ড. খন্দকার মারুফ হোসেন
জাতিসংঘে জিয়া পরিবারের তিন সদস্যের ভাষণ এক ‘নতুন ইতিহাস’
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে তারেক রহমানের ভাষণকে ‘নতুন ইতিহাস’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
তিনি বলেছেন, জিয়া পরিবারের বাবা, মা ও ছেলে—তিন সদস্যই রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন, যা বিশ্বের আর কোনো পরিবারের ক্ষেত্রে ঘটেনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দাউদকান্দি পৌর সদরে ‘ফ্যাসিস্ট আ.লীগের দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার’ প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন, তারেক রহমানের বাবা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন। তাদের পর তারেক রহমানও জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন।
তার ভাষণ জাতিসংঘে ‘নজিরবিহীন ইতিহাস’ হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের ভাষণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতি হিসেবে আমরা গর্বিত ও সম্মানিত হয়েছি।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, জাতিসংঘের ভাষণে তারেক রহমান টেকসই গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে তার আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি, ফার্মার্স ও ই-হেলথ কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাগুলো সমন্বয় করে ভবিষ্যতে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তারেক রহমান। এই কার্ডের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটে সরাসরি প্রণোদনা পৌঁছানো এবং কৃষি ভর্তুকি ও চিকিৎসাসেবা সহজ করার সুযোগ থাকবে।
খন্দকার মারুফ আরও বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তারেক রহমান। এসব বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তাঁর ভাষণ অধিবেশনে উপস্থিত বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের কাছে প্রশংসিত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সমাবেশে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন খন্দকার মারুফ। তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আ.লীগ একদলীয় শাসনের মাধ্যমে বিগত ১৬ বছর দেশের জনগণকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। তাদের নেতা একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা এবং জনগণের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সমাবেশ শেষে ড. খন্দকার মারুফ হোসেনের নেতৃত্বে দাউদকান্দি পৌর সদরে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। দাউদকান্দি পৌর বিএনপি এ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।
দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম. এ. লতিফ ভূঁইয়া, সাবেক সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি নেতা আবদুস সাত্তার, কাউসার আলম সরকার, মাহবুব হোসেন হিরণ, কামাল হোসেন, খন্দকার বিল্লাল হোসেন সুমন, শরীফ চৌধুরী, রোমান খন্দকার, আইরিন সরকার, ফরিদা ইয়াসমিন, ছাত্রদল নেতা মো. রাসেল ও পাভেল আহমেদ লিটন প্রমুখ।
