Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

পুষ্টিগুণ বাড়াতে যেভাবে গাজর খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ এএম

পুষ্টিগুণ বাড়াতে যেভাবে গাজর খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

গাজর চোখের জন্য উপকারী—এ কথা প্রায় সবারই জানা। বিটা-ক্যারোটিনে সমৃদ্ধ এই সবজি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং ত্বকের সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে শুধু গাজর খাওয়াই যথেষ্ট নয়, কীভাবে খাচ্ছেন সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা গাজরের তুলনায় হালকা তাপে রান্না করা গাজর থেকে শরীর বেশি পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন শোষণ করতে পারে। অভিজ্ঞ ডায়েটিশিয়ান রিঙ্কল শর্মা জানান, কাঁচা গাজরের কোষীয় দেয়াল শক্ত হওয়ায় এর ভেতরে থাকা পুষ্টি উপাদান সহজে মুক্ত হতে পারে না। কিন্তু হালকা তাপে রান্না করলে সেই দেয়াল নরম হয়ে যায়, ফলে বিটা-ক্যারোটিন শরীরের জন্য সহজলভ্য হয়।

কাঁচা গাজরে শোষণ কম

কাঁচা গাজর সতেজ ও মচমচে হলেও এর পুষ্টি উপাদান পুরোপুরি কাজে লাগে না। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁচা গাজর থেকে শরীর মাত্র প্রায় ৩ শতাংশ বিটা-ক্যারোটিন শোষণ করতে পারে। কারণ শক্ত কোষীয় গঠন পুষ্টি উপাদানকে আটকে রাখে।

হালকা রান্নায় বাড়ে উপকারিতা

গাজর ভাপে সেদ্ধ, হালকা রান্না বা অল্প তাপে প্রস্তুত করলে এর কোষীয় গঠন নরম হয়। এতে ভেতরে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে। গবেষণাতেও রান্না করা গাজরে পুষ্টি উপাদানের প্রাপ্যতা বেশি পাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

রোস্ট বা বেক করেও খেতে পারেন

ভাপে রান্নার পাশাপাশি গাজর রোস্ট বা বেক করেও খাওয়া যেতে পারে। এতে গাজরের স্বাভাবিক মিষ্টতা আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। একই সঙ্গে বিটা-ক্যারোটিনও শরীরের জন্য তুলনামূলক বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

তেলের সঙ্গে খাওয়ার কারণ

বিটা-ক্যারোটিন একটি চর্বিতে দ্রবণীয় উপাদান। অর্থাৎ এটি শরীরে ভালোভাবে শোষিত হতে স্বাস্থ্যকর চর্বির প্রয়োজন হয়। তাই গাজরের সঙ্গে সামান্য অলিভ অয়েল, ক্যানোলা অয়েল বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করলে পুষ্টি শোষণ বাড়তে পারে।   

সহজ প্রস্তুতির উপায়

গাজর খুব বেশি নরম করে রান্না করার দরকার নেই। সামান্য অলিভ অয়েলে প্রায় পাঁচ মিনিট হালকা ভেজে নিলেই যথেষ্ট। চাইলে স্বাদ বাড়াতে কিছুটা কালো গোলমরিচও যোগ করা যেতে পারে। এতে গাজরের মচমচে ভাবও অনেকটাই বজায় থাকে।

কাঁচা গাজর খেতে চাইলে

যারা সালাদে কাঁচা গাজর খেতে পছন্দ করেন, তারাও উপকার পেতে পারেন। তবে সালাদের সঙ্গে অলিভ অয়েলভিত্তিক ড্রেসিং, অ্যাভোকাডো বা বিভিন্ন বীজ যোগ করলে বিটা-ক্যারোটিন শোষণ আরও ভালো হতে পারে।

সবচেয়ে ভালো উপায় কোনটি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজর খাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো হালকা তাপে রান্না করে স্বাস্থ্যকর চর্বির সঙ্গে খাওয়া। ভাপে সেদ্ধ, রোস্ট বা অল্প তেলে হালকা ভাজা—যে পদ্ধতিই বেছে নিন, অতিরিক্ত রান্না এড়িয়ে চলাই ভালো। আর কাঁচা গাজর খেলে তার সঙ্গে কিছু স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার রাখলে পুষ্টিগুণ আরও ভালোভাবে পাওয়া যেতে পারে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম