মেলানিয়া কেন ‘স্যার’ ডাকেন, সমাবেশে জানালেন ট্রাম্প
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টেক্সাসে এক নির্বাচনি সমাবেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার স্ত্রী মেলানিয়া তাকে নাম ধরে ডাকেন না। এমনকি আদর করেও কোনো নামে ডাকেন না। বরং তিনি ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) টেক্সাসে রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের পক্ষে প্রচারে গিয়ে ট্রাম্প এ কথা বলেন।
সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প প্যাক্সটনের প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকোকে নিয়ে কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি আবারও দাবি করেন, তালারিকো ভেগান। অর্থাৎ তিনি মাংস ও প্রাণিজ খাবার খান না। তবে তালারিকো বারবার এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
‘ভেগান’ শব্দটির উচ্চারণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প মেলানিয়ার প্রসঙ্গ টানেন। তিনি জানান, মেলানিয়া তাকে একবার সংশোধন করে বলেছিলেন, শব্দটি কীভাবে উচ্চারণ করতে হয়। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, মেলানিয়া তাকে বলেছিলেন, স্যার, আপনাকে আমার একটা উপকার করতে হবে—এটা ওইভাবে নয়, এভাবে উচ্চারণ করতে হবে।
এরপর ট্রাম্প আবারও তালারিকোকে ভেগান বলে দাবি করেন। কৌতুকের সুরে বলেন, তালারিকো শুধু একটু লেটুস খেতে চান। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক কারণে তালারিকোকে মাংস খেতে হচ্ছে। এ কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও মন্তব্য করেন। তার দাবি, নির্বাচনি প্রচারের জন্য তালারিকোকে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে গিয়ে মাংস খেতে হয়েছে।
তবে তালারিকো কখনো নিজেকে ভেগান বা নিরামিষভোজী হিসেবে দাবি করেননি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় মাংসের ব্যবহার কমানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তার কিছু মন্তব্য থেকেই রিপাবলিকানদের এ ধরনের প্রচারণার সূত্রপাত। পালটা বক্তব্যে তালারিকো বলেছেন, তিনি বহুদিন ধরেই বারবিকিউ খেয়ে আসছেন।
এদিকে টেক্সাসের সিনেট নির্বাচনে তালারিকো সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে প্যাক্সটনের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। একটি সাম্প্রতিক সিয়েনা কলেজ জরিপে তালারিকো ৫১ শতাংশ সমর্থন নিয়ে প্যাক্সটনের ৪৫ শতাংশের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। অন্য একটি ফক্স নিউজ জরিপেও তিনি ৫১-৪৯ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।
টেক্সাসে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে সর্বশেষ কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন লয়েড বেন্টসেন, ১৯৮৮ সালে। তালারিকো জয়ী হলে দীর্ঘ সময় পর টেক্সাসে ডেমোক্র্যাটদের বড় রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট

-6ac77f9ccd744.jpg)