Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়-পরাজয় কীভাবে নির্ধারিত হবে?

Advertisement

Icon

বিবিসি বাংলা

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়-পরাজয় কীভাবে নির্ধারিত হবে?

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি দুই বছর কেমন যাবে, তার অনেকটাই নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের ওপর। আগামী মঙ্গলবার দেশটির ভোটাররা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সদস্য নির্বাচনে ভোট দেবেন।

এই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হলে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিনির্ধারণ ও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে হাজার হাজার পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রধান আকর্ষণ কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট। বর্তমানে উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাতে। তবে জনসমর্থনে ভাটা, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইরানকে ঘিরে সামরিক সংঘাতের প্রভাব রিপাবলিকানদের জন্য নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

অন্যদিকে, কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আসনে জয়-পরাজয়ই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করতে পারে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে।

ট্রাম্পের জনসমর্থনে ভাটা, চাপে রিপাবলিকানরা

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জনসমর্থন কমে যাওয়াকে ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। জনমত জরিপবিষয়ক ওয়েবসাইট সিলভার বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে ট্রাম্পের জনসমর্থন ৫০ শতাংশের কিছু বেশি থাকলেও দ্রুত তা ৪০ শতাংশের ঘরে নেমে আসে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক হামলায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের সময় তাঁর জনসমর্থন ছিল প্রায় ৪২ শতাংশ। এর কিছুদিন পর তা ৪০ শতাংশের নিচে নেমে আসে। বর্তমানে এই হার প্রায় ৩৭ শতাংশ।

তুলনামূলকভাবে আট বছর আগে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের একই সময়ে তার জনসমর্থন ছিল ৪৩ শতাংশ। জো বাইডেনের মেয়াদেও একই সময়ে জনসমর্থন ছিল প্রায় ৪০ শতাংশ। উভয় প্রেসিডেন্টের আমলেই মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল ক্ষমতাসীন দল। তবে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিল তারা।

ট্রাম্পের বর্তমান জনসমর্থনের পরিস্থিতি ডেমোক্র্যাটদের আশাবাদী করে তুলেছে। এমনকি যেসব রাজ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রিপাবলিকানরা ধারাবাহিকভাবে জয় পেয়েছে, সেসব আসনেও এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেখছে দলটি।

প্রতিনিধি পরিষদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে বর্তমানে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অত্যন্ত সংকীর্ণ। ৪৩৫ সদস্যের এই কক্ষে রিপাবলিকানদের আসন ২১৮টি। একজন স্বতন্ত্র সদস্যও তাদের সঙ্গে ভোট দেন।

প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। ফলে আগামী নির্বাচনে ৪৩৫টি আসনের সব কটিতেই ভোট হবে।

তবে সব আসনে সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই। অনেক এলাকায় নির্দিষ্ট দলের সমর্থন এতটাই শক্তিশালী যে সেসব আসনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা মূলত এক দলের প্রার্থীরই বেশি।

নির্বাচন বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের হিসাব অনুযায়ী, মাত্র ১৮টি আসনে ফলাফল অনিশ্চিত। এসব আসনের মধ্যে ১৪টি বর্তমানে রিপাবলিকানদের এবং চারটি ডেমোক্র্যাটদের দখলে রয়েছে।

ডেমোক্র্যাটদের লক্ষ্য শুধু এই ১৮টি আসন নয়। তাদের অনুকূলে থাকা এবং দলটির দিকে ঝুঁকে থাকা আরও ৩৬টি আসনও নির্বাচনী হিসাবের অংশ। এসব আসনে জয় ধরে রাখতে পারলে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার পথ তৈরি হতে পারে।

ইতিহাস বলছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত প্রেসিডেন্টের দল প্রতিনিধি পরিষদে আসন হারায়। ১৯৩৪ সাল থেকে পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দল গড়ে ২৭টি আসন হারিয়েছে। ২৩টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র তিনবার ক্ষমতাসীন দল আসন বাড়াতে পেরেছে।

সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া ডেমোক্র্যাটদের জন্য কঠিন

প্রতিনিধি পরিষদের তুলনায় সিনেটে রিপাবলিকানদের অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী। ১০০ সদস্যের এই কক্ষে দলটির আসন ৫৩টি। এ ছাড়া দুজন স্বতন্ত্র সদস্য রিপাবলিকানদের সঙ্গে ভোট দেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের আসন ৪৫টি।

সিনেটররা ছয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন। তাই প্রতি দুই বছর পরপর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবার ৩৫টি আসনে ভোট হবে।

কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এসব আসনের মধ্যে মাত্র সাতটিতে জয়-পরাজয় নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এর ছয়টি রিপাবলিকানদের এবং একটি ডেমোক্র্যাটদের দখলে।

সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ডেমোক্র্যাটদের বড় ধরনের নির্বাচনী সাফল্য প্রয়োজন। অনিশ্চিত আসনগুলোর পাশাপাশি রিপাবলিকানদের সম্ভাব্য বা দলটির দিকে ঝুঁকে থাকা আসনেও জয় পেতে হবে তাদের।

মিশিগানে নিজেদের আসন ধরে রাখা ডেমোক্র্যাটদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। সেখানে বামপন্থি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল এল-সায়েদ এবং ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা মাইক রজার্সের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প দুই অঙ্কের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন—এমন আলাস্কা, আইওয়া ও ওহাইওর মতো রাজ্যেও সিনেটের আসন জয়ের চেষ্টা করছে ডেমোক্র্যাটরা।

