Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

শৈশবে ডিম খাওয়ালে কমতে পারে অ্যালার্জির ঝুঁকি: গবেষণা

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:২২ পিএম

শৈশবে ডিম খাওয়ালে কমতে পারে অ্যালার্জির ঝুঁকি: গবেষণা

জীবনের প্রথম দিকেই শিশুদের ডিম খাওয়ানো শুরু করলে ডিমে অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি কমে যেতে পারে।

Advertisement

শিশুদের খাদ্য অ্যালার্জি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে অভিভাবকদের জন্য আশার খবর দিয়েছে নতুন এক অস্ট্রেলিয়ান গবেষণা। গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের প্রথম দিকেই শিশুদের ডিম খাওয়ানো শুরু করলে ডিমে অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড এবং মুরডক চিলড্রেনস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষকরা এই গবেষণা পরিচালনা করেন। তাদের মতে, দেরিতে অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী খাবার দেওয়া নয়, বরং নিয়ন্ত্রিতভাবে আগেভাগে এসব খাবার পরিচয় করিয়ে দেওয়াই বেশি কার্যকর হতে পারে।

৭ হাজারের বেশি শিশুর তথ্য বিশ্লেষণ

‘জামা পেডিয়াট্রিকস’ জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় প্রায় ৭,২০০ অস্ট্রেলিয়ান শিশুর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে ২০১৬ সালে জাতীয় শিশু খাদ্য নির্দেশিকা পরিবর্তনের আগে ও পরে জন্ম নেওয়া শিশুদের মধ্যে তুলনা করা হয়।

নতুন নির্দেশিকায় শিশুদের প্রথম এক বছরের মধ্যেই ডিম খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। গবেষকরা দেখেন, এই পরিবর্তনের পর ডিমে অ্যালার্জির হার ১৭ শতাংশ কমে গেছে।

অ্যালার্জি কমার পেছনে কারণ কী?

গবেষকদের মতে, আগে ধারণা ছিল—অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী খাবার দেরিতে দিলে ঝুঁকি কমে। তবে এখন ধারণা বদলেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবনের শুরুতেই এসব খাবার শরীরে প্রবেশ করলে ইমিউন সিস্টেম ধীরে ধীরে সেগুলোকে ‘নিরাপদ’ হিসেবে চিনতে শিখে যায়।

এভাবে নিয়মিত অল্প পরিমাণে ডিম খেলে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে শত্রু হিসেবে না দেখে সহনশীলতা তৈরি করতে পারে, যা ভবিষ্যতে অ্যালার্জির ঝুঁকি কমায়।  

একজিমা আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ফল

গবেষণায় দেখা গেছে, একজিমা আক্রান্ত শিশুদের মধ্যেও ডিম অ্যালার্জির হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এই গোষ্ঠীতে হার ৩৫ শতাংশ থেকে কমে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজিমা থাকা শিশুদের ত্বকের মাধ্যমে অ্যালার্জেন প্রবেশের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই মুখে খাওয়ার মাধ্যমে আগেভাগে খাবার পরিচয় করিয়ে দিলে শরীর সহনশীলতা তৈরি করতে পারে।

নতুন নির্দেশনা কী বলছে?

বর্তমান অস্ট্রেলিয়ান স্বাস্থ্য নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শিশুদের প্রায় ছয় মাস বয়স থেকে ভালোভাবে রান্না করা ডিমসহ বিভিন্ন সাধারণ অ্যালার্জি-সৃষ্টিকারী খাবার ধীরে ধীরে খাওয়ানো শুরু করা যেতে পারে। 

তবে জোর করে নয়, বরং স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে এক বছরের আগেই এসব খাবার পরিচয় করানোই মূল লক্ষ্য।

অভিভাবকদের জন্য কী বার্তা?

গবেষকরা বলছেন, এই ফলাফল অভিভাবকদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয়। যদিও আগেভাগে ডিম খাওয়ালে অ্যালার্জি পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তাদের মতে, সব শিশুর ক্ষেত্রে ফল একই নাও হতে পারে, কিন্তু সঠিক সময়ে খাদ্য পরিচয় করানো শিশুর খাদ্য অ্যালার্জি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

সূত্র- এনডিটিভি

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

অল্প বয়সেই চুল পেকে গেলে যা খাবেন

অল্প বয়সেই চুল পেকে গেলে যা খাবেন

শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করার উপায়

শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করার উপায়

বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে

বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে

আয়োডিনের ঘাটতিতেই কি থাইরয়েডের সমস্যা? কম লবণ খেলে আরও যেসব রোগ হতে পারে

আয়োডিনের ঘাটতিতেই কি থাইরয়েডের সমস্যা? কম লবণ খেলে আরও যেসব রোগ হতে পারে

বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এলো ৬ বিষয়

বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এলো ৬ বিষয়

হার্ট ভালো রাখতে গিয়ে যে ৫ ভুল করছেন অজান্তেই

হার্ট ভালো রাখতে গিয়ে যে ৫ ভুল করছেন অজান্তেই

আরও পড়ুন

অল্প বয়সেই চুল পেকে গেলে যা খাবেন

অল্প বয়সেই চুল পেকে গেলে যা খাবেন

সর্দি কাশি নাক বন্ধ, যা করবেন

সর্দি কাশি নাক বন্ধ, যা করবেন

শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করার উপায়

শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করার উপায়

ক্যানসার হলেও তা ছড়াবে না এক অঙ্গ থেকে অন্য অঙ্গে, আসছে নতুন টিকা

ক্যানসার হলেও তা ছড়াবে না এক অঙ্গ থেকে অন্য অঙ্গে, আসছে নতুন টিকা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম