Logo
Logo
×
   

বিনোদন

‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে শর্মিলা ঠাকুরের মন্তব্য, সংকীর্ণ চিন্তাধারা বললেন কঙ্গনা

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম

‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে শর্মিলা ঠাকুরের মন্তব্য, সংকীর্ণ চিন্তাধারা বললেন কঙ্গনা

কঙ্গনা রানাওয়াত ও শর্মিলা ঠাকুর। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে দেশটির বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের একটি বক্তব্যের পর তার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত। 

শর্মিলা ঠাকুর অতি সম্প্রতি বন্দে মাতরমের কিছু অংশ একশ্বরবাদে বিশ্বাসী মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে না মেলার বিষয়টি তুলে ধরলে তার জবাবে শিল্পের স্বাধীন রূপক ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন কঙ্গনা। 

ভারতীয় বার্তা সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শর্মিলা ঠাকুর বলেন, ‘অনেক ধর্মীয় মানুষ আছেন যারা বহু ঈশ্বরে নয়, কেবল এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। বন্দে মাতরমের একটি স্তবকে একাধিক দেব-দেবীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যারা এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য ‘বন্দে কালী’ বা ‘বন্দে দুর্গা’ বলা কিছুটা কঠিন। তাই ভারতের সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে এগোতে চাইলে গানটির প্রথম দুটি স্তবকই সবচেয়ে উপযুক্ত।’ 

শর্মিলা ঠাকুরের এই সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে কঙ্গনা রানাওয়াত লেখেন, ‘বন্দে মাতরম নিয়ে শর্মিলা জি তার আপত্তির কথা সরাসরি তুলে ধরেছেন, বিষয়টিকে আমি সাধুবাদ জানাই। তবে একজন শিল্পী হিসেবে শিল্প বা কবিতার প্রতি তার এমন সংকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ চিন্তাধারা দেখে আমি অবাক হয়েছি। যেকোনো কবিতা বা গানে শব্দগুলো রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একজন কবি বা শিল্পী কাঙ্ক্ষিত বার্তা পৌঁছাতে কল্পনার নানা রূপ ফুটিয়ে তোলেন।’ 

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বন্দে মাতরম হলো আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল চেতনা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গানের মাধ্যমে দেশবাসীকে ভেতরের শক্তিকে জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এত বড় একটি শিল্পকর্মকে কীভাবে শুধু ধর্মীয় অনুশীলনের সঙ্গে তুলনা করা যায়?’ 

স্বামী বিবেকানন্দের একটি উক্তি স্মরণ করিয়ে দিয়ে কঙ্গনা লেখেন, ‘বিবেকানন্দ বলেছিলেন, আমার এমন তরুণ সমাজ প্রয়োজন যাদের শরীর লোহার মতো এবং রগ বজ্রের মতো শক্তিশালী। তিনি কিন্তু সেখানে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছিলেন না; তিনি ভেতরের ‘শক্তি’ বা ক্ষমতার জাগরণ চেয়েছিলেন। দয়া করে এই হিন্দু-মুসলিম মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসুন। এমনকি ডাক্তাররাও মানুষের শারীরিক সামর্থ্যকে শক্তি বলে থাকেন। চলুন আমরা একে অপরকে আপন করে নিই।’ 

শর্মিলা ঠাকুরের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে কঙ্গনা আরও লেখেন, ‘আমি আপনাকে অত্যন্ত ভালোবাসি এবং আপনার সেই উষ্ণ ভালোবাসার আলিঙ্গন মিস করি।’ 

কঙ্গনার এই মন্তব্যের বিষয়ে শর্মিলা ঠাকুরের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .