|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে ইতোমধ্যে ঢাকায় এসেছে-ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সাফের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত।
বাকি পাঁচ দেশের বিবেচনায় আঞ্চলিক এ টুর্নামেন্টে সবচেয়ে শক্তিশালী দল স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতা শুরুর আগে ভারতের কোচ নওশাদ মুসা বলেছেন, ‘আমার বিবেচনায় এই মুহূর্তে বাংলাদেশই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। আশা করি, ফাইনালে তাদের মুখোমুখি হব। কয়েকজন খেলোয়াড়কে প্রথম ম্যাচের আগে পাচ্ছি না। এটা একটা চ্যালেঞ্জ। তবে যে দলটি পেয়েছি, সেটিও খারাপ নয়। সত্যি বলতে, আমাদের শক্তিশালী দল আছে।’
সাফে ভারতের সাফল্যের ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। ১৯৯৩ সালে প্রথম শিরোপা জয়ের পর ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৫, ২০০৯, ২০১১, ২০১৫, ২০২১ ও ২০২৩ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। সব মিলিয়ে ৯ বারের শিরোপাজয়ী ভারত এবার ঢাকায় এসেছে দশম ট্রফির স্বপ্ন নিয়ে। সর্বশেষ ২০২৩ সালে ফাইনালে কুয়েতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল দলটি।
ফিফা উইন্ডোর সময় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলবে ভারত। যে কারণে মূল জাতীয় দলের দায়িত্বে থাকবেন খালিদ জামিল। আর সাফে ‘বি’ দলের ডাগ আউটে দাঁড়াবেন নওশাদ। ভারতের ২৮ সদস্যের দলে অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ের খেলোয়াড়ই বেশি। এবারের আসরে দ্বিতীয় সারির দল পাঠালেও ফেভারিটের তালিকায় এক নম্বরে ভারতই।
তার পরও ভারতের এই দলকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বাংলাদেশের। ২০০৯ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে এসেছিল তারা। সেবার ফাইনালে মালদ্বীপকে টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। এর আগে সেমিফাইনালে স্বাগতিক বাংলাদেশকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল ভারত।
বাংলাদেশের জন্য প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে ধরা হচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতকে। গ্রুপ পর্বের দুটি ম্যাচে জয় এবং সেমিফাইনাল জিতলে ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-বাংলাদেশ। সে আশাটা অবশ্য করেছেন ভারত কোচ নওশাদ।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স আশাব্যঞ্জক। সর্বশেষ গত বছরের ১৮ নভেম্বর ঢাকায় এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে ভারতের মাঠে দুই দলের লড়াই শেষ হয়েছিল গোলশূন্য ড্রয়ে।
