অল্প বয়সেই চুল পেকে গেলে যা খাবেন
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চুল পেকে যাওয়া খুবই সাধারণ একটি বিষয়। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় অল্প বয়স থেকেই চুল সাদা হয়ে যাচ্ছে। বংশগত কারণের পাশাপাশি শরীরে পুষ্টির ঘাটতি, হজমের সমস্যা, মানসিক চাপের কারণেও হতে পারে। তবে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে চুল সাদা হয়ে যাওয়ার সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।
ডিম
চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ডিম খুবই উপকারী। ডিমের মধ্যে থাকে প্রোটিন, ভিটামিন বি১২ এবং বায়োটিন। শরীরে এগুলির অভাব থাকলে অনেক সময় অল্প বয়সেই চুল সাদা হয়ে যায়।
জিঙ্ক, তামা ও অন্যান্য খনিজ সমৃদ্ধ দানাশস্য জাতীয় খাবার যেমন কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, কিংবা কালো তিল চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী। চুলের স্বাভাবিক রং ধরে রাখতে এগুলি খুবই সাহায্য করে।
দুধ এবং দই
দুধ ও দই হল প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২-এর ভরপুর উৎস। তাই চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখতে চিনি ছাড়া ঘরে পাতা দই খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আমলকি
ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ আমলকি মেলানিন উৎপাদনে সাহায্য করে। যা চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত সুষম খাবারের অংশ হিসেবে আমলকি খাওয়া শরীরের পক্ষেও ভাল। কাঁচা আমলকি কিংবা কাঁচা আমলকির রস চিনি ছাড়া খেলে উপকার পাওয়া যায়।
ডালিম
অকালে চুল পাকা রোধ করতে ডালিম অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬ এবং ফোলেট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।
পালং শাক
আয়রন ও ফোলেট সম্পন্ন পালং শাক শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমায়। এমনকি চুলের ফলিকল গুলিতেও রক্ত প্রবাহে সাহায্য করে।
আখরোট
আখরোট চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। চুলের প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই সব খাবার খেলে রাতারাতি চুল পাকার সমস্যা দূর হবে না। কারও ক্ষেত্রে এই সমস্যা যেমন বংশগত কারণে হতে পারে তেমনই বয়স বৃদ্ধির কারণেও হতে পারে। তাই এই সমস্ত ক্ষেত্রে সবসময় একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।
