Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

আবারও লেবানন-ইসরাইল চুক্তি প্রত্যাখ্যান করল হিজবুল্লাহ

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৭ পিএম

আবারও লেবানন-ইসরাইল চুক্তি প্রত্যাখ্যান করল হিজবুল্লাহ

হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম আবারও লেবানন-ইসরাইলের মধ্যে হওয়া কাঠামোগত চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

Advertisement

হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম আবারও লেবানন-ইসরাইলের মধ্যে হওয়া কাঠামোগত চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী কোনোভাবেই ‘আত্মসমর্পণ’ করবে না।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে কাসেম বলেন, ‘আমরা এই কাঠামোগত চুক্তির বিরোধিতা করি এবং এর ভাঙ্গন চাই।’ খবর এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড-এর। 

গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ইসরাইলের ওপর হামলা চালানোর পর দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। এর জবাবে ইসরাইল ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান চালায়। লেবাননের কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সরাসরি আলোচনার পর গত জুনের শেষ দিকে লেবানন ও ইসরাইল একটি কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছায়। চুক্তিতে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা, দক্ষিণ লেবানন থেকে ধাপে ধাপে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং পরীক্ষামূলক অঞ্চল বা ‘পাইলট জোন’ থেকে শুরু করে সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়।

তবে এই চুক্তিকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন কাসেম। তিনি বলেন, ‘এই কাঠামোগত চুক্তি অবৈধ, বেআইনি, অপমানজনক এবং লেবাননের সার্বভৌমত্বের জন্য ধ্বংসাত্মক।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পাইলট জোন কিংবা এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত কোনো ব্যবস্থাই মেনে নেব না।’ একই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত কোনো যাচাই-বাছাই ব্যবস্থারও বিরোধিতা করেন তিনি।

চলতি মাসের শুরুতে রোমে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর একটি লেবানিজ সূত্র জানায়, পাইলট জোন বাস্তবায়ন তদারকির জন্য সম্ভাব্য কয়েকটি দেশের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা নিয়ে ঐকমত্য হয়েছে। ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্ধারিত এলাকাগুলোতে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো অপসারণের দায়িত্ব থাকবে লেবাননের সেনাবাহিনীর ওপর।

আগামী সেপ্টেম্বরের শুরুতে নতুন দফা আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

এদিকে গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক এবং পরে লেবানন-ইসরাইল চুক্তির পর সহিংসতা কিছুটা কমলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ এবং ভবন ধ্বংসের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।   

ইসরাইলি বাহিনী বর্তমানে সীমান্তঘেঁষা লেবাননের ভেতরে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীর একটি ঘোষিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’-এ অবস্থান করছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) শুক্রবার জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে নাবাতিয়েহ অঞ্চলে, একাধিক ইসরাইলি বিমান হামলা হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওই এলাকায় হামলার মাত্রা বেড়েছে।

নাইম কাসেম বলেন, তার সংগঠন ২০২৪ সালের নভেম্বরে হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার পক্ষে রয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল আগের সংঘাতের অবসান ঘটানো।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা মাথা উঁচু করে থাকব এবং কখনো আত্মসমর্পণ করব না।’

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম