আর্জেন্টিনা-জার্মানির ম্যাচ দিয়ে তিন বছর পর খুলছে ম্যারাডোনা স্টেডিয়াম
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দীর্ঘ তিন বছর পর আবারও ফুটবল ফিরছে আর্জেন্টিনার লা প্লাতার ঐতিহ্যবাহী এস্তাদিও উনিকো ত্রিকাম্পেওনেস দেল মুন্দো-দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা স্টেডিয়ামে। আগামী ২৯ নভেম্বর আর্জেন্টিনা ও জার্মানির নারী ফুটবল দলের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলবে স্টেডিয়ামটি। ২০২৭ ব্রাজিল নারী বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মাঠে নামবে দুই দল।
বুয়েনেস এইরেস প্রদেশের রাজধানী লা প্লাতায় অবস্থিত স্টেডিয়ামটি সংস্কারকাজের জন্য ২০২৩ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে সেখানে কোনো ধরনের ক্রীড়া আয়োজন হয়নি। সংস্কারকাজ এখনো চলমান থাকলেও আর্জেন্টিনা-জার্মানি ম্যাচের মধ্য দিয়ে আবারও প্রাণ ফিরবে এই ফুটবল ভেন্যুতে।
স্টেডিয়ামের পরিচালক এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) অনুষ্ঠান ও প্রটোকল কমিটির সভাপতি ফার্নান্দো ইসলাস কাসারেস জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সংস্কারকাজের প্রায় ২৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। তার প্রত্যাশা, ২০৩০ বিশ্বকাপের অন্যতম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হবে স্টেডিয়ামটি।
কাসারেস বলেন, সংস্কারকাজের এক-চতুর্থাংশ শেষ হয়েছে। তাদের বিশ্বাস, ২০৩০ বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুর মর্যাদা পাবে এই স্টেডিয়াম।
মাঠের লড়াইয়েও ম্যাচটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। এর আগে আর্জেন্টিনা ও জার্মানির নারী দল দুবার মুখোমুখি হয়েছে। প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০০৩ সালে। এরপর ২০০৭ সালের ফিফা নারী বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে লড়েছিল দল দুটি। আগামী ২৯ নভেম্বরের ম্যাচটি হবে তাদের তৃতীয় মুখোমুখি হওয়া।
বর্তমান ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জার্মানি। ফলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এই ম্যাচ আর্জেন্টিনার জন্য বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। আর্জেন্টিনার কোচ হেরমান পোর্তানোভাও ম্যাচটিকে বিশ্বকাপ প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন।
তার মতে, জার্মানির মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ নিজেদের সামর্থ্য যাচাই এবং প্রতিযোগিতামূলক মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে সংস্কারের পর স্টেডিয়ামটির পুনরায় উদ্বোধনের দিনে উপস্থিত থাকতে পারাকেও বিশেষ অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন তিনি।
অন্যদিকে জার্মানির নারী দলের কোচ ক্রিশ্চিয়ান ভুকের কাছেও ম্যাচটির গুরুত্ব অনেক। তিনি মনে করেন, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমন ম্যাচ খেললে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে দলের উন্নতিতে কাজে আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।

