ফ্লাভিও বলসোনারো কে, লুলার কাছে হারার পর কেন তিনি ব্রাজিল ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন?
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৭ পিএম
ফ্লাভিও বলসোনারো ও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারো। অথচ আদালত তাকে তার পাসপোর্ট জমা দিতে বলেছিল।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে একটি বিমান থেকে নামতে দেখা যায়। খবর বিবিসি বাংলার।
ডানপন্থি এই সেনেটরের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগে তদন্ত চলছে। তবে তার বিরুদ্ধে এখনো কোনো অভিযোগ গঠন করা হয়নি এবং তিনি সব ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এই ঘটনাটি ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই ঘটনাটি ব্রাজিলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
ফ্লাভিও বোলসোনারো কে?
৪৫ বছর বয়সি ফ্লাভিও বলসোনারো ব্রাজিলের একজন সেনেটর। তিনি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বড় ছেলে। দীর্ঘদিন ধরেই তাকে বাবার রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছিল।
২০২৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ডানপন্থি লিবারেল পার্টির প্রার্থী হন। নির্বাচনের আগে অনেকেই মনে করছিলেন, বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলার উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে তিনিই এগিয়ে রয়েছেন।
জনমত জরিপগুলোতেও তাকে লুলার চেয়ে এগিয়ে থাকতে কিংবা সমান অবস্থানে দেখা যাচ্ছিল।
নির্বাচনের প্রথম দফায় জয়ী হলেও ২৫শে অক্টোবর দ্বিতীয় দফার ভোটে অল্প ব্যবধানে লুলার কাছে হেরে যান বলসোনারো।
তবে তিনি এখনো পরাজয় স্বীকার করেননি। বরং নির্বাচনের ফল বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
তার অভিযোগ, ভোটের দিন ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্তে অন্যায্যভাবে সুবিধা পেয়েছেন লুলা। যদিও ব্রাজিলের নির্বাচন কর্তৃপক্ষ লুলাকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে।
দেশটির সুপ্রিম ইলেক্টোরাল কোর্টের প্রেসিডেন্ট কাসিও নুনেস মার্কেস বলেছেন, ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোর কারণে নির্বাচনের ফলাফলে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
উল্লেখ্য, মার্কেসকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন ফ্লাভিওর বাবা জাইর বলসোনারো।
ফ্লাভিও বলসোনারোর নিজের দলও নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছে। তবে ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি আরও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছে দলটি।
এদিকে, নির্বাচনে পরাজয়ের পাশাপাশি অনেক ধরনের আইনি জটিলতারও মুখোমুখি বলসোনারো।
অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন আর্থিক অপরাধের সন্দেহে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে তার নির্বাচনি প্রচারে অবৈধ বিদেশি অর্থায়ন ও হস্তক্ষেপের অভিযোগও খতিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলসোনারো। এগুলোকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বর্ণনা করেছেন।
সেনেটর হিসেবে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৭ সালের শুরুর দিকে।
এরপর তিনি বর্তমানে যেসব পার্লামেন্টারি আইনি সুরক্ষা ভোগ করছেন, সেগুলো হারিয়ে ফেলবেন এবং তখন তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কিছু অপরাধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হতে পারে।
তিনি কেন ব্রাজিল ছেড়েছেন?
