Logo
Logo
×

Advertisement

স্মরণীয়-বরণীয়

খন্দকার ফারুক আহমেদ

Advertisement

Icon

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৫, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

সংগীতশিল্পী খন্দকার ফারুক আহমেদ ১৯৪০ সালের ১ জানুয়ারি বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বগুড়া জিলা স্কুল, রাঙামাটি জিলা স্কুল এবং জগন্নাথ কলেজে লেখাপড়া করেন। ওস্তাদ মিথুন দের কাছ থেকে তিনি শাস্ত্রীয় সংগীতে দীক্ষা গ্রহণ করেন।

জগন্নাথ কলেজে অধ্যয়ন শেষে খন্দকার ফারুক আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। তার বন্ধু পারভীন বেগম তার অনন্য সংগীতপ্রতিভা আবিষ্কার করেন এবং তাকে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে গান গাওয়ান। এরই মাধ্যমে তিনি কণ্ঠশিল্পী আনোয়ারউদ্দীন খানের কাছ থেকে সংগীতজগতে প্রবেশের সুযোগ লাভ করেন। নাট্যশিল্পী নাজমুল হুদাও তাকে অনুপ্রেরণা দেন। মুম্বাইয়ের এক অনুষ্ঠানে গান গাইতে গেলে শচীন দেববর্মণ খন্দকার ফারুক আহমেদের গানের বিশেষ প্রশংসা করেন। ১৯৬১ সালে ঢাকা রেডিওতে অডিশন দিয়ে তিনি পাশ করেন। ১৯৬৭ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘চাওয়া পাওয়া’তে কণ্ঠ দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। আবির্ভাব, এতটুকু আশা, দীপ নেভে নাই, নীল আকাশের নীচে, জীবন সাথী, আলোর মিছিল, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, অশিক্ষিতসহ অনেক চলচ্চিত্রে গান গেয়েছেন তিনি। ‘কোথায় যেন দেখেছি’ ছবির ‘রিকশাওয়ালা বলে কারে তুমি আজ ঘৃণা করো’ গানটির জন্য মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী শিল্পী খন্দকার ফারুক আহমেদকে পল্টন ময়দানে লক্ষাধিক মানুষের জনসভায় সোনার মেডেল পরিয়ে সম্মানিত করেছিলেন। গানটি শ্রমজীবীদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল।

খন্দকার ফারুক আহমেদের কণ্ঠে ফজল-এ-খোদা রচিত ও ধীর আলী মিয়ার সুরারোপিত ‘বাসন্তী রং শাড়ি পরে কোন বধূয়া চলে যায়’ গানটি আশির দশকে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। এ গানটি বাংলাদেশ বেতারে রেকর্ড করা হয়েছিল। তার আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গান-‘নীল আকাশের নিচে আমি রাস্তা চলেছি একা’, ‘আমি নিজের মনে নিজেই যেন গোপনে ধরা পড়েছি’, ‘কাছে এসো যদি বলো তবে দূরে কেন থাকো’।

বাচসাস চলচ্চিত্র পুরস্কার, শেরে বাংলা পদক, ভাসানী পদক, ঋষিজ পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন খন্দকার ফারুক আহমেদ। ‘আমি যে পথিক দেখেছি’ গানটি গাওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংস্থা কর্তৃক হান্টিং সিঙ্গার খেতাবে ভূষিত হন তিনি ১৯৮০ সালে।

খন্দকার ফারুক আহমেদ ২০০১ সালের ১১ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

বিচারপতি আবদুস সাত্তার

বিচারপতি আবদুস সাত্তার

মুজীবুর রহমান খাঁ

মুজীবুর রহমান খাঁ

আবুল হাশিম

আবুল হাশিম

ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খান

ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খান

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম