Logo
Logo
×

Advertisement

আনন্দ নগর

সিনেমা উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়

বছরে আড়াই হাজারেরও বেশি সিনেমা তৈরি করে নাইজেরিয়া!

Advertisement

এফ আই দীপু

এফ আই দীপু

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বছরে আড়াই হাজারেরও বেশি সিনেমা তৈরি করে নাইজেরিয়া!

‘লিভিং ইন বন্ডেজ’ সিনেমার একটি দৃশ্য।

Advertisement

একসময় নাইজেরিয়ার সিনেমা মানেই ছিল কম বাজেট, দ্রুত নির্মাণ আর ঘরোয়া দর্শকের জন্য তৈরি ভিডিওচিত্র। সিনেমাহলের বদলে ভিসিআর কিংবা ডিভিডিই ছিল প্রধান ভরসা। সেই নলিউড এখন আফ্রিকার সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম শক্তিশালী বাহক। শুধু তা-ই নয়, সিনেমা নির্মাণের সংখ্যার বিচারে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চলচ্চিত্রশিল্পও এখন নাইজেরিয়ার। ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যামিনিস্ট্রেশন-এর তথ্যমতে, প্রতি বছর আড়াই হাজারের বেশি সিনেমা নির্মিত হয় দেশটিতে! তালিকায় তারা ভারতের ঠিক পেছনেই। নাইজেরিয়ার বিনিয়োগ উন্নয়ন কমিশনের হিসাবে দেশটির ক্রিয়েটিভ ইকোনমির মূল্য প্রায় ৬.৪ বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ নলিউড। একই সূত্রে জানা যায়, বিনোদন খাতের প্রবৃদ্ধি বছরে প্রায় ৮.৮ শতাংশ।

নাইজেরিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তথা নলিউডের শক্তির জায়গাটি শুরু থেকেই ছিল এর গতি ও দর্শক বোঝার ক্ষমতা। ১৯৯২ সালে ‘লিভিং ইন বন্ডেজ’ সিনেমার সাফল্যকে আধুনিক নলিউডের অন্যতম সূচনাবিন্দু হিসাবে ধরা হয়। এরপর ডিজিটাল ক্যামেরা, সস্তা নির্মাণপ্রযুক্তি এবং ভিডিওভিত্তিক বিতরণব্যবস্থা পুরো শিল্পকে বদলে দেয়। একসময় সপ্তাহে প্রায় ৫০টি পর্যন্ত সিনেমা নির্মাণ হতো। বছরে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি সিনেমা তৈরির এ বিশাল উৎপাদনক্ষমতাই নলিউডকে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ফিল্ম সেন্টারে পরিণত করেছে।

তবে ‘বেশি সিনেমা’ মানেই ‘ভালো সিনেমা’-এ সমীকরণ নলিউডের ক্ষেত্রে সবসময় কাজ করেনি। দ্রুত মুনাফার জন্য কম বাজেটে তাড়াহুড়া করে সিনেমা বানানোর প্রবণতা ছিল দীর্ঘদিন। গল্পে পুনরাবৃত্তি, সীমিত লোকেশন, দুর্বল প্রযুক্তি এবং পাইরেসির মতো সমস্যা শিল্পটির বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ইউনেসকোর বিশ্লেষণেও নলিউডের দ্রুত বিস্তারের পাশাপাশি অর্থায়ন, অবকাঠামো ও বিতরণব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কথা উঠে এসেছে।

কিন্তু গত এক দশকে চিত্রটি দ্রুত বদলেছে। উন্নত ক্যামেরা, পোস্ট-প্রোডাকশন, আন্তর্জাতিক মানের চিত্রনাট্য এবং পেশাদার প্রযোজনার ফলে নলিউডের সিনেমা এখন শুধু নাইজেরিয়ার দর্শকের জন্য তৈরি হচ্ছে না। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে শুরু করে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত আফ্রিকান প্রবাসীদের কাছেও এসব সিনেমার বড় দর্শকগোষ্ঠী তৈরি হয়েছে।

এই পরিবর্তনের অন্যতম বড় অনুঘটক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম। নেটফ্লিক্স নাইজেরিয়ার স্থানীয় কনটেন্টে বিনিয়োগ করে নলিউডকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও-ও নাইজেরিয়ার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করেছে। ফলে স্থানীয় গল্প, অভিনেতা ও নির্মাতারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পেয়েছেন।

তবে স্ট্রিমিংয়ের গল্পটিও এখন নতুন মোড় নিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নেটফ্লিক্স ও অ্যামাজন প্রাইম আফ্রিকায় নিজেদের অরিজিনাল কনটেন্ট বিনিয়োগ ও কার্যক্রম কিছুটা কমিয়েছে। ২০২৪ সালে অ্যামাজন প্রাইম আফ্রিকায় তাদের কর্মীসংখ্যা কমানোর পাশাপাশি অরিজিনাল কনটেন্ট অধিগ্রহণও সংকুচিত করে। নেটফ্লিক্সও নাইজেরিয়ার অরিজিনাল কনটেন্ট গ্রহণের গতি কমিয়েছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যায় এর পেছনে মূল কারণ লাভজনকতা।

তাহলে কি নলিউডের উত্থান থেমে গেছে? বরং তার বিপরীত চিত্রই দেখা যাচ্ছে। স্ট্রিমিং জায়ান্টদের কিছুটা পশ্চাদপসরণের জায়গা দখল করছে ইউটিউব ও স্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। ২০২৫ সালে ‘লাভ ইন এভরি ওয়ার্ড’ সিনেমাটি ইউটিউবে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ১০ লাখ এবং তিন দিনে ৫০ লাখ ভিউ অতিক্রম করে। ঘটনাটি দেখিয়ে দেয়, নলিউডের দর্শক এখন কেবল সিনেমা হল বা বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরশীল নয়।

সিনেমাহলের বাজারও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালের নাইজেরিয়া বক্স অফিস ইয়ারবুক অনুযায়ী, দেশটিতে সিনেমাহলের সংখ্যা ২০২৪ সালের ১০৭টি থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ১২২টিতে দাঁড়িয়েছে। পর্দার সংখ্যা হয়েছে ৩৬৯। ২০২৫ সালে মোট ২৪৮টি সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এবং মোট দর্শকসংখ্যা ছিল প্রায় ২৭ লাখ ৯৫ হাজার। একই বছরে মোট বক্স অফিস আয় দাঁড়ায় প্রায় ১৫.৬ বিলিয়ন নাইরা।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, স্থানীয় সিনেমার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের নাইজেরিয়া বিষয়ক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে নাইজেরিয়ার মিডিয়া ও বিনোদন খাত-সংগীতসহ-দেশটির জিডিপিতে প্রায় ১.৯৭ ট্রিলিয়ন নাইরা বা ১.৪ বিলিয়ন ডলার অবদান রেখেছে। ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে নলিউডের বক্স অফিস আয় ৫ বিলিয়ন নাইরা ছাড়ায় এবং মোট বক্স অফিস আয়ের ৫৬ শতাংশ আসে স্থানীয় সিনেমা থেকে।

প্রশ্ন উঠতে পারে, যে দেশে সিনেমাহলের সংখ্যা মাত্র ১২২, সেখানে এত সিনেমা কোথায় প্রদর্শিত হয়? নাইজেরিয়ার সিনেমাশিল্প বা নলিউড বছরে ২৫০০-এর বেশি সিনেমা নির্মাণ করলেও, এগুলো প্রথাগত সিনেমাহলে স্ক্রিনিংয়ের উদ্দেশ্যে তৈরি হয় না। সিনেমাহলের বাইরে এ বিপুল পরিমাণ সিনেমা মূলত বিকল্প ও বৈচিত্র্যময় মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পৌঁছায়। এর মধ্যে রয়েছে-

* স্ট্রেট-টু-ডিভিডি এবং লোকাল মার্কেট (ঐতিহাসিক ও মূল ভিত্তি)

নলিউডের উত্থানই হয়েছে হোম ভিডিও বা ডিভিডি সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে। নাইজেরিয়ার সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার যেমন-লাগোসের ইদুমোতা, আলাবা কিংবা ওনিৎসার খোলা বাজারে সিনেমাগুলো সরাসরি ডিভিডি এবং ভিসিডি আকারে লাখ লাখ কপি বিক্রি ও ভাড়া দেওয়া হয়। এটিই তাদের আয়ের প্রধান উৎস।

* টেলিভিশন চ্যানেল ও ক্যাবল নেটওয়ার্ক

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ক্যাবল নেটওয়ার্কগুলো নলিউড ফিল্মের অন্যতম বড় ক্রেতা। আফ্রিকাজুড়ে জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টিভি নেটওয়ার্ক ‘আফ্রিকা ম্যাজিক (ডিএসটিভি)’ এবং ফরাসি গ্রুপ ‘ভিভেন্দি চ্যানেল প্লাস’ নাইজেরিয়ার এই সিনেমাগুলো কিনে তাদের ২৪ ঘণ্টার ডেডিকেটেড চ্যানেলগুলোতে অবিরত সম্প্রচার করে।

* ইউটিউব

বর্তমান সময়ে ইউটিউব নলিউডের জন্য একটি বিশাল ও মুক্ত ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। কম বাজেটে তৈরি সিনেমাগুলো নির্মাতারা সরাসরি ইউটিউবের বিভিন্ন জনপ্রিয় চ্যানেলে (যেমন : নলিউডলাভ) আপলোড করে ভিউ এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরাসরি আয় করেন।

* বৈশ্বিক ও স্থানীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম (ওটিটি)

ডিজিটাল বিপ্লবের ফলে এখন বড় এবং মাঝারি বাজেটের সিনেমাগুলো সরাসরি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে।

▶ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম : নেটফ্লিক্স এবং অ্যামাজন প্রাইম ইদানীং প্রচুর নাইজেরিয়ান সিনেমা লাইসেন্স করছে এবং সরাসরি তাদের প্ল্যাটফর্মে রিলিজ দিচ্ছে।

▶ স্থানীয় প্ল্যাটফর্ম : নাইজেরিয়ার নিজস্ব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম যেমন- আইরকটিভি (যাকে নলিউডের নেটফ্লিক্স বলা হয়) এবং নতুন পে-পার-ভিউ প্ল্যাটফর্ম সার্কিটস-এর মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসেই ইন্টারনেটে এ সিনেমাগুলো দেখেন।

* লোকাল ভিডিও ক্লাব এবং ভিউয়িং সেন্টার

নাইজেরিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বা বস্তি এলাকাগুলোতে, যেখানে মানুষের নিজস্ব টিভি বা ইন্টারনেট নেই, সেখানে ছোট ছোট কমিউনিটি সিনেমা, ভিডিও ক্লাব বা ভিউয়িং সেন্টার (টিনের চাল বা ছোট ঘর) রয়েছে। সেখানে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে প্রজেক্টর বা বড় টিভিতে সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে নলিউডের সিনেমা দেখানো হয়।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, নলিউডের সিনেমাগুলো থিয়েটার বা সিনেমাহল-কেন্দ্রিক নয়, বরং এটি একটি ‘হোম এবং পার্সোনাল স্ক্রিন’ভিত্তিক সিনেমাশিল্প।

নলিউডের আরেকটি বড় শক্তি হলো এর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। ইংরেজির পাশাপাশি ইয়োরুবা, ইগবো, হাউসা ও অন্যান্য স্থানীয় ভাষার গল্প, লোকবিশ্বাস, পারিবারিক সম্পর্ক, ধর্মীয় ও সামাজিক দ্বন্দ্ব সিনেমার বিষয় হয়ে উঠছে। ফলে নলিউড শুধু বিনোদন দিচ্ছে না, বিশ্বদর্শকের কাছে নাইজেরিয়ার সমাজ ও সংস্কৃতিরও একটি জানালা খুলে দিচ্ছে। নাইজেরিয়ার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনেও সিনেমাকে দেশটির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ বিশ্বে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসাবে দেখা হচ্ছে।

তবে সামনে চ্যালেঞ্জও কম নয়। সিনেমাহলের স্বল্পতা, উচ্চ টিকিটমূল্য, পাইরেসি, নির্মাণ ব্যয়, মানসম্মত অবকাঠামোর অভাব এবং আন্তর্জাতিক বিতরণব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এখনো শিল্পটির বড় সমস্যা। ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ২০ কোটি মানুষের দেশ নাইজেরিয়ায় ২০২৪ সালে সিনেমাহল ছিল আনুমানিক ১০২টি-যদিও পরবর্তী সময়ে হলের সংখ্যা বেড়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেক দর্শকের কাছে সিনেমাহলের টিকিটও বাড়তি ব্যয় হয়ে উঠছে।

তারপরও নলিউডের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো-এটি নিজের দর্শক নিজেই তৈরি করেছে। হলিউডের বিপুল বাজেট বা বলিউডের তারকানির্ভর মডেল অনুসরণ না করে নাইজেরিয়ার নির্মাতারা স্থানীয় গল্প, পরিচিত সামাজিক বাস্তবতা এবং আফ্রিকান পরিচয়কে পণ্যে পরিণত করেছেন। সেই গল্পই এখন আফ্রিকার সীমানা পেরিয়ে বৈশ্বিক দর্শকের কাছে পৌঁছাচ্ছে।

সংখ্যার বিচারে নলিউড হয়তো বলিউডের পরেই; কিন্তু এর আসল শক্তি শুধু আড়াই হাজার সিনেমা বছরে তৈরি করার সক্ষমতায় নয়। সীমিত সম্পদ থেকে বিশাল দর্শক তৈরি করা, স্থানীয় সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যাওয়া এবং ডিজিটাল যুগের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই নলিউডকে আলাদা করেছে। ৬.৪ বিলিয়ন ডলারের নাইজেরীয় ক্রিয়েটিভ ইকোনমির এই সিনেমা-শক্তি তাই এখন শুধু একটি জাতীয় শিল্প নয়-আফ্রিকার বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক উপস্থিতির অন্যতম প্রধান উৎস।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

নাইজেরিয়ায় ডিপথেরিয়ার প্রাদুর্ভাবে ৩১ জনের মৃত্যু

নাইজেরিয়ায় ডিপথেরিয়ার প্রাদুর্ভাবে ৩১ জনের মৃত্যু

কে কার প্রতিদ্বন্দ্বী

বলিউড বনাম দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা কে কার প্রতিদ্বন্দ্বী

নতুন দুই সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাঁধন

নতুন দুই সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাঁধন

শুটিংয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন অপূর্ব

শুটিংয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন অপূর্ব

‘এই বয়সে এসে বিয়ের তাগিদও অনুভব করি না’, কেন বললেন রাইমা সেন?

‘এই বয়সে এসে বিয়ের তাগিদও অনুভব করি না’, কেন বললেন রাইমা সেন?

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় চিরবিদায়ে মুস্তাক খান

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় চিরবিদায়ে মুস্তাক খান

আরও পড়ুন

বিশ্ব সিনেমার হালচাল বক্স অফিসে কে এগিয়ে

বক্স অফিসে কে এগিয়ে

ছোটকাকুকে নিয়ে দুই দিনের উৎসব

ছোটকাকুকে নিয়ে দুই দিনের উৎসব

টুকরো খবর অস্কারে বিদেশি সিনেমা বিভাগে বাংলাদেশের ‘রইদ’

অস্কারে বিদেশি সিনেমা বিভাগে বাংলাদেশের ‘রইদ’

হাসপাতাল ছাড়লেন ‘রইছ’, কাটেনি শঙ্কা

হাসপাতাল ছাড়লেন ‘রইছ’, কাটেনি শঙ্কা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম