ঘ্য সাড়ে সাত ফুট এবং উচ্চতা ৬ ফুটের কালো রংয়ের গরুটি সুঠাম দেহের অধিকারী- সহজে নজর কাড়ে গরুটি। সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক উপায়ে ৫ বছর ধরে এই গরুটি লালন-পালন করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অনেকে বলেছেন, বরিশাল জেলার মধ্যে এত বড় ষাঁড় গরু কোথাও দেখে নাই। খামারের মধ্যে তার রাজত্ব বেশি থাকায় এর নাম রাখা হয়েছে ‘বাদশা ’। ষাঁড় গরুটির ওজন ৩৫ মণ।
খামারি পলাশ আরও বলেন, আমি গরুগুলোকে প্রায় নিজের বাড়ির খড়, গমের ছোলা, ভুট্টা, কুড়া ও ঘাস খাইয়ে বড় করেছি। কোনো মোটা-তাজাকরণ ওষুধ খাওয়াইনি।
তিনি জানান, ৫ বছর ধরে বাদশাকে নিজের সন্তানের মতো বড় করেছেন। নিজ হাতে খাওয়ান গোসল করানো সবই করেন তিনি। এই প্রাণীটির সঙ্গে পরিবারের আবেগ জড়িয়ে গেছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার প্রদীপ কুমার সরকার জানান, কামরুল ইসলামের খামারের গরুটি অনেক বড় হয়ে উঠেছে। আমাদের পরামর্শ ও উপদেশ মোতাবেক দেশীয় পদ্ধতিতে গরুটি লালন-পালন করেছেন।
তিনি জানান, উপজেলার ছোট বড় খামারি সংখ্যা ৮৪০ জন। এ বছর কুরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৮৮টি পশু। উপজেলায় কুরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১০ হাজার ৫৯৪টি। ফলে ২ হাজার ৮৯৪টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
