মহাত্মা গান্ধীর ভ্রাতৃত্বের বার্তা বিশ্বে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ুক: দিনেশ ত্রিবেদী
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর ১৫৭তম জন্মজয়ন্তীতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, মহাত্মা গান্ধী ছিলেন সব মানুষ, সব ধর্মের জন্য শান্তির পায়রা। তার অহিংস বার্তা আজও শান্তির পক্ষে চলমান। বিশ্বজুড়ে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় মহাত্মা গান্ধীর অহিংসা ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা আজ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক, আরও বেশি জরুরি। তার বার্তা বিশ্বে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ুক।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে ভারতীয় হাইকমিশনে অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা মহাত্মা গান্ধী ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর ১৫৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
দীনেশ বলেন, মহাত্মা গান্ধীর কথা বলতে গেলে, বলে শেষ করা যাবে না। তার মতো এমন স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন মানুষ পৃথিবীতে পাওয়া সত্যিই কষ্টকর। যত মত, তত পথ—এমনটা মহাত্মা গান্ধী বিশ্বাস করতেন। আমরা তার পথ দেখানো পথে প্রতি দিন, প্রতিটি সময় চলার চেষ্টা করি। তার জীবন খুব সাধারণ, কিন্তু ছিলেন অসাধারণ মানুষ। আমাদের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মহাত্মা গান্ধী। তার চিন্তা, ভাবনা আমাদের জীবনাচারে কাজে লাগাতে পারলে আমরা বহুদূর এগিয়ে যেতে পারবো।
ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ‘জয় জওয়ান, জয় কিষান’ স্লোগান দিয়েছিলেন। বর্তমান সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ‘জয় বিজ্ঞান, জয় অনুসন্ধান’ যুক্ত করেছেন।
মহাত্মা গান্ধীর অহিংসার বার্তার গুরুত্ব তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বিশ্বে সহিংসতা যখন বাড়ছে, তখন গান্ধীজির অহিংসা ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, এত বছর পরও মহাত্মা গান্ধী বিশ্বের মানুষের কাছে ভালোবাসার ও শ্রদ্ধার একজন ব্যক্তিত্ব। কারণ, মানবতার জন্য তার দেওয়া বার্তা সবসময়ই প্রাসঙ্গিক থাকবে।
আলোচনা শেষে তার জন্মদিন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এদিকে মহাত্মা গান্ধীর ১৫৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট ও রাজশাহীর সহকারী হাইকমিশন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে ১৮ থেকে ২৬ বছর বয়সি শিক্ষার্থীদের জন্য পোস্টার তৈরি ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
চট্টগ্রাম সহকারী হাইকমিশনের উত্দ্যোগে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এছাড়া দেশব্যাপী কর্মসূচিতে বিভিন্ন সেবামূলক ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশেষ এ দিনটি পালন করা হয়।