টেক্সাসেও সম্ভাবনা দেখছে দলটি। সেখানে সাবেক শিক্ষক জেমস টালারিকো রিপাবলিকান প্রার্থী ও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র কেন প্যাক্সটনকে পরাজিত করতে পারলে ১৯৮৮ সালের পর রাজ্যটিতে প্রথমবারের মতো সিনেটের আসন পেতে পারে ডেমোক্র্যাটরা।

জীবনযাত্রার ব্যয় ও ইরান যুদ্ধ ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ

এবারের নির্বাচনে ভোটারদের সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে জীবনযাত্রার ব্যয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, অধিকাংশ রাজ্যে গ্যাসের দাম প্রতি গ্যালন ২ দশমিক ৩০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। কিন্তু চার দিন পর ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা দেখা দেয়। এর প্রভাব পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিবাজারেও। গ্যাসের দাম বেড়ে প্রতি গ্যালন ৪ ডলারে পৌঁছে যায়।

যুদ্ধের প্রভাব শুধু জ্বালানির বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা এবং ভোক্তাদের ব্যয় বৃদ্ধির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাও চাপে পড়েছে।

গত আগস্টে পরিচালিত একটি জরিপে দেখা যায়, ৬৩ শতাংশ উত্তরদাতা ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

জীবনযাত্রার ব্যয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও অভিবাসনও নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প প্রশাসন সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অভিবাসন কমে আসাকে নিজেদের অন্যতম সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে।

অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা স্বাস্থ্যবিমার উচ্চ ব্যয়, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির প্রভাবকে নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্ব দিচ্ছেন।

অর্থের লড়াইয়েও এগিয়ে রিপাবলিকানরা

জনসমর্থনের হিসাবে পিছিয়ে থাকলেও নির্বাচনী তহবিলের দিক থেকে রিপাবলিকানদের অবস্থান শক্তিশালী। নির্বাচনী প্রচারণায় বিপুল অর্থ ব্যয় করে জনমত জরিপের নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে দলটি।

অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর হাতে নগদ অর্থ ছিল প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে ডেমোক্র্যাটদের হাতে ছিল ২৩০ মিলিয়ন ডলারের কিছু কম।

এর বাইরে ট্রাম্পের ‘এমএজিএ ইনকরপোরেটেড’ গোষ্ঠীর হাতে ছিল ১৬০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এই সংগঠন নির্বাচনী প্রচারণায় অর্থ সংগ্রহ ও ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।

এই আর্থিক সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে রিপাবলিকানরা বিভিন্ন রাজ্যে বিজ্ঞাপন প্রচারে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছে।

গবেষণা সংস্থা অ্যাডইমপ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের উদ্দেশে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। এ ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের তুলনায় প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার বেশি ব্যয় করেছে রিপাবলিকানরা। বিশেষ করে অনিশ্চিত সিনেট আসনগুলোতে বিজ্ঞাপন প্রচারে দলটির ব্যয় বেশি।

শেষ মুহূর্তের এই প্রচারণার মাধ্যমে রিপাবলিকানরা নিজেদের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যেতে চায়। ভোটার উপস্থিতি বাড়িয়ে সম্ভাব্য ক্ষতি কমানোই এখন ট্রাম্প ও তার দলের অন্যতম লক্ষ্য।

নির্বাচনের পরই আলোচনায় আসবে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

মধ্যবর্তী নির্বাচনের অধিকাংশ পূর্বাভাস ডেমোক্র্যাটদের অনুকূলে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফলাফল কী হবে, তা নির্ভর করবে ভোটারদের উপস্থিতি এবং গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার ওপর। অতীতেও ট্রাম্প ও তাঁর দল জনমত জরিপের পূর্বাভাস ছাড়িয়ে ভালো ফল করেছে।

তবে এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পারলে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ দুই বছর আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং প্রশাসনিক নীতির বাস্তবায়নে বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের বাধার মুখে পড়তে পারে তার সরকার।

অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেলে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার সুযোগ পাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেন না। ফলে ট্রাম্পের তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাংবিধানিক সুযোগ নেই। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল তাই শুধু তার বর্তমান প্রশাসনের ভবিষ্যৎ নয়, ২০২৮ সালের নির্বাচনের আগে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের শক্তির অবস্থানও অনেকটা নির্ধারণ করে দিতে পারে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে যেসব ক্ষমতা কমে যাবে ট্রাম্পের

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে যেসব ক্ষমতা কমে যাবে ট্রাম্পের

রাতে সূর্যের আলো বিক্রির পরিকল্পনা

রাতে সূর্যের আলো বিক্রির পরিকল্পনা

এবার যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশি'য়ারি দিল রাশিয়া

এবার যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশি'য়ারি দিল রাশিয়া

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কমছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা

রয়টার্সের জরিপ মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কমছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভাগ্য পরীক্ষা, ঝুঁকিতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভাগ্য পরীক্ষা, ঝুঁকিতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ

আরও পড়ুন

চীনা বিনিয়োগে যেভাবে শক্তিশালী হচ্ছে তালেবান

চীনা বিনিয়োগে যেভাবে শক্তিশালী হচ্ছে তালেবান

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়-পরাজয় কীভাবে নির্ধারিত হবে?

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়-পরাজয় কীভাবে নির্ধারিত হবে?

কপাল পুড়ছে নেতানিয়াহুর!

কপাল পুড়ছে নেতানিয়াহুর!

শতবর্ষী মসজিদ সরাতে চায় মোদি সরকার, বিকল্প জায়গা নিয়ে প্রশ্ন আদালতে

শতবর্ষী মসজিদ সরাতে চায় মোদি সরকার, বিকল্প জায়গা নিয়ে প্রশ্ন আদালতে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম