ভারিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালীর অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
ভারিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালীর অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টানা কয়েক দিনের ভারিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সমুদ্রের জোয়ারের লোনা পানি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার পুঁইছড়ি, শেখেরখীল, ছনুয়া, গন্ডামারা, চাম্বল, শীলকুপ, সরল, খানখানাবাদ, বাহারছড়া, পুকুরিয়া, সাধনপুর এলাকাগুলোর সড়ক ও বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে।
মঙ্গলবারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সমুদ্রের জোয়ারের লোনা পানি ও পাহাড়ি ঢলের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে উপজেলার ছনুয়া, খানখানাবাদ, বাহারছড়া, পুকুরিয়া, পৌরসভায়।
এ বিষয়ে পুঁইছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান তারেকুর রহমান বলেন, পাহাড়ি ঢলে নাপোড়া ও শেখেরখীলের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে, ছড়ার দুই পার্শ্বের বাঁধ ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-২ নারগিস সুলতানা চৌধুরী জানান, ছনুয়া উপকূলের পূর্বাঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কয়েকশ বসতঘরে পানি ঢুকে পড়ায় চুলায় আগুন জ্বলেনি ওই সব ঘরে। ফলে অনাহারে দিন কাটছে অনেকের। এছাড়াও ডুবে গেছে মাছের প্রজেক্ট ও গ্রামীণ রাস্তাঘাট।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী অনুপম পাল জানান, কয়েক দিনের ভারিবর্ষণে বৃষ্টির পানিগুলো নেমে যাওয়ার জন্য সব স্লুইস গেটগুলো খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের কয়েকটি টিম এলাকাগুলো পরিদর্শন রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আমরা নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি।
বাঁশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, গত কয়েক দিনের ভারিবর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্ব স্ব ইউনিয়নের ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
