Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

চঞ্চলের নাম শুনলে রাগে আমার শরীর কাঁপতে থাকে: মারুফ কামাল খান

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম

চঞ্চলের নাম শুনলে রাগে আমার শরীর কাঁপতে থাকে: মারুফ কামাল খান

অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী এবং সাংবাদিক ও লেখক মারুফ কামাল খান। ফাইল ছবি

Advertisement

রাজধানীর ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার প্রেক্ষাগৃহে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তারা ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমাটি উপভোগ করেন। কিন্তু তার আগে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করে- তারা ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে গেছেন। পরে জানা যায় এ তথ্যটি সত্য নয়।

মেয়েকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে সিনেমা হলে গেছেন- শুরুতে এমন খবর সংবাদমাধ্যমে প্রচার হলে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দেন মরহুম বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান। 

তিনি লেখেন, প্রচারিত সংবাদের ওপর আস্থা রেখে আমি নিচের আবেগসঞ্জাত দীর্ঘ স্ট্যাটাসটি দেওয়ার পর জানলাম, প্রধানমন্ত্রী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নয়, ইংরেজি মুভি ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ দেখেছেন। 

গণমাধ্যম শুরুতে যে খবর প্রকাশ করেছিল তার ওপর ভিত্তি করে মারুফ কামাল খান যে স্ট্যাটাসটি দিয়েছিলেন পাঠকের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘আজ প্রধানমন্ত্রী সিনেমা দেখে এলেন। আমার অনুভূতি মিশ্র। আমি আনন্দিত এবং একটু ব্যথিত।

সিনেমা দেখার ব্যাপারটা তারেক রহমানের জন্য নতুন নয়। আমি তখন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে কর্মরত ছিলাম। সেটা ২০০৩ সাল। সে-সময় বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনায় ‘মনের মাঝে তুমি’ ছবিটা মুক্তি পেয়েছিল। মতিউর রহমান পানু ছিলেন পরিচালক। বাংলাদেশি প্রযোজক আব্বাস উল্লাহ্‌ শিকদার আমার সুপরিচিত ছিলেন। তার ভাই তারিকউল্লাহ্‌ শিকদার ছিলেন আমার অতি ঘনিষ্ঠ। এই ফিল্ম হাউসের তৈরি ‘বেদের মেয়ে জোৎসা’ ছবি আগে সুপার ডুপার হিট হয়েছিল। ‘মনের মাঝে তুমি’ বক্স অফিস হিট করলে তখনকার প্রধানমন্ত্রী পুত্র, বিএনপি নেতা তারেক রহমান হলে গিয়ে সস্ত্রীক ছবিটি দেখে মুগ্ধ হন। সে মুগ্ধতার প্রকাশ ও বাংলা ছায়াছবিকে উৎসাহিত করতে তারেক-জুবাইদা রহমান দম্পতি পূর্ণিমার উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি লোক মারফত পাঠিয়েছিলেন ওই চিত্রনায়িকার বাসায়।

আজও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ মুভিটি দেখে এলেন হলে গিয়ে কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে।

এ ছবি দেখা নিয়ে আমার অনুভূতি মিশ্র। হলে গিয়ে ছবি দেখে প্রধানমন্ত্রী বিলুপ্তপ্রায় বাংলা চলচ্চিত্রকে উৎসাহিত করেছেন। এটা খুশি ও আনন্দের ব্যাপার।

তবে একটা কাকতাল কি জানেন? ‘মানের মাঝের তুমি’র নায়ক রিয়াজ খুবই উলঙ্গভাবে আওয়ামী প্রচারবিদের ভূমিকা পালন করেছেন। এর মাধ্যমে নিজের শিল্পী সত্ত্বাকে অসম্মানিত করেছেন রিয়াজ।

আবার বনলতা এক্সপ্রেস ছবির অন্যতম প্রধান চরিত্র চিত্রণ করেছে চঞ্চল চৌধুরী। চঞ্চল ভালো অভিনেতা। তবে হাসিনা ভক্ত ও আওয়ামী সমর্থক। তাতেও আমার আপত্তি নেই। কিন্তু চঞ্চল হাসিনা গংয়ের ফ্যাসিবাদী অপরাধে মদত জুগিয়েছে। গুলশান অফিসে ম্যাডাম খালেদা জিয়াসহ আমাদেরকে যখন তিন মাস অন্যায়ভাবে জবরদস্তি করে আটকে রাখা হয়েছিল, তখন এই চঞ্চল আরও অনেকের সঙ্গে এসে মস্তানি করতো। আমাদের ফাঁসি দাবি করতো। আমাদের ওপর আক্রমণ চালাবার মহড়া করতো। তাই ওর নাম শুনলে বা চেহারা দেখলেই রাগে ক্ষোভে দুঃখে ঘৃণায় আমার শরীর কাঁপতে থাকে।

তারেক রহমান দেশের নেতা৷ তাকে ব্যক্তিগত অনুভূতির ঊর্ধে উঠে সব কিছু বিবেচনা করতে হয়। আমি সামান্য মানুষ। তাই সব কিছু ভুলতে পারি না।

মাফ করবেন৷ একটু ছোটলোকি করে ফেললাম।’

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম