বুড়িচংয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ব্যঙ্গকারীকে সুপারভাইজার, আ.লীগ নেতাকে গণনাকারী নিয়োগের অভিযোগ
কুমিল্লা ব্যুরো
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৮ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জনবল নিয়োগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইউএনও তানভির হোসেনের প্রত্যাহার দাবি করেছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মনির।
রোববার (৯ আগস্ট) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, বুড়িচং উপজেলার ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগের কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রত্যাহার চাই।
ওই বিএনপি নেতার ফেসবুক পোস্টে নেটিজেনরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
ওই পোস্টে বিএনপি নেতা আজাদ খান মন্তব্য করেন, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তদন্তকারী, মাঠ সুপারভাইজার ও মাঠকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিএনপির কর্মীদের রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। তিনি কুমিল্লা-৫ আসনের এমপি হাজি জসীমউদ্দীনের কাছে যাচাই-বাছাই করে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
এদিকে শুক্রবার প্রকাশিত নিয়োগের ফলাফলে বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে মাহমুদুল হাসান নিলয়কে সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গ করে পোস্ট করেছিলেন। একই সঙ্গে ষোলনল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা ওমর ফারুককে গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান মনির বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কার্যক্রমে কীভাবে আওয়ামী লীগের লোকজন পদ পান, তা বোধগম্য নয়। প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে তাদের নিয়োগ দিচ্ছে। যে ব্যক্তি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গ করে পোস্ট করেছেন, তিনি কীভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই নিয়োগ পেলেন? এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একইভাবে আওয়ামী লীগের একজন নেতাকে গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টিও তদন্ত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, অবিলম্বে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভির হোসেনকে প্রত্যাহার করতে হবে। নতুবা আমরা অনশন করতে বাধ্য হব।
এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভির হোসেন বলেন, এখানে পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিতর্কিত কেউ নিয়োগ পেয়ে থাকলে বাদ দেওয়া হবে।
