খাড়গের বাসভবনে জ্ঞানেশ কুমারের ‘প্রতীকী অপসারণের’ প্রস্তুতি ইন্ডিয়া জোটের
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে নিজেদের ‘ভোট চুরি’র প্রতিবাদ আরও জোরদার করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে জনসমক্ষে প্রতীকী অপসারণের আয়োজন এবং দিল্লির রামলীলা ময়দানে এক বড় জনসভার মাধ্যমে তারা এই প্রতিবাদ জানাতে যাচ্ছে।
ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীরা বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় এ সপ্তাহের শেষে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি রাখা হয়েছে।
প্রশাসন থেকে রামলীলা ময়দানে এই প্রতীকী অপসারণ আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের দিল্লির সরকারি বাসভবনেই এটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আগামী রবিবারের বড় জনসভাটি রামলীলা ময়দানেই অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে সব রাজনৈতিক দলকে সর্বোচ্চ উপস্থিতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদ থেকে সরানোর জন্য সংসদে প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। তাই এবার তারা জনগণের দরবারেই এই প্রতীকী অপসারণের আয়োজন করছেন। খাড়গের বাড়ির আঙিনায় তৈরি বিশেষ মঞ্চে আদালতের মতো করে এই শুনানি চলবে। লোকসভার সাবেক স্পিকার মীরা কুমার এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করবেন।
এই কর্মসূচির শুরুতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে মূল প্রস্তাবটি তুলে ধরবেন। এরপর জোটের বিভিন্ন দলের প্রতিনিধি এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ নিজেদের বক্তব্য রাখবেন। সবশেষে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের মাধ্যমে এবং জাতীয় সংগীত গেয়ে এই আয়োজন শেষ হবে।
গত অক্টোবরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বিরোধী নেতাদের এক বৈঠকে বামপন্থীদের এক সংসদ সদস্য প্রথম এমন প্রতীকী আয়োজনের ধারণা দেন, যা পরে লুফে নেয় কংগ্রেস নেতৃত্ব।
অন্যদিকে, রোববারের রামলীলা ময়দানের জনসভা সফল করতে দিল্লি ও তার আশপাশের রাজ্যগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক আনার প্রস্তুতি চলছে। কর্মীদের সুবিধার জন্য দিল্লির হোটেল, লজের পাশাপাশি কংগ্রেস সংসদ সদস্যদের বাসভবনগুলোও ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
রাহুল গান্ধী দেশবাসীকে এই সভায় যোগ দেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচানোর লড়াই। কোনো ভয়ভীতি বা বাধা-বিপত্তি পরোয়া না করে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও কৃষকদের এই কর্মসূচিতে শামিল হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

-6ae721cdc1eea.jpg)