ফ্লাভিও বলসোনারো কেন দেশ ছেড়েছেন, সেটিই এখন অন্যতম বড় প্রশ্ন।
সোমবার ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেক্সান্দ্রে দে মোরায়েস তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
তদন্ত চলাকালে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন, এমন আশঙ্কা থেকেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়।
সেনেটর হিসেবে বলসোনারোর দু'টি পাসপোর্ট রয়েছে। একটি কূটনৈতিক, অন্যটি ব্যক্তিগত।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আদালত বলেছে যে বলসোনারোর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তার বিপুল আর্থিক স্বচ্ছলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার পাসপোর্ট জব্দেরও নির্দেশ দিয়েছে।
যদিও শুরুতে দেশ ছেড়ে পালানোর আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছিলেন বলসোনারো।
নির্বাচনে পরাজয়ের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, আমি কখনো দেশ ছাড়ার কথা ভাবিনি।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট জমা দেননি তিনি।
এরপর ব্রাজিলের কর্তৃপক্ষ তার পাসপোর্টগুলো বাতিল করে।
তবে এর মধ্যেই খবর আসতে থাকে, পাসপোর্ট বাতিলের আগেই ব্রাজিল ছেড়ে চলে গেছেন বলসোনারো।
আর্জেন্টিনার অভিবাসন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার গভীর রাতে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ব্রাজিলের স্থলসীমান্ত পেরিয়ে আর্জেন্টিনায় প্রবেশ করেন তিনি।
এরপর সেখান থেকে একটি ব্যক্তিগত বিমানে করে ইকুয়েডরের গুয়াইয়াকিল শহরের উদ্দেশে রওনা হন।
তবে ইকুয়েডরের কর্তৃপক্ষ প্রকাশ্যে তার সেখানে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
বলসোনারো কিংবা তার প্রতিনিধিরাও তখন তার অবস্থান জানাননি।
ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান।
এর আগে মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, বলসোনারো ও তার পরিবার ভিসার আবেদন করলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ভিসা দেবে এবং দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেবে।
বুধবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আমরা তাকে দেশে (যুক্তরাষ্ট্রে) আসার অনুমতি দিয়েছিলাম। তবে বলসোনারোর বিবৃতিতে যেসব দাবি করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
ট্রাম্প বলেন, আমি এসবের মধ্যে জড়াব না। নির্বাচনটি যে খুবই অদ্ভুত ছিল, তা নিশ্চিত।
তিনি আরও বলেন, তার মতে বলসোনারো এবং তার পরিবারের সঙ্গে অত্যন্ত অন্যায় আচরণ করা হয়েছে।
বলসোনারোর দেশত্যাগের সমালোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট লুলা।
তার মতে, ব্রাজিলে থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়া উচিত ছিল বলসোনারোর।
তবে বলসোনারোর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ নিয়েও ব্রাজিলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
দেশটির সংবাদপত্র ফোলিয়া দে সাও পাওলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লুলা সরকারের কয়েকজন সদস্য ব্যক্তিগত আলোচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তাদের আশঙ্কা, নির্বাচনের ফল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এমন নির্দেশ দেওয়ায় বলসোনারোর সমর্থকেরা এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে পারেন। এতে দেশটির রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর হতে পারে।
বিশেষ করে সমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করছেন যে বলসোনারো পরিবারের বিরুদ্ধে ব্রাজিলের বিচার বিভাগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবস্থা নিচ্ছে। এই ঘটনা সেই অভিযোগকে আরও জোরালো করতে পারে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বলসোনারোরা এত ঘনিষ্ঠ কেন?
ফ্লাভিও বলসোনারোর আকস্মিক যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বলসোনারো পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের বিষয়টিকে আবারও সামনে এনেছে।
রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন জাইর বলসোনারো ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন এবং তাদের একই ধরনের রাজনৈতিক শৈলীর কারণে তাকে প্রায়শই ‘ক্রান্তীয় অঞ্চলের ট্রাম্প’ হিসেবে অভিহিত করা হতো।
ট্রাম্প বারবার বলসোনারো পরিবারকে সমর্থন করেছেন।
যদিও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ফ্লাভিও বলসোনারোর নির্বাচনি প্রচারণাকে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন করেননি, নির্বাচনি প্রচার চলাকালীন মে মাসে হোয়াইট হাউজে দুই জনের সাক্ষাৎ হয়েছিল।
বলসোনারো পরে বলেন, তার বাবা, সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর কথা জিজ্ঞাসা করেছিলেন ট্রাম্প এবং সংগঠিত অপরাধ, শুল্ক, গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।
ফ্লাভিও বোলসোনারোর নির্বাচনি পরাজয়ের পর ট্রাম্প ফলাফলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, এটিকে ‘আরও একটি কারচুপিপূর্ণ নির্বাচন বলে মনে হচ্ছে’।
পরে তিনি ইঙ্গিত দেন যে বোলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় চাইলে তিনি তাকে স্বাগত জানাবেন।
বুধবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, বেশ, আমি অনুমোদন দেব। আমার মনে হয় তারা ভালো মানুষ। নির্বাচনটা খুব অদ্ভুত ছিল এবং আমার কাছে তা ভয়াবহ মনে হয়েছে। এটিকে নিয়ে খারাপ সমালোচনা হয়েছে। তাদের দেশে কী ঘটেছে, সেটাও দেখুন।
তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয় এটা দেখাটা খুবই ভয়াবহ। আমি কোনো পক্ষ নিইনি, জানেন তো। আমি ওদের দু'জনকেই চিনি। আমি লুলাকে চিনি। ফ্লাভিওকে কিছুটা চিনি। আমি ওর বাবাকে খুব ভালোভাবে চিনি। আমার মনে হয়েছিল, বাবার সঙ্গে খুব অন্যায় করা হয়েছিলো। কিন্তু আমি এর সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। এটাই ব্রাজিল। এটা একটা ভিন্ন দেশ।
২০২২ সালের নির্বাচনে লুলার কাছে পরাজিত হওয়ার পর জাইর বলসোনারোও তাৎক্ষণিকভাবে পরাজয় স্বীকার না করে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।
পরে তিনি ব্রাজিলে ফিরে আসেন। ব্রাসিলিয়ায় তার সমর্থকরা সরকারি ভবনগুলোতে হামলা চালিয়েছিল। তাই অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি এখন গৃহবন্দি আছেন।
ফ্লাভিওর ছোট ভাই এদুয়ার্দো বলসোনারো ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের তদন্তের আওতায় আসার পর ২০২৫ সালের মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।
এদুয়ার্দো যুক্তি দিয়েছেন যে তিনি রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার। এরপর তিনি টেক্সাসে স্থায়ী হয়েছেন। এরপর তিনি ওয়াশিংটনে বলসোনারো পরিবারের অন্যতম প্রধান মুখপাত্র হয়ে উঠেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনি তার বাবা ও ভাইয়ের পক্ষে প্রচার চালান, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং ব্রাজিল-সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে মার্কিন রাজনীতিবিদদের কাছে তদবির করেন।
দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকার কারণে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি ব্রাজিলের চেম্বার অব ডেপুটিজে তার আসনটি হারান।
গত জুনে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ আদালত এদুয়ার্দোকে দোষী সাব্যস্ত করে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তার বাবার বিচারের সময় তিনি মার্কিন হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন। তবে সেই রায় তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এই বছরের নির্বাচনের আগে এদুয়ার্দো পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, তার ভাই হেরে গেলে যেন দেশ ছেড়ে চলে যান।
যুক্তরাষ্ট্রে রক্ষণশীল ভাষ্যকার স্টিভেন ক্রাউডারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমার ভাই যদি না জেতে, তাহলে আমি চাই সে দেশ ছেড়ে চলে যাক।
ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে কী প্রভাব পড়তে পারে?
আমেরিকা মহাদেশের প্রভাবশালী দুই দেশ ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক যখন নাজুক অবস্থায়, তখনই এই ঘটনা ঘটলো।
ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশই তিক্ত হয়ে উঠেছে এবং লুলা ইতোমধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনকে ব্রাজিলের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের জন্য অভিযুক্ত করেছেন।
নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে ট্রাম্পের প্রশ্ন তোলা এবং বলসোনারো ও তার পরিবারকে ভিসা দিতে ওয়াশিংটনের সদিচ্ছা এই উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
ওয়াশিংটন-ভিত্তিক পিটারসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক্স-এর সিনিয়র ফেলো মনিকা দে বোলে মনে করেন, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কের উত্তেজনা অব্যাহত থাকবে এবং ব্রাজিল কূটনীতি চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এক ধরনের ‘আঞ্চলিক প্রতিরোধ’ হিসেবে কাজ করবে।
কিন্তু তিনি যুক্তি দেন, আগামী মাসের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন হোয়াইট হাউজের ওপর চাপ বাড়াতে পারে।
তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটরা জিতলে ট্রাম্পের পক্ষে ব্রাজিলের সঙ্গে বিবাদ চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে না।


-6ae2c099d2d0f.jpg)
-6ae214fc11c7c.jpg)
-6ae171f594b7f.jpg)