সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ২
Advertisement
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পাটগাতী মধ্যপাড়া থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত রুঙ্গু শেখের ছেলে আকবর শেখ (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সাদেক আলী কাজীর ছেলে সোহাগ কাজী (৩৬)।
গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া খানকা মাদ্রাসা এলাকায় এ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
পরে ১০ সেপ্টেম্বর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা করেছেন। মামলায় গ্রেফতার দুই যুবকসহ অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট গৃহবধূর স্বামী টুঙ্গিপাড়া থেকে কৃষিকাজের জন্য অন্য জেলায় যান। সেই সুযোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর রাত ২টার দিকে সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে ৪ ব্যক্তি। তখন সন্তানদের মুখ চেপে রেখে গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। গৃহবধূ বাঁচার জন্য এক নম্বর আসামি আকবর শেখের ডান আঙ্গুল কামড়ে দিয়ে ছোটার চেষ্টা করলে সে মুখে ঘুসি দিয়ে তিনটি দাঁত ভেঙে ফেলে। একপর্যায়ে ছেলেমেয়েদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা গৃহবধূকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। তিনি বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বলেন, স্বামী এলাকার বাইরে থাকায় তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়েছিলাম। গভীর রাতে চার ব্যক্তি সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে আমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তখন আকবর ও সোহাগকে চিনতে পারলেও বাকি দুজনকে চিনতে পারিনি। তাদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি।
তবে এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বাড়িতে গেলে তাদের পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।
ওসি আইয়ুব আলী বলেন, এ ঘটনায় গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে মামলা করার পর পুলিশ আকবর ও সোহাগকে গ্রেফতার করে। শুক্রবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
