Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

খাতা মূল্যায়নের ভুলে শাস্তি পাচ্ছেন দেড় সহস্রাধিক পরীক্ষক!

Advertisement

Icon

যশোর ব্যুরো

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

খাতা মূল্যায়নের ভুলে শাস্তি পাচ্ছেন দেড় সহস্রাধিক পরীক্ষক!

ফাইল ছবি

Advertisement

এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে ভুলের কারণে যশোর শিক্ষা বোর্ডের দেড় সহস্রাধিক প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষককে শাস্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

তাদের মূল্যায়নের ভুলে ২ হাজার ৪৩৬ জন শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। পুনর্নিরীক্ষণের পর নতুন করে ফেল থেকে পাশ করেছে ৩৮০ জন এবং গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ১ হাজার ৩০৪ জনের। এর মধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৫২ জন শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম হোসেন আলী বলেন, বোর্ড কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। পরীক্ষকদের খাতা মূল্যায়নের বিষয়টিকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যাচাই-বাছাই করছি। সে ক্ষেত্রে তারা কে কী ধরনের ভুল করেছেন, সেগুলো বিবেচনায় রেখে তাদের বিরুদ্ধে কী কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে—সেটি চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

ভুলের মাত্রা অনুযায়ী তাদের শাস্তি যেমন—প্রশ্নপত্র তৈরির কাজ থেকে বিরত রাখা, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করতে না দেওয়া ইত্যাদি।

তিনি বলেন, পরীক্ষকদের এ ধরনের গাফিলতি বা ভুল কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত করা হবে।

যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ১০ আগস্ট চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার মূল ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের পরদিন থেকে টানা সাতদিন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়। এ সময় ২৮ হাজার ৮৬২ জন শিক্ষার্থী মোট ৭৪ হাজার ৭১৭টি পত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। 

এদিকে, পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২ হাজার ৪৩৬ জন পরীক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে মূল ফলাফলে অকৃতকার্য হওয়া ৩৮০ জন শিক্ষার্থী নতুন করে পাশ করেছে। এছাড়া ১ হাজার ৩০৪ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৫২ জন শিক্ষার্থী।

বোর্ডের একটি সূত্র জানায়, পুনর্নিরীক্ষণের পর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন আসার বিষয়টি পর্যালোচনা করে খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি ও ভুল করা পরীক্ষকদের শনাক্ত করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় ১ হাজার ৬৮৪ জন প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষককে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম