জামায়াতের ২ নেতাকে ছুরিকাঘাত, বিএনপির ১০ নেতাকর্মীর নামে মামলা
Advertisement
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
সিরাজগঞ্জ সদর থানা
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের লংমার্চকে কেন্দ্র করে দুই জামায়াত নেতাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বিএনপির ১০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫-১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রোববার সকালে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় আহত আব্দুস সবুর শেখের স্ত্রী সহর ভানু বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় উল্লেখিত আসামিরা হলেন- সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, সয়দাবাদ ইউনিয়নের আল-আমিন, সোহাগ, হাসান সেখ, পারভেজ, জুলমাত আলী, হাসান আলী, সানিল, দুলাল সেখ ও আলভী সেখ।
জানা যায়, শনিবার ৮ দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-রংপুর লংমার্চকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড় এলাকায় পথসভার আয়োজন করে জামায়াত। এ কর্মসূচিকে ঘিরে যমুনা সেতুর পশ্চিম সড়কের দুই পাশে সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা অবস্থান করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলে পথসভা শেষে দুপুর সোয়া ১টার দিকে লংমার্চের বহর যমুনা সেতু পেরিয়ে সয়দাবাদ এলাকায় পৌঁছলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতাকর্মী ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। এ সময় সড়কের পাশে থাকা সয়দাবাদ ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির আব্দুস সবুর শেখ ও তার অনুসারীদের সঙ্গে ছাত্রদলের এক নেতার বাগবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে ওই ছাত্রদল নেতা ফোন করলে কয়েকজন সেখানে এসে আব্দুস সবুর শেখ ও নূরুন্নবীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আব্দুস সবুর শেখের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হন। পরে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে তারা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি রাকিবুল হাসান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার রাতেই তারা থানায় অভিযোগ দিয়েছিল। রোববার সকালে সেটা এজাহারভুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি।
