গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে সরকার আন্তরিক: ডেপুটি স্পিকার
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম
দেশের গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে বর্তমান সরকার আন্তরিক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশের গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে বর্তমান সরকার আন্তরিক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় নিজের কার্যালয়ে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ সম্ভব হয়নি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেন। ক্ষমতার সুষ্ঠু হস্তান্তর এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনে তার অবদান অগ্রগণ্য।
কায়সার কামাল বলেন, ইউএনডিপি বাংলাদেশে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। বিশেষ করে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগিতা দিয়ে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কারে ইউএনডিপি ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এ দেশের তরুণ প্রজন্ম বিগত সরকারের শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। জেনজির দেখানো পথ অনুসরণ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও স্বৈরাচারী শাসকদের উৎখাত করা হয়েছে। বাংলাদেশে জেনজি ও ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে শাসনের অবসান ঘটে। জনগণের ভোটাধিকারের মাধ্যমে বর্তমান সরকার নির্বাচিত হয়েছে।
বৈঠকে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সংস্থাটির সম্পর্ক রয়েছে। জাতীয় সংসদে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য ওরিয়েন্টেশন কোর্স ও প্রশিক্ষণ পরিচালনায় সহযোগিতা দিতে ইউএনডিপি প্রস্তুত। সংসদীয় কমিটিগুলোকে সহায়তা প্রদান এবং লিঙ্গসমতা নীতি বাস্তবায়নেও সংস্থাটি আগ্রহী।
বৈঠকে রাষ্ট্রকাঠামোয় আমলাতান্ত্রিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় ইউএনডিপির ডেপুটি আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধের মূল্যায়ন জরুরি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের প্রায় ৩২৫টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ পদ্ধতির পরিবর্তন এবং বাস্তব ও জ্ঞানভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বৈঠকে ইউএনডিপি ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

