Logo
Logo
×

Advertisement

বিনোদন

রাশমিকার পাশে বসেই যে কথা বললেন বিজয়

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ পিএম

রাশমিকার পাশে বসেই যে কথা বললেন বিজয়

Advertisement

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির তারকা জুটি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা এ মুহূর্তে নতুন সিনেমা ‘রণবলী’র প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ সিনেমাটি মুক্তির আগে নিজেদের ছোটবেলার কথা শেয়ার করে নিয়েছেন এ তারকা দম্পতি।

দুজনেরই শৈশব কেটেছে স্কুল ছাত্রাবাসে। তবে দুজনের অভিজ্ঞতা ছিল একেবারে ভিন্ন। ছেলেদের ছাত্রাবাসে দীর্ঘ সময় কাটানোর কারণে মেয়েদের সঙ্গে কথা বলতেই ভয় পেতেন অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা। অন্যদিকে ভাষা ও উচ্চারণের কারণে স্কুলে বারবার কোণঠাসা হতে হয়েছিল রাশমিকা মান্দানাকে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিজয় বলেন, 'আমি হায়দরাবাদে জন্মেছি। ছয় বছর বয়সে আমাকে অন্ধ্রপ্রদেশের একটি স্কুলে পাঠানো হয়। সেখানে ছেলেদের ছাত্রাবাস ছিল। ছয় থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত সেখানেই বড় হয়েছি। দশম শ্রেণি পাশ করার পর হায়দরাবাদে ফিরে আসি।' 

টানা ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত সেই স্কুলেই ছিলেন বিজয়। এককথায় শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়টাই কেটেছে হোস্টেলে থেকে। আর সেই স্কুলে ভীষণ কড়া নিয়মকানুন ছিল। বছরে প্রায় ১০ মাস স্কুলেই থাকতে হতো। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য বাড়ি ফিরতেন মাত্র দুই মাস। দুই সপ্তাহে একবার একটি করে ছবি দেখানো হতো। নারী শিক্ষক ছাড়া মেয়েদের সঙ্গে প্রায় কোনো যোগাযোগই ছিল না।

এ কারণে মেয়েদের সঙ্গে কথা বলার অভ্যাস তৈরি হয়নি বিজয়ের। 

অভিনেতা বলেন, 'ছয় বছর থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত ছেলেদের হোস্টেলে থাকলে এমনটাই হয়। নারী শিক্ষক ছাড়া কোনো মেয়েকে দেখতাম না। দূর থেকে মেয়েদের দেখা যেন আলাদা কোনো বিষয় ছিল।' 

বিজয় বলেন, স্কুলে ছেলেমেয়েদের একে অপরের দিকে তাকানো প্রায় নিষিদ্ধ ছিল। ফলে হায়দরাবাদে ফিরে আসার পরও দীর্ঘ সময় কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে পারেননি তিনি। 

তিনি বলেন, বয়োসন্ধির সময়ে বাড়ি ফিরলাম। স্বাভাবিকভাবেই মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হচ্ছিল, কিন্তু তাদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয়, সেটাই জানতাম না। প্রথম দুই বছর কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বলিনি। স্কুলের বাসে মেয়েরা কথা বলতে এলে জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকতাম বলে জানান বিজয় দেবেরাকোন্ডা।

মেয়েরা বরং তার এ আচরণকে মজার কিংবা আকর্ষণীয় মনে করতেন। তাকে নিজেদের পাশে বসে গল্প করার জন্য ডাকতেন। কিন্তু বিজয় চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ভয় পেতেন। তাই জানালার বাইরে তাকিয়েই কথা বলতেন। 

এ অভিনেতা বলেন, সেই সময় বুক ধড়ফড় করত। শেষ পর্যন্ত কলেজে পড়ার সময়ে নিজের ভয় কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। বিজয় বলেন, একদিন মনে হয়েছিল— 'এত ভয় পাওয়ার কী আছে?' এরপর বিকম পড়তে গিয়ে প্রথম যে সুন্দরী মেয়েটিকে দেখেছিলেন তার সঙ্গেই গিয়ে কথা বলেন।

অন্যদিকে বিজয়ের থেকে একেবারে আলাদা অভিজ্ঞতা ছিল রাশমিকা মান্দার। তার ছোটবেলার সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল— ভাষা। ছোটবেলায় তার প্রথম ভাষা ছিল তামিল। তাই কুর্গের স্কুলে গিয়ে হঠাৎ ইংরেজিতে কথা বলতে বলা হলে তিনি একেবারে চুপ করে যেতেন। রাশমিকা বলেন, কেউ ইংরেজিতে কিছু জিজ্ঞাসা করলেই আমি থমকে যেতাম। কিছুই বলতে পারতাম না।

অভিনয় জগতে আসার পরও ভাষা এবং উচ্চারণ নিয়ে মন্তব্য শুনতে হয়েছে তাকে। কেউ বলেছেন তার উচ্চারণ আলাদা, কেউ আবার অভিনয়ের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। 

এ প্রসঙ্গে রাশমিকা মান্দানা বলেন, এ ধরনের মন্তব্য তাকে আর বিশেষ অবাক করে না।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

দিদির দেওয়া উপহারই যেভাবে বদলে গিয়েছিল রণবীরের জীবন

দিদির দেওয়া উপহারই যেভাবে বদলে গিয়েছিল রণবীরের জীবন

‘ভারতে শান্তি পাই না’ মন্তব্য করে বিতর্কে সঞ্জয় দত্ত

‘ভারতে শান্তি পাই না’ মন্তব্য করে বিতর্কে সঞ্জয় দত্ত

বাংলার মসলিন পরে প্যারিস মাতালেন জাহ্নবী

বাংলার মসলিন পরে প্যারিস মাতালেন জাহ্নবী

ডিপফেইক ভিডিও অনলাইনে, অবশেষে মুখ খুললেন জাহ্নবী

ডিপফেইক ভিডিও অনলাইনে, অবশেষে মুখ খুললেন জাহ্নবী

সেলফির মুহূর্তে গাল টেনে ধরলেন ভক্ত, হতভম্ব অভিনেত্রী

সেলফির মুহূর্তে গাল টেনে ধরলেন ভক্ত, হতভম্ব অভিনেত্রী

'যিনি সংসার ভাঙছেন ঈশ্বর তাকে দেখে নেবেন'

'যিনি সংসার ভাঙছেন ঈশ্বর তাকে দেখে নেবেন'

আরও পড়ুন

বিজেপিতে যোগ দেওয়া কোয়েলকে কটাক্ষ শ্রীলেখার

বিজেপিতে যোগ দেওয়া কোয়েলকে কটাক্ষ শ্রীলেখার

‘আমার থেকে বেশি আমাকে বোঝে শুভ’, দাদাগিরিতে দেব

‘আমার থেকে বেশি আমাকে বোঝে শুভ’, দাদাগিরিতে দেব

রাশমিকার পাশে বসেই যে কথা বললেন বিজয়

রাশমিকার পাশে বসেই যে কথা বললেন বিজয়

ইতালির উৎসবে সেরা ‘মাস্টার’

ইতালির উৎসবে সেরা ‘মাস্টার’

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